
রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামের রৌমারীতে জমি নিয়ে দুপক্ষের বিরোধের জের ধরে এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে উভয় পক্ষের নারী-পুরুষসহ আহত হয়েছেন অন্তত ১৫ জন। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একজনকে আটক করে থানায় নিয়ে গেছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রৌমারী উপজেলার রৌমারী সদর ইউনিয়নের ভুন্দুর চর সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে নিহত তিনজন হলেন— ফুলবাবু (৪৫), বুলু মিয়া (৬০) ও নুরুল আমিন (৪৫)।
পুলিশ, স্থানীয় ও নিহতদের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার রৌমারী সদর ইউনিয়নের ভুন্দুর চর গ্রামের গোলাম শহীদের ছেলে শাহজামাল ও চাচা গোলাম রব্বানীর মধ্যে ১৫ বছর ধরে তিন একর জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এ নিয়ে উভয় পক্ষে কয়েক দফা মারামারি এবং আদালত ও থানায় পালটাপালটি এক ডজন মামলা রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা বলছেন, বৃহস্পতিবার সকালে বিরোধপূর্ণ ওই জমিতে শাহজামালের ছেলে কাচা ও আরিফ চাষাবাদ করছিলেন। এ সময় গোলাম রব্বানীর পক্ষের লোকজন আপেল, নুর মোহাম্মদ, আ. মজিদসহ ৩০-৪০ জন দেশীয় ধারালো অস্ত্র দা, কুড়াল ও টেঁটা নিয়ে সেখানে গিয়ে আবাদ করতে বাধা দেয়। দুপক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা একপর্যায়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়।
সংঘর্ষে গোলাম শহীদের ছেলে শাহজামালের পক্ষের ফুলবাবু, বুলু মিয়া ও নুরুল আমিন সেখানেই মারা যান। আপেল, নুর মোহাম্মদ, আ. মজিদ, আরিফ, মজনু, আনোয়ার, ফজলুল করিম, ফজলে রহিম, রব্বানী, রহিমসহ অন্তত ১৫ জন আহত হন। রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ফজলুর রহমান শুভ জানিয়েছেন, শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় আপেল ও নুর মোহাম্মদকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।
রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. নবীউল ইসলাম বলেন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনার আগেই তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া দুজনকে ময়মনসিংহে পাঠানো হয়েছে।
খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সহকারী পুলিশ সুপার ও রৌমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ঘটনাস্থল ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন।
রৌমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফর রহমান বলেন, এ ঘটনায় নিয়মিত হত্যা মামলা হয়েছে। একজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত বাকিদের আটকের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। সেই সঙ্গে তিনজনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুড়িগ্রাম মর্গে পাঠানো হয়েছে।

কুড়িগ্রামের রৌমারীতে জমি নিয়ে দুপক্ষের বিরোধের জের ধরে এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে উভয় পক্ষের নারী-পুরুষসহ আহত হয়েছেন অন্তত ১৫ জন। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একজনকে আটক করে থানায় নিয়ে গেছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রৌমারী উপজেলার রৌমারী সদর ইউনিয়নের ভুন্দুর চর সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে নিহত তিনজন হলেন— ফুলবাবু (৪৫), বুলু মিয়া (৬০) ও নুরুল আমিন (৪৫)।
পুলিশ, স্থানীয় ও নিহতদের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার রৌমারী সদর ইউনিয়নের ভুন্দুর চর গ্রামের গোলাম শহীদের ছেলে শাহজামাল ও চাচা গোলাম রব্বানীর মধ্যে ১৫ বছর ধরে তিন একর জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এ নিয়ে উভয় পক্ষে কয়েক দফা মারামারি এবং আদালত ও থানায় পালটাপালটি এক ডজন মামলা রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা বলছেন, বৃহস্পতিবার সকালে বিরোধপূর্ণ ওই জমিতে শাহজামালের ছেলে কাচা ও আরিফ চাষাবাদ করছিলেন। এ সময় গোলাম রব্বানীর পক্ষের লোকজন আপেল, নুর মোহাম্মদ, আ. মজিদসহ ৩০-৪০ জন দেশীয় ধারালো অস্ত্র দা, কুড়াল ও টেঁটা নিয়ে সেখানে গিয়ে আবাদ করতে বাধা দেয়। দুপক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা একপর্যায়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়।
সংঘর্ষে গোলাম শহীদের ছেলে শাহজামালের পক্ষের ফুলবাবু, বুলু মিয়া ও নুরুল আমিন সেখানেই মারা যান। আপেল, নুর মোহাম্মদ, আ. মজিদ, আরিফ, মজনু, আনোয়ার, ফজলুল করিম, ফজলে রহিম, রব্বানী, রহিমসহ অন্তত ১৫ জন আহত হন। রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ফজলুর রহমান শুভ জানিয়েছেন, শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় আপেল ও নুর মোহাম্মদকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।
রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. নবীউল ইসলাম বলেন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনার আগেই তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া দুজনকে ময়মনসিংহে পাঠানো হয়েছে।
খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সহকারী পুলিশ সুপার ও রৌমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ঘটনাস্থল ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন।
রৌমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফর রহমান বলেন, এ ঘটনায় নিয়মিত হত্যা মামলা হয়েছে। একজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত বাকিদের আটকের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। সেই সঙ্গে তিনজনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুড়িগ্রাম মর্গে পাঠানো হয়েছে।

গত ৩ আগস্ট রাতে ৪২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা গ্রিসের উদ্দেশে লিবিয়ার তাবারুক উপকূল থেকে যাত্রা করে। জানা গেছে, নৌকায় থাকা ৪২ জনের মধ্যে ৩৮ জনই বাংলাদেশি।
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
৩ দিন আগে
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুরা সরকারি কলেজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন, উপজেলা যুবদল সদস্য রাসেল ভূইয়া, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা জিয়া মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন।
৩ দিন আগে
হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়ককে এআই নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এ জন্য মহাসড়কের ৪৯০টি পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে ১ হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা।
৪ দিন আগে