
রাজশাহী ব্যুরো

হামের উপসর্গ নিয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় (শনিবার সকাল ৯টা থেকে রোববার সকাল ৯টা পর্যন্ত) তাদের মৃত্যু হয়। এদিকে, হাসপাতালে বর্তমানে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি রয়েছে ১২৫ জন শিশু।
আজ রোববার দুপুরে রামেকের মিডিয়া মুখপাত্র ও হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডা. শঙ্কর কে বিশ্বাস গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময় নতুন করে ২৪ জন শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। অন্যদিকে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৩৬ জন। নতুন ও পুরোনো রোগী মিলিয়ে বর্তমানে রামেক হাসপাতালে হাম সাসপেক্টেড শিশু রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২৫ জনে। আগের দিনের তুলনায় রোববার রোগী ভর্তির চাপ বেড়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
পরিস্থিতি মোকাবেলায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, রোগীর চাপ আরও বাড়লে একটি পূর্ণাঙ্গ শিশু ওয়ার্ডকে হাম আইসোলেশন ইউনিটে রূপান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া স্বাস্থ্য সচিবের নির্দেশনায় রাজশাহীর ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হাম আক্রান্ত শিশুদের স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। রামেক হাসপাতালের শিশু আইসিইউতে পূর্বের ১২টি বেডের সঙ্গে নতুন করে ৬টি বেড যুক্ত করা হয়েছে। বর্তমানে আইসিইউ বেডের সংখ্যা ১৮টি; এর মধ্যে ১২টি হাম আক্রান্ত শিশুদের জন্য এবং বাকি ৬টি অন্যান্য রোগে আক্রান্ত শিশুদের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে।
আইসিইউর চাপ কমাতে সাময়িকভাবে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে আরও ১০টি বেড ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও জানান ডা. শঙ্কর কে বিশ্বাস।

হামের উপসর্গ নিয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় (শনিবার সকাল ৯টা থেকে রোববার সকাল ৯টা পর্যন্ত) তাদের মৃত্যু হয়। এদিকে, হাসপাতালে বর্তমানে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি রয়েছে ১২৫ জন শিশু।
আজ রোববার দুপুরে রামেকের মিডিয়া মুখপাত্র ও হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডা. শঙ্কর কে বিশ্বাস গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময় নতুন করে ২৪ জন শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। অন্যদিকে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৩৬ জন। নতুন ও পুরোনো রোগী মিলিয়ে বর্তমানে রামেক হাসপাতালে হাম সাসপেক্টেড শিশু রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২৫ জনে। আগের দিনের তুলনায় রোববার রোগী ভর্তির চাপ বেড়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
পরিস্থিতি মোকাবেলায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, রোগীর চাপ আরও বাড়লে একটি পূর্ণাঙ্গ শিশু ওয়ার্ডকে হাম আইসোলেশন ইউনিটে রূপান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া স্বাস্থ্য সচিবের নির্দেশনায় রাজশাহীর ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হাম আক্রান্ত শিশুদের স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। রামেক হাসপাতালের শিশু আইসিইউতে পূর্বের ১২টি বেডের সঙ্গে নতুন করে ৬টি বেড যুক্ত করা হয়েছে। বর্তমানে আইসিইউ বেডের সংখ্যা ১৮টি; এর মধ্যে ১২টি হাম আক্রান্ত শিশুদের জন্য এবং বাকি ৬টি অন্যান্য রোগে আক্রান্ত শিশুদের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে।
আইসিইউর চাপ কমাতে সাময়িকভাবে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে আরও ১০টি বেড ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও জানান ডা. শঙ্কর কে বিশ্বাস।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কেন আমাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে? আমরা হবিগঞ্জে যেতে চাই। সেখানে গিয়ে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব।’
১ দিন আগে
জব্দ করা দুটি ট্রলার রাজীবপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াদুদ জামান মানিক ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন এবং উচাখিলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাদীউল বাশার সুমনের জিম্মায় দিয়েছিল প্রশাসন। ট্রলারে ছিলেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার এএসআই জীবন চন্দ্র বৈশ্য, কনস্টেবল বিমল চন্দ্র পাল এবং গ্রাম পুলিশ উজ্জ্বল ও
১ দিন আগে
একপর্যায়ে হাসনাত বলেন, তিনি নিজেসহ আরও দুই সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম ও মাহমুদা মিতু (সংরক্ষিত আসনে) এবং এনসিপির দুজন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য কেবল মামলা করতে যাবেন। প্রয়োজনে তারা গাড়ির চালককেও নেবেন না। পুলিশ চালক দিলে তাকে নিয়েই যাবেন তারা। তবে পুলিশ সে প্রস্তাবও মানেনি। পরে এনসিপি নেতারা ব্যারিক
১ দিন আগে
বুধবার (২২ জুলাই) পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদী হিসেবে মামলাটি দায়ের করেন ওই বিধবা। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার রেকর্ড করে আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
১ দিন আগে