
রাজশাহী ব্যুরো

দেশে প্রতি মৌসুমে উদপাদিত প্রায় এক হাজার ৩০০ মেট্রিক টন পাটবীজের প্রায় ৭০ শতাংশই রাজশাহী অঞ্চলে উৎপাদন হয়। আর রাজশাহীর আট জেলার মধ্যে শুধু চাঁপাইনবাবগঞ্জেই উৎপাদন হয় প্রায় ৬০০ মেট্রিক টন।
আজ শুক্রবার রাজশাহীতে ‘পাটবীজ উৎপাদন, সংগ্রহ ও সংরক্ষণ কলাকৌশল’ শীর্ষক এক কর্মশালায় বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) কর্মকর্তারা এসব তথ্য জানিয়েছেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জের চুক্তিবদ্ধ ৮০ জন পাটবীজ উৎপাদনকারী চাষিকে নিয়ে নগরীর একটি কমিউনিটি সেন্টারে দিনব্যাপী এই চাষী প্রশিক্ষণের আয়োজন করে বিএডিসির পাটবীজ উৎপাদন জোন। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএডিসির চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ সাজ্জাদ।
উদ্বোধনী পর্বে চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃষক মনিরুল ইসলাম, বেলাল হোসেন, আনারুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য দেন। তারা বলেন, চাষাবাদে খরচ অত্যন্ত বেশি। তাই কৃষকের খুব সমস্যা। চুক্তিবদ্ধ চাষীদের কাছ থেকে পাটবীজ কেনার সময় বিএডিসি প্রতিকেজির জন্য ১৯৫ টাকা দিচ্ছে। এ টাকায় তাদের পোষাচ্ছে না। তারা পাটবীজের দাম অন্তত ২৫০ টাকা করার দাবি জানান। পাশাপাশি কোনো কৃষকের ভাল ফলনের কারণে বাড়তি পাটবীজ উৎপাদন হলে সেটাও কিনে নেওয়ার অনুরোধ জানান তারা।
চাষিরা বলেন, এটা খাবার নয় যে তারা খেয়ে ফেলবেন। তাই কম দাম হলেও বেচতে হয়। বাড়তি বীজ বাড়িতেও পড়ে থাকে। এতে তারা সমস্যায় পড়েন।
কর্মশালায় বিএডিসি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ সাজ্জাদ বলেন, ‘দেশ টিকে আছে কৃষির ওপরে। করোনার ধাক্কা বোঝা যায়নি মজবুত কৃষির কারণে। ভাল বীজ হলে ফসল উৎপাদন এমনিতেই ১৫ শতাংশ বেড়ে যায়। তাই চাষীদের ভাল বীজ উৎপাদনে মনোযোগ দিতে হবে। ভাল বীজ হলেই ভাল ফসল পাওয়া যাবে। যে বছরের বীজ সে বছরেই ব্যবহার করতে হবে। পরের বছর পাটবীজ ছিটালে এর অঙ্কুরোদম ৫০ থেকে ৬০ শতাংশে নেমে যায়।’
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএডিসির সদস্য পরিচালক (বীজ ও উদ্যান) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘দেশে এখন ৬ হাজার মেট্রিক টন পাটবীজের চাহিদা। কিন্তু তারা চাষিদের দিতে পারেন বড়জোর এক হাজার ৩০০ মেট্রিক টন। বাকিটা আমদানি করতে হয়। এতে বৈদেশিক মুদ্রাও খরচ হয়। তাই তারা আমদানি থেকে সরে আসতে চাচ্ছেন। চাহিদার সবটুকুই দেশে উৎপাদন করতে চান তারা। এখন দেশে উৎপাদিত পাটবীজের ৭০ শতাংশই উৎপাদন হচ্ছে রাজশাহী অঞ্চলে। আউশ এবং বোরো ধানের মাঝে এখানে পাটবীজ হয়ে যায়। এ সুযোগ কাজে লাগাতে হবে।’
তিনি বলেন, এবার ‘সিড উইথআউট বর্ডার’ চুক্তির আওতায় ভারত থেকে ২০০ মেট্রিক টন উন্নতমানের পাটবীজ আনা হবে। এরমধ্যে ৮০ টন দেওয়া হবে রাজশাহী অঞ্চলে। পাশাপাশি বিজেআরআইয়ের ‘সবুজ সোনা’ নামের তোষা পাটবীজও দেওয়া হবে। এগুলো ভাল করে চাষ করে উন্নতমানের বীজ উৎপাদন করতে হবে। উন্নত বীজ দেশেই উৎপাদন করতে হবে।
বিএডিসির ব্যবস্থাপক (পাটবীজ) মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন- বিএডিসির ব্যবস্থাপক (বীজ) আবীর হোসেন ও যুগ্ম পরিচালক (পাটবীজ) শহীদুল্লাহ শেখ। কর্মশালায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের বীজ প্রত্যয়ন কর্মকর্তা শামীম ইকবাল, বিএডিসির রাজশাহীর যুগ্ম পরিচালক (বীজ বিপণন) ফজলে রবসহ অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

দেশে প্রতি মৌসুমে উদপাদিত প্রায় এক হাজার ৩০০ মেট্রিক টন পাটবীজের প্রায় ৭০ শতাংশই রাজশাহী অঞ্চলে উৎপাদন হয়। আর রাজশাহীর আট জেলার মধ্যে শুধু চাঁপাইনবাবগঞ্জেই উৎপাদন হয় প্রায় ৬০০ মেট্রিক টন।
আজ শুক্রবার রাজশাহীতে ‘পাটবীজ উৎপাদন, সংগ্রহ ও সংরক্ষণ কলাকৌশল’ শীর্ষক এক কর্মশালায় বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) কর্মকর্তারা এসব তথ্য জানিয়েছেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জের চুক্তিবদ্ধ ৮০ জন পাটবীজ উৎপাদনকারী চাষিকে নিয়ে নগরীর একটি কমিউনিটি সেন্টারে দিনব্যাপী এই চাষী প্রশিক্ষণের আয়োজন করে বিএডিসির পাটবীজ উৎপাদন জোন। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএডিসির চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ সাজ্জাদ।
