
নওগাঁ প্রতিনিধি

নওগাঁর সাপাহার সীমান্ত দিয়ে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১৭ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়েছে। সীমান্তে বিজিবির কঠোর অবস্থানের মুখে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) তাদের ফের ভারতের অভ্যন্তরে নিয়ে যায়।
শনিবার (৬ জুন) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নওগাঁ-১৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম। ১৭ জনের মধ্যে ছয়জন পুরুষ, ছয়জন নারী এবং পাঁচজন শিশু রয়েছে।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সাপাহার উপজেলার হাঁপানিয়া সীমান্তের ২৩৮/এমপি পিলার এলাকা দিয়ে ১৭ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করে বিএসএফ। খবর পেয়ে বিজিবি সদস্যরা সীমান্তে অবস্থান নিয়ে সতর্কতা জোরদার করে। ফলে দিনভর ওই ব্যক্তিরা শূন্যরেখা ও ভারতীয় সীমান্ত এলাকায় অবস্থান করলেও বাংলাদেশে ঢুকতে পারেননি।
বিজিবি জানায়, বিএসএফ ওই ব্যক্তিদের বাংলাদেশি নাগরিক বলে দাবি করলেও পতাকা বৈঠকে তাদের পরিচয় সংক্রান্ত কোনো গ্রহণযোগ্য নথি উপস্থাপন করতে পারেনি। এ কারণে তাদের গ্রহণে অস্বীকৃতি জানায় বিজিবি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১৯ ঘণ্টা সীমান্ত এলাকায় অবস্থানের পর শুক্রবার দিবাগত রাত ১টার দিকে বিএসএফ সদস্যরা তাদের ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নিয়ে যায়।
সীমান্তসংলগ্ন কলমুডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা মাহবুব আলম জানান, দিনভর বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে অবস্থান করে নজরদারি চালান। রাতেও সীমান্তে বিজিবির উপস্থিতি ছিল। পরে বিএসএফ সদস্যরা ওই ব্যক্তিদের নিজেদের দিকে নিয়ে যায়। তিনি দাবি করেন, ফেরত নেওয়ার সময় কয়েকজন কান্নাকাটি করছিলেন এবং স্থানীয়রা এগিয়ে গেলে বিএসএফ সদস্যরা বাধা দেয়।
বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম বলেন, খবর পাওয়ার পর সীমান্ত এলাকায় টহল ও নজরদারি বাড়ানো হয়। মানবিক কারণে শুরুতে তাদের শূন্যরেখায় অবস্থানের সুযোগ দেওয়া হলেও পরে নোম্যান্স ল্যান্ডে সরিয়ে দেওয়া হয়। রাতের দিকে বিএসএফ সীমান্তের আলোকসজ্জা বন্ধ করে দেয়। এরপর তারা পুশ ইনের প্রচেষ্টা থেকে সরে এসে ওই ব্যক্তিদের ফিরিয়ে নিয়ে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় বিজিবির টহল ও নজরদারি জোরদার রাখা হয়েছে।
রাজনীতি/আরআইআর

নওগাঁর সাপাহার সীমান্ত দিয়ে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১৭ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়েছে। সীমান্তে বিজিবির কঠোর অবস্থানের মুখে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) তাদের ফের ভারতের অভ্যন্তরে নিয়ে যায়।
শনিবার (৬ জুন) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নওগাঁ-১৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম। ১৭ জনের মধ্যে ছয়জন পুরুষ, ছয়জন নারী এবং পাঁচজন শিশু রয়েছে।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সাপাহার উপজেলার হাঁপানিয়া সীমান্তের ২৩৮/এমপি পিলার এলাকা দিয়ে ১৭ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করে বিএসএফ। খবর পেয়ে বিজিবি সদস্যরা সীমান্তে অবস্থান নিয়ে সতর্কতা জোরদার করে। ফলে দিনভর ওই ব্যক্তিরা শূন্যরেখা ও ভারতীয় সীমান্ত এলাকায় অবস্থান করলেও বাংলাদেশে ঢুকতে পারেননি।
বিজিবি জানায়, বিএসএফ ওই ব্যক্তিদের বাংলাদেশি নাগরিক বলে দাবি করলেও পতাকা বৈঠকে তাদের পরিচয় সংক্রান্ত কোনো গ্রহণযোগ্য নথি উপস্থাপন করতে পারেনি। এ কারণে তাদের গ্রহণে অস্বীকৃতি জানায় বিজিবি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১৯ ঘণ্টা সীমান্ত এলাকায় অবস্থানের পর শুক্রবার দিবাগত রাত ১টার দিকে বিএসএফ সদস্যরা তাদের ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নিয়ে যায়।
সীমান্তসংলগ্ন কলমুডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা মাহবুব আলম জানান, দিনভর বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে অবস্থান করে নজরদারি চালান। রাতেও সীমান্তে বিজিবির উপস্থিতি ছিল। পরে বিএসএফ সদস্যরা ওই ব্যক্তিদের নিজেদের দিকে নিয়ে যায়। তিনি দাবি করেন, ফেরত নেওয়ার সময় কয়েকজন কান্নাকাটি করছিলেন এবং স্থানীয়রা এগিয়ে গেলে বিএসএফ সদস্যরা বাধা দেয়।
বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম বলেন, খবর পাওয়ার পর সীমান্ত এলাকায় টহল ও নজরদারি বাড়ানো হয়। মানবিক কারণে শুরুতে তাদের শূন্যরেখায় অবস্থানের সুযোগ দেওয়া হলেও পরে নোম্যান্স ল্যান্ডে সরিয়ে দেওয়া হয়। রাতের দিকে বিএসএফ সীমান্তের আলোকসজ্জা বন্ধ করে দেয়। এরপর তারা পুশ ইনের প্রচেষ্টা থেকে সরে এসে ওই ব্যক্তিদের ফিরিয়ে নিয়ে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় বিজিবির টহল ও নজরদারি জোরদার রাখা হয়েছে।
রাজনীতি/আরআইআর

টানা কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিতে বান্দরবানের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সাঙ্গু নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় শহরের একাধিক এলাকায় পানি ঢুকে পড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলার সাত উপজেলায় ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।
২ দিন আগে
টানা বর্ষণের মধ্যে কক্সবাজারে উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে আটজনে দাঁড়িয়েছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত উদ্ধার কাজ চলছে। হতাহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
২ দিন আগে
নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার আলোচিত ধর্ষণ মামলায় ১৩ বছর পর রায় দিয়েছেন আদালত। মামলার একমাত্র আসামি মো. হেলালকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, এক লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
২ দিন আগে
ভারী বৃষ্টির মধ্যে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পের একটি মাদরাসার ওপর পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। সেখানে মাটিচাপা পড়ে মারা যাওয়া তিন শিশুর (ছাত্রী) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ বুধবার দুপুর ২টার দিকে উখিয়ার ৫ নম্বর ক্যাম্পের এ/৩ সাব-ব্লকে অবস্থিত একটি মহিলা হেফজখানায় (মাদরাসা) পাহাড়ধসের ঘটনাটি ঘটে।
২ দিন আগে