
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় প্রায় ১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকার ঘটনায় তা পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি। এ সময় দ্রুত সেতুটি চালু করতে ৭ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
আজ বুধবার দুপুরে সদর উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে শাহজাহানপুর ইউনিয়ন পরিষদ সড়কের নরেন্দ্রপুর কাঁচার বিল খালের ওপর নির্মিত সেতুটি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন প্রতিমন্ত্রী।
পরিদর্শন শেষে তিনি আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে সেতুর সংযোগ (অ্যাপ্রোচ) সড়কের কাজ সম্পন্ন করে যানবাহন ও সাধারণ মানুষের চলাচলের উপযোগী করার নির্দেশ দেন।
সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মীর শাহে আলম জানান, প্রায় ৮ কোটি টাকা ব্যয়ে সড়ক এবং ৭ কোটি টাকা ব্যয়ে সেতুর মূল অবকাঠামো নির্মাণ শেষ হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় এটি দীর্ঘদিন ব্যবহারহীন অবস্থায় পড়ে আছে। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নজরে আসার পর সংশ্লিষ্টদের নির্দেশে তিনি পরিদর্শনে আসেন।
তিনি আরও বলেন, জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করে সেতুটি চালু করা হবে।
পরিদর্শনকালে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম বুলবুল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক হারুনুর রশিদ, স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. আবু নছর মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ এবং এলজিইডির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (প্রশাসন) মো. ওয়াহিদুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে সেতুটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। মূল অবকাঠামো নির্মাণ সম্পন্ন হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় এটি দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে ছিল।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় প্রায় ১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকার ঘটনায় তা পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি। এ সময় দ্রুত সেতুটি চালু করতে ৭ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
আজ বুধবার দুপুরে সদর উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে শাহজাহানপুর ইউনিয়ন পরিষদ সড়কের নরেন্দ্রপুর কাঁচার বিল খালের ওপর নির্মিত সেতুটি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন প্রতিমন্ত্রী।
পরিদর্শন শেষে তিনি আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে সেতুর সংযোগ (অ্যাপ্রোচ) সড়কের কাজ সম্পন্ন করে যানবাহন ও সাধারণ মানুষের চলাচলের উপযোগী করার নির্দেশ দেন।
সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মীর শাহে আলম জানান, প্রায় ৮ কোটি টাকা ব্যয়ে সড়ক এবং ৭ কোটি টাকা ব্যয়ে সেতুর মূল অবকাঠামো নির্মাণ শেষ হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় এটি দীর্ঘদিন ব্যবহারহীন অবস্থায় পড়ে আছে। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নজরে আসার পর সংশ্লিষ্টদের নির্দেশে তিনি পরিদর্শনে আসেন।
তিনি আরও বলেন, জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করে সেতুটি চালু করা হবে।
পরিদর্শনকালে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম বুলবুল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক হারুনুর রশিদ, স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. আবু নছর মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ এবং এলজিইডির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (প্রশাসন) মো. ওয়াহিদুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে সেতুটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। মূল অবকাঠামো নির্মাণ সম্পন্ন হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় এটি দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে ছিল।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কেন আমাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে? আমরা হবিগঞ্জে যেতে চাই। সেখানে গিয়ে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব।’
১ দিন আগে
জব্দ করা দুটি ট্রলার রাজীবপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াদুদ জামান মানিক ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন এবং উচাখিলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাদীউল বাশার সুমনের জিম্মায় দিয়েছিল প্রশাসন। ট্রলারে ছিলেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার এএসআই জীবন চন্দ্র বৈশ্য, কনস্টেবল বিমল চন্দ্র পাল এবং গ্রাম পুলিশ উজ্জ্বল ও
১ দিন আগে
একপর্যায়ে হাসনাত বলেন, তিনি নিজেসহ আরও দুই সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম ও মাহমুদা মিতু (সংরক্ষিত আসনে) এবং এনসিপির দুজন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য কেবল মামলা করতে যাবেন। প্রয়োজনে তারা গাড়ির চালককেও নেবেন না। পুলিশ চালক দিলে তাকে নিয়েই যাবেন তারা। তবে পুলিশ সে প্রস্তাবও মানেনি। পরে এনসিপি নেতারা ব্যারিক
১ দিন আগে
বুধবার (২২ জুলাই) পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদী হিসেবে মামলাটি দায়ের করেন ওই বিধবা। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার রেকর্ড করে আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
১ দিন আগে