
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

দেশের ছয় জেলায় বজ্রপাতের ঘটনায় অন্তত ১২ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এর মধ্যে শুধু চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাতেই মারা গেছেন ছয়জন। এ ছাড়া ময়মনসিংহে মারা গেছেন দুজন। একজন করে মারা গেছেন নাটোর, নীলফামারী, পঞ্চগড় ও বগুড়ায়।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে এসব ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ছয়জন মারা গেছেন সদর, শিবগঞ্জ ও নাচোল উপজেলায় পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায়। রাজনীতি ডটকমের জেলা প্রতিনিধিদের পাঠানো প্রতিবেদন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে বাড়ির পাশের আমবাগানে আম কুড়াতে গিয়ে বজ্রপাতের শিকার হয়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। তারা হলেন— শিবগঞ্জ উপজেলার চককীর্তি ইউনিয়নের চকনরেন্দ্র গ্রামের আব্দুর রবের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার, রানীবাড়ী চাঁদপুর এলাকার আবুল কাশেমের মেয়ে সাদিয়া খাতুন ও মোবারকপুর ইউনিয়নের শিকারপুর দক্ষিণপাড়ার ফিটু আলীর ছেলে মেসবাউল।
শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতিউর রহমান জানান, শিবগঞ্জে নিহত তিনজন বাড়ির পাশের আমবাগানে আম কুড়াতে গিয়ে বজ্রপাতের শিকার হন। ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়।
একই দিন নাচোল উপজেলার লাহাবাড়ি এলাকায় মাঠে ঘাস কাটার পর বৃষ্টির মধ্যে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে মারা যান সুমিয়ারা বেগম। নাচোল থানার ওসি সুকোমল চন্দ্র দেবনাথ জানান, একই সময়ে উপজেলার নিজামপুর এলাকায় আম কুড়াতে গিয়ে হাসান আলী নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়।
অন্যদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি একরামুল হোসাইন জানান, সদর উপজেলার আতাহার এলাকায় বৃষ্টির মধ্যে মাঠ থেকে গরু আনতে গেলে বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন মো. রাব্বিলের ছেলে আব্দুল্লাহ। স্থানীয়রা জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ময়মনসিংহে পৃথক বজ্রপাতে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে মুক্তাগাছা উপজেলার রঘুনাথপুর রৌয়ারচর এলাকায় বজ্রপাতে নিহত হয়েছেন কলেজশিক্ষক এ এস এম খালেকুল আজাদ (৫৬)। তিনি গাবতলী ডিগ্রি কলেজের গণিত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ছিলেন।
মুক্তাগাছা থানার ওসি মো. কামরুল হাসান জানান, দুপুরে বৃষ্টির সময় একটি আমগাছের নিচে আশ্রয় নেওয়ার পর বজ্রাঘাতে গুরুতর আহত হন খালেকুল আজাদ। হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে গফরগাঁও উপজেলার লামকাইন গ্রামে খেতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে সিয়াম (১৮) নামের এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে। পাগলা থানার ওসি মো. আমিনুল ইসলাম জানান, স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সিংড়া উপজেলার লালোর ইউনিয়নের বড় বারইহাটি গ্রামে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে বজ্রপাতে মধু আলী (২৫) নামের এক তরুণ নিহত হয়েছেন। তিনি ওই গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে।
সিংড়া থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, সন্ধ্যার কিছু আগে ঝড়-বৃষ্টি শুরু হলে মধু গরু আনতে বাড়ির পাশে খোলা মাঠে যান। এ সময় হঠাৎ বজ্রপাত হলে তিনি গুরুতর আহত হন। আশপাশে থাকা লোকজন দ্রুত উদ্ধার করে সিংড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মধুকে মৃত ঘোষণা করেন।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জেলার ডিমলা উপজেলার নাউতারা ইউনিয়নের নিজপাড়া এলাকায় বজ্রপাতে আলম ইসলাম (৪০) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন সেলিনা বেগম (৩০) নামের এক গৃহবধূ। স্থানীয়রা ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে।
ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রাশেদুজ্জামান জানান, বজ্রপাতে নিহত ব্যক্তির মরদেহ হাসপাতালে রয়েছে। আহত গৃহবধূ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
