
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার দাওকান্দি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে অধ্যক্ষের কক্ষে হাতাহাতির ঘটনায় আলেয়া খাতুন হীরা নামে এক শিক্ষিকাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীদের মারধরের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নিয়েছে রাজশাহী আঞ্চলিক মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।
আজ রোববার দুপুরে কলেজ পরিদর্শন ও শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে আঞ্চলিক পরিচালক প্রফেসর মোহা. আছাদুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, কলেজটি জাতীয়করণ হলেও প্রদর্শক আলেয়া খাতুন হীরা এখনো এমপিওভুক্ত অবস্থায় রয়েছেন। চলমান তদন্তের স্বার্থে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি ঘটনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবার কাছ থেকে লিখিত বক্তব্য চাওয়া হয়েছে।
এদিকে একই দিন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কলেজ প্রাঙ্গণে অধ্যক্ষ ড. আব্দুর রাজ্জাক ও আলেয়া খাতুন হীরার বিরুদ্ধে ‘অপশাসন’-এর অভিযোগ তুলে মানববন্ধন করেন শিক্ষক-কর্মচারীরা। মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা দাবি করেন, গত বৃহস্পতিবার তাফসিরুল কমিটির সদস্যরা কলেজের মাঠ ব্যবহারের অনুমতি ও আর্থিক সহায়তার বিষয়ে আলোচনা করতে এলে আলেয়া খাতুন হীরা তাদের ‘চাঁদাবাজ’ আখ্যা দিয়ে মোবাইলে ভিডিও ধারণ শুরু করেন। পরে ভিডিও ধারণে আপত্তি জানালে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়ে শারীরিক লাঞ্ছনার ঘটনা ঘটে। মানববন্ধন থেকে অধ্যক্ষ ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষিকার পদত্যাগ দাবি করা হয়।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার শিক্ষিকা আলেয়া খাতুন হীরা ও এক বিএনপি নেতার মধ্যে হাতাহাতির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি আলোচনায় আসে। ভিডিওটি নজরে আসার পরই তদন্ত শুরু করে মাউশি।

রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার দাওকান্দি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে অধ্যক্ষের কক্ষে হাতাহাতির ঘটনায় আলেয়া খাতুন হীরা নামে এক শিক্ষিকাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীদের মারধরের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নিয়েছে রাজশাহী আঞ্চলিক মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।
আজ রোববার দুপুরে কলেজ পরিদর্শন ও শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে আঞ্চলিক পরিচালক প্রফেসর মোহা. আছাদুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, কলেজটি জাতীয়করণ হলেও প্রদর্শক আলেয়া খাতুন হীরা এখনো এমপিওভুক্ত অবস্থায় রয়েছেন। চলমান তদন্তের স্বার্থে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি ঘটনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবার কাছ থেকে লিখিত বক্তব্য চাওয়া হয়েছে।
এদিকে একই দিন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কলেজ প্রাঙ্গণে অধ্যক্ষ ড. আব্দুর রাজ্জাক ও আলেয়া খাতুন হীরার বিরুদ্ধে ‘অপশাসন’-এর অভিযোগ তুলে মানববন্ধন করেন শিক্ষক-কর্মচারীরা। মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা দাবি করেন, গত বৃহস্পতিবার তাফসিরুল কমিটির সদস্যরা কলেজের মাঠ ব্যবহারের অনুমতি ও আর্থিক সহায়তার বিষয়ে আলোচনা করতে এলে আলেয়া খাতুন হীরা তাদের ‘চাঁদাবাজ’ আখ্যা দিয়ে মোবাইলে ভিডিও ধারণ শুরু করেন। পরে ভিডিও ধারণে আপত্তি জানালে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়ে শারীরিক লাঞ্ছনার ঘটনা ঘটে। মানববন্ধন থেকে অধ্যক্ষ ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষিকার পদত্যাগ দাবি করা হয়।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার শিক্ষিকা আলেয়া খাতুন হীরা ও এক বিএনপি নেতার মধ্যে হাতাহাতির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি আলোচনায় আসে। ভিডিওটি নজরে আসার পরই তদন্ত শুরু করে মাউশি।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কেন আমাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে? আমরা হবিগঞ্জে যেতে চাই। সেখানে গিয়ে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব।’
১ দিন আগে
জব্দ করা দুটি ট্রলার রাজীবপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াদুদ জামান মানিক ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন এবং উচাখিলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাদীউল বাশার সুমনের জিম্মায় দিয়েছিল প্রশাসন। ট্রলারে ছিলেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার এএসআই জীবন চন্দ্র বৈশ্য, কনস্টেবল বিমল চন্দ্র পাল এবং গ্রাম পুলিশ উজ্জ্বল ও
১ দিন আগে
একপর্যায়ে হাসনাত বলেন, তিনি নিজেসহ আরও দুই সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম ও মাহমুদা মিতু (সংরক্ষিত আসনে) এবং এনসিপির দুজন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য কেবল মামলা করতে যাবেন। প্রয়োজনে তারা গাড়ির চালককেও নেবেন না। পুলিশ চালক দিলে তাকে নিয়েই যাবেন তারা। তবে পুলিশ সে প্রস্তাবও মানেনি। পরে এনসিপি নেতারা ব্যারিক
১ দিন আগে
বুধবার (২২ জুলাই) পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদী হিসেবে মামলাটি দায়ের করেন ওই বিধবা। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার রেকর্ড করে আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
১ দিন আগে