উদ্বোধনী পর্বে চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃষক মনিরুল ইসলাম, বেলাল হোসেন, আনারুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য দেন। তারা বলেন, চাষাবাদে খরচ অত্যন্ত বেশি। তাই কৃষকের খুব সমস্যা। চুক্তিবদ্ধ চাষীদের কাছ থেকে পাটবীজ কেনার সময় বিএডিসি প্রতিকেজির জন্য ১৯৫ টাকা দিচ্ছে। এ টাকায় তাদের পোষাচ্ছে না। তারা পাটবীজের দাম অন্তত ২৫০ টাকা করার দাবি জানান। পাশাপাশি কোনো কৃষকের ভাল ফলনের কারণে বাড়তি পাটবীজ উৎপাদন হলে সেটাও কিনে নেওয়ার অনুরোধ জানান তারা।
চাষিরা বলেন, এটা খাবার নয় যে তারা খেয়ে ফেলবেন। তাই কম দাম হলেও বেচতে হয়। বাড়তি বীজ বাড়িতেও পড়ে থাকে। এতে তারা সমস্যায় পড়েন।
কর্মশালায় বিএডিসি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ সাজ্জাদ বলেন, ‘দেশ টিকে আছে কৃষির ওপরে। করোনার ধাক্কা বোঝা যায়নি মজবুত কৃষির কারণে। ভাল বীজ হলে ফসল উৎপাদন এমনিতেই ১৫ শতাংশ বেড়ে যায়। তাই চাষীদের ভাল বীজ উৎপাদনে মনোযোগ দিতে হবে। ভাল বীজ হলেই ভাল ফসল পাওয়া যাবে। যে বছরের বীজ সে বছরেই ব্যবহার করতে হবে। পরের বছর পাটবীজ ছিটালে এর অঙ্কুরোদম ৫০ থেকে ৬০ শতাংশে নেমে যায়।’
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএডিসির সদস্য পরিচালক (বীজ ও উদ্যান) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘দেশে এখন ৬ হাজার মেট্রিক টন পাটবীজের চাহিদা। কিন্তু তারা চাষিদের দিতে পারেন বড়জোর এক হাজার ৩০০ মেট্রিক টন। বাকিটা আমদানি করতে হয়। এতে বৈদেশিক মুদ্রাও খরচ হয়। তাই তারা আমদানি থেকে সরে আসতে চাচ্ছেন। চাহিদার সবটুকুই দেশে উৎপাদন করতে চান তারা। এখন দেশে উৎপাদিত পাটবীজের ৭০ শতাংশই উৎপাদন হচ্ছে রাজশাহী অঞ্চলে। আউশ এবং বোরো ধানের মাঝে এখানে পাটবীজ হয়ে যায়। এ সুযোগ কাজে লাগাতে হবে।’
তিনি বলেন, এবার ‘সিড উইথআউট বর্ডার’ চুক্তির আওতায় ভারত থেকে ২০০ মেট্রিক টন উন্নতমানের পাটবীজ আনা হবে। এরমধ্যে ৮০ টন দেওয়া হবে রাজশাহী অঞ্চলে। পাশাপাশি বিজেআরআইয়ের ‘সবুজ সোনা’ নামের তোষা পাটবীজও দেওয়া হবে। এগুলো ভাল করে চাষ করে উন্নতমানের বীজ উৎপাদন করতে হবে। উন্নত বীজ দেশেই উৎপাদন করতে হবে।
বিএডিসির ব্যবস্থাপক (পাটবীজ) মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন- বিএডিসির ব্যবস্থাপক (বীজ) আবীর হোসেন ও যুগ্ম পরিচালক (পাটবীজ) শহীদুল্লাহ শেখ। কর্মশালায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের বীজ প্রত্যয়ন কর্মকর্তা শামীম ইকবাল, বিএডিসির রাজশাহীর যুগ্ম পরিচালক (বীজ বিপণন) ফজলে রবসহ অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আহতদের মধ্যে হরিপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি ও ইউপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বাবলুর রহমান (৪৮), ইউনিয়ন কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান (৪০), ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুল মজিদ (৫৭) এবং ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি রাহাত হোসেনের (২৫) নাম জানা গেছে।
৮ ঘণ্টা আগে
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত অর্থ উপার্জনের আশায় অনেক নারীও মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েছেন। বর্তমানে মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের অবস্থা ‘বজ্র আঁটুনি ফসকা গেরো’র মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে। আগের মতো রাতভর পুলিশি টহল বা মাদক পাচারের রুটে নিয়মিত চেকপোস্টও দেখা যায় না। ফলে জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদকের বিস্তার ঘটেছে।
১১ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে মা ও দুই মেয়েকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় গুরুতর আহত মেজো মেয়ে নাফিজা আক্তার ইকরা (১৭) চিকিৎসার জন্য ঢাকা নেওয়ার পথে মারা গেছে। এ নিয়ে একই পরিবারের মা ও তিন মেয়ের সবাই মারা গেল। পরিবারে এখন বেঁচে আছে শুধু একমাত্র ছেলে।
১ দিন আগে
নওগাঁর সাপাহার সীমান্তের শূন্যরেখায় থাকা ৯ জনকে ফিরিয়ে নিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ধারণা করছে, পুশইনে ব্যর্থ হয়ে গতকাল বুধবার রাতের কোনো এক সময়ে তাদের ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
১ দিন আগে