পঞ্চগড় সদর উপজেলার অমরখানা ইউনিয়নের বানিয়াপাড়া এলাকায় বৃহস্পতিবার বিকেলে বজ্রপাতে শাহাদাত হোসেন (১৯) নামের এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে। নিহত শাহাদাত ওই এলাকার কেরামত আলীর ছেলে।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, শাহাদাত ট্রাক্টরের সহকারী হিসেবে কাজ করতেন। বিকেলে তিনি ট্রাক্টরের চালকের সঙ্গে জমি থেকে ভুট্টা পরিবহন করছিলেন। এ সময় ট্রাক্টরের চাকা নরম মাটিতে দেবে যায়। বাড়ি কাছাকাছি হওয়ায় ট্রাক্টর তোলার কাজে ব্যবহারের জন্য একটি বেলচা আনতে বাড়িতে যান তিনি। ফেরার পথে হঠাৎ বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন শাহাদাত। স্থানীয়রা উদ্ধার করে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
জেলার আদমদীঘি উপজেলায় বজ্রপাতে রাব্বী হোসেন (১৫) নামের এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় তার মা মনিকা বেগম আহত হন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার তেঁতুলিয়া গ্রামের একটি মরিচখেতে কাজ করার সময় বজ্রপাতের শিকার হন তারা। আদমদীঘি থানার ওসি কামরুজ্জামান মিয়া জানান, আহত মনিকা বেগমকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

দেশের ছয় জেলায় বজ্রপাতের ঘটনায় অন্তত ১২ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এর মধ্যে শুধু চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাতেই মারা গেছেন ছয়জন। এ ছাড়া ময়মনসিংহে মারা গেছেন দুজন। একজন করে মারা গেছেন নাটোর, নীলফামারী, পঞ্চগড় ও বগুড়ায়।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে এসব ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ছয়জন মারা গেছেন সদর, শিবগঞ্জ ও নাচোল উপজেলায় পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায়। রাজনীতি ডটকমের জেলা প্রতিনিধিদের পাঠানো প্রতিবেদন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে বাড়ির পাশের আমবাগানে আম কুড়াতে গিয়ে বজ্রপাতের শিকার হয়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। তারা হলেন— শিবগঞ্জ উপজেলার চককীর্তি ইউনিয়নের চকনরেন্দ্র গ্রামের আব্দুর রবের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার, রানীবাড়ী চাঁদপুর এলাকার আবুল কাশেমের মেয়ে সাদিয়া খাতুন ও মোবারকপুর ইউনিয়নের শিকারপুর দক্ষিণপাড়ার ফিটু আলীর ছেলে মেসবাউল।
শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতিউর রহমান জানান, শিবগঞ্জে নিহত তিনজন বাড়ির পাশের আমবাগানে আম কুড়াতে গিয়ে বজ্রপাতের শিকার হন। ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়।
একই দিন নাচোল উপজেলার লাহাবাড়ি এলাকায় মাঠে ঘাস কাটার পর বৃষ্টির মধ্যে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে মারা যান সুমিয়ারা বেগম। নাচোল থানার ওসি সুকোমল চন্দ্র দেবনাথ জানান, একই সময়ে উপজেলার নিজামপুর এলাকায় আম কুড়াতে গিয়ে হাসান আলী নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়।
অন্যদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি একরামুল হোসাইন জানান, সদর উপজেলার আতাহার এলাকায় বৃষ্টির মধ্যে মাঠ থেকে গরু আনতে গেলে বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন মো. রাব্বিলের ছেলে আব্দুল্লাহ। স্থানীয়রা জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ময়মনসিংহে পৃথক বজ্রপাতে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে মুক্তাগাছা উপজেলার রঘুনাথপুর রৌয়ারচর এলাকায় বজ্রপাতে নিহত হয়েছেন কলেজশিক্ষক এ এস এম খালেকুল আজাদ (৫৬)। তিনি গাবতলী ডিগ্রি কলেজের গণিত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ছিলেন।
