
লালমনিরহাট প্রতিনিধি

খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে এলাকার দরিদ্র ও হতদরিদ্র মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।
বুধবার দুপুরে লালমনিরহাটের কুলাঘাট ইউনিয়নের বড়ুয়া এলাকায় খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, এই খালের পানি ব্যবহার করে কৃষকরা সহজেই কৃষিকাজ পরিচালনা করতে পারবেন। খালটি পুনঃখননের মাধ্যমে পানি সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে, যাতে সারা বছর পানি ধরে রাখা যায়। এর ফলে এলাকায় মাছ চাষের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা স্থানীয় অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে।
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় খালের দুই পাশে গাছ লাগানোর ঘোষণা দিয়ে মন্ত্রী বলেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের একটি স্থায়ী ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। ৪০ দিন ও ১০০ দিনের কর্মসূচির আওতায় প্রয়োজন অনুযায়ী শ্রমিকদের তালিকা প্রণয়ন করা হবে।
তিনি আরও বলেন, ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে চলতি বছর ১ হাজার ৫০০ কিলোমিটার খাল খনন করা হবে এবং আগামী ৫ বছরে মোট ৭ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা রয়েছে। খাল খননের পর সেখানে বনায়ন করা হবে, যার সুফল ভোগ করবেন স্থানীয় হতদরিদ্ররা। তারা মাছ চাষ ও বনায়নের লাভের অংশীদার হবেন। খালের পানিতে কৃষিকাজ ও মাছ চাষ হবে এবং পাড়ে বনায়নের মাধ্যমে এলাকাকে দৃষ্টিনন্দন করা হবে।
ত্রাণমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনী ইশতেহারে ছিল— বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হবে। সেই ইশতেহার বাস্তবায়নে সরকার ৫ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নিজে কোদাল দিয়ে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন, যার মাধ্যমে সারাদেশে খাল খনন কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
দুলু আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিজেই এ খাল খনন কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলেন এবং তিনি সারাদেশে ঘুরে খাল খননের কাজ পরিচালনা করেন। এটি মূলত তারই উদ্যোগে শুরু হওয়া একটি প্রকল্প।
এ সময় লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক এইচ এম রকিব হায়দার, পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামানসহ বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে এলাকার দরিদ্র ও হতদরিদ্র মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।
বুধবার দুপুরে লালমনিরহাটের কুলাঘাট ইউনিয়নের বড়ুয়া এলাকায় খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, এই খালের পানি ব্যবহার করে কৃষকরা সহজেই কৃষিকাজ পরিচালনা করতে পারবেন। খালটি পুনঃখননের মাধ্যমে পানি সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে, যাতে সারা বছর পানি ধরে রাখা যায়। এর ফলে এলাকায় মাছ চাষের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা স্থানীয় অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে।
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় খালের দুই পাশে গাছ লাগানোর ঘোষণা দিয়ে মন্ত্রী বলেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের একটি স্থায়ী ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। ৪০ দিন ও ১০০ দিনের কর্মসূচির আওতায় প্রয়োজন অনুযায়ী শ্রমিকদের তালিকা প্রণয়ন করা হবে।
তিনি আরও বলেন, ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে চলতি বছর ১ হাজার ৫০০ কিলোমিটার খাল খনন করা হবে এবং আগামী ৫ বছরে মোট ৭ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা রয়েছে। খাল খননের পর সেখানে বনায়ন করা হবে, যার সুফল ভোগ করবেন স্থানীয় হতদরিদ্ররা। তারা মাছ চাষ ও বনায়নের লাভের অংশীদার হবেন। খালের পানিতে কৃষিকাজ ও মাছ চাষ হবে এবং পাড়ে বনায়নের মাধ্যমে এলাকাকে দৃষ্টিনন্দন করা হবে।
ত্রাণমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনী ইশতেহারে ছিল— বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হবে। সেই ইশতেহার বাস্তবায়নে সরকার ৫ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নিজে কোদাল দিয়ে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন, যার মাধ্যমে সারাদেশে খাল খনন কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
দুলু আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিজেই এ খাল খনন কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলেন এবং তিনি সারাদেশে ঘুরে খাল খননের কাজ পরিচালনা করেন। এটি মূলত তারই উদ্যোগে শুরু হওয়া একটি প্রকল্প।
এ সময় লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক এইচ এম রকিব হায়দার, পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামানসহ বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

গত ৩ আগস্ট রাতে ৪২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা গ্রিসের উদ্দেশে লিবিয়ার তাবারুক উপকূল থেকে যাত্রা করে। জানা গেছে, নৌকায় থাকা ৪২ জনের মধ্যে ৩৮ জনই বাংলাদেশি।
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
৩ দিন আগে
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুরা সরকারি কলেজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন, উপজেলা যুবদল সদস্য রাসেল ভূইয়া, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা জিয়া মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন।
৩ দিন আগে
হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়ককে এআই নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এ জন্য মহাসড়কের ৪৯০টি পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে ১ হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা।
৩ দিন আগে