মুক্তাগাছা থানার ওসি মো. কামরুল হাসান জানান, দুপুরে বৃষ্টির সময় একটি আমগাছের নিচে আশ্রয় নেওয়ার পর বজ্রাঘাতে গুরুতর আহত হন খালেকুল আজাদ। হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে গফরগাঁও উপজেলার লামকাইন গ্রামে খেতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে সিয়াম (১৮) নামের এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে। পাগলা থানার ওসি মো. আমিনুল ইসলাম জানান, স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সিংড়া উপজেলার লালোর ইউনিয়নের বড় বারইহাটি গ্রামে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে বজ্রপাতে মধু আলী (২৫) নামের এক তরুণ নিহত হয়েছেন। তিনি ওই গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে।
সিংড়া থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, সন্ধ্যার কিছু আগে ঝড়-বৃষ্টি শুরু হলে মধু গরু আনতে বাড়ির পাশে খোলা মাঠে যান। এ সময় হঠাৎ বজ্রপাত হলে তিনি গুরুতর আহত হন। আশপাশে থাকা লোকজন দ্রুত উদ্ধার করে সিংড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মধুকে মৃত ঘোষণা করেন।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জেলার ডিমলা উপজেলার নাউতারা ইউনিয়নের নিজপাড়া এলাকায় বজ্রপাতে আলম ইসলাম (৪০) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন সেলিনা বেগম (৩০) নামের এক গৃহবধূ। স্থানীয়রা ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে।
ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রাশেদুজ্জামান জানান, বজ্রপাতে নিহত ব্যক্তির মরদেহ হাসপাতালে রয়েছে। আহত গৃহবধূ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
পঞ্চগড় সদর উপজেলার অমরখানা ইউনিয়নের বানিয়াপাড়া এলাকায় বৃহস্পতিবার বিকেলে বজ্রপাতে শাহাদাত হোসেন (১৯) নামের এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে। নিহত শাহাদাত ওই এলাকার কেরামত আলীর ছেলে।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, শাহাদাত ট্রাক্টরের সহকারী হিসেবে কাজ করতেন। বিকেলে তিনি ট্রাক্টরের চালকের সঙ্গে জমি থেকে ভুট্টা পরিবহন করছিলেন। এ সময় ট্রাক্টরের চাকা নরম মাটিতে দেবে যায়। বাড়ি কাছাকাছি হওয়ায় ট্রাক্টর তোলার কাজে ব্যবহারের জন্য একটি বেলচা আনতে বাড়িতে যান তিনি। ফেরার পথে হঠাৎ বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন শাহাদাত। স্থানীয়রা উদ্ধার করে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
জেলার আদমদীঘি উপজেলায় বজ্রপাতে রাব্বী হোসেন (১৫) নামের এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় তার মা মনিকা বেগম আহত হন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার তেঁতুলিয়া গ্রামের একটি মরিচখেতে কাজ করার সময় বজ্রপাতের শিকার হন তারা। আদমদীঘি থানার ওসি কামরুজ্জামান মিয়া জানান, আহত মনিকা বেগমকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের শত শত একর সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কিছুটা কমাতে স্থানীয় কৃষকদের কোমর সমান পানিতে নেমে অপরিপক্ব ফসল কেটে ঘরে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
১ দিন আগে
রাতের আঁধারে প্রবল স্রোতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে মুহূর্তের মধ্যে ইসলামপুর, মাধবপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে মোখাবিল, গোলের হাওর, ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, কোনাগাঁও, বেরীগাঁও, শ্রীপুর, পাতারিগাঁও, কালারায়বিল, আধকানী, ছনগাঁও, বন্দেরগাঁও, তেইতইগাঁও, ভানুবিল ও ঘোর
১ দিন আগে
ভুক্তভোগী সদরঞ্জন দাস জানান, তিনি সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার যাত্রাপুর গ্রাম থেকে অন্য এক ব্যক্তিসহ নৌকায় করে হাঁসের বাচ্চা কিনতে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার দামিহা এলাকায় যাচ্ছিলেন। পথে বর্শিকুড়া-শেরপুর সেতু সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মাথায় হেলমেট পরিহিত সাতজনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্রের মুখে তাদের
১ দিন আগে
টানা কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিতে বান্দরবানের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সাঙ্গু নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় শহরের একাধিক এলাকায় পানি ঢুকে পড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলার সাত উপজেলায় ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।
২ দিন আগে