
নীলফামারী প্রতিনিধি

জ্বালানি তেলের সুষ্ঠু সরবরাহ ও নিয়ন্ত্রিত বিতরণ নিশ্চিত করতে নীলফামারী জেলা প্রশাসন ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা চালুর ঘোষণা দিয়ে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিকেলে জেলা প্রশাসকের স্বাক্ষরিত গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মোটরসাইকেল, প্রাইভেট কার ও মাইক্রোবাসসহ ব্যক্তিগত মোটরযান মালিকদের ফিলিং স্টেশন থেকে পেট্রোল ও অকটেন সংগ্রহে ফুয়েল কার্ড বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
গণবিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ফুয়েল কার্ড সংগ্রহের জন্য নির্ধারিত আবেদনপত্র জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসনের ওয়েবসাইট অথবা অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজ থেকে ডাউনলোড করে যথাযথভাবে পূরণ করতে হবে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদন সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে জমা দিতে হবে। যাচাই-বাছাই শেষে তথ্য সঠিক পাওয়া গেলে আবেদনকারীদের ফুয়েল কার্ড প্রদান করা হবে।
আবেদনের সঙ্গে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন ও ট্যাক্স টোকেনের কপি, বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি জমা দিতে হবে। অন্য জেলার জাতীয় পরিচয়পত্রধারী হয়ে নীলফামারীতে কর্মরতদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধানের প্রত্যয়নপত্র বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামী ১৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ থেকে (সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত) আবেদন গ্রহণ শুরু হবে। এতে আরও উল্লেখ করা হয়, আগামী ২৩ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো ব্যক্তি ফিলিং স্টেশন থেকে পেট্রোল বা অকটেন ক্রয় করতে পারবেন না।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বলেন, জ্বালানি তেলের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা, অপচয় রোধ এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফেরাতেই এ ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সবাইকে আবেদন সম্পন্ন করার অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

জ্বালানি তেলের সুষ্ঠু সরবরাহ ও নিয়ন্ত্রিত বিতরণ নিশ্চিত করতে নীলফামারী জেলা প্রশাসন ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা চালুর ঘোষণা দিয়ে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিকেলে জেলা প্রশাসকের স্বাক্ষরিত গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মোটরসাইকেল, প্রাইভেট কার ও মাইক্রোবাসসহ ব্যক্তিগত মোটরযান মালিকদের ফিলিং স্টেশন থেকে পেট্রোল ও অকটেন সংগ্রহে ফুয়েল কার্ড বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
গণবিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ফুয়েল কার্ড সংগ্রহের জন্য নির্ধারিত আবেদনপত্র জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসনের ওয়েবসাইট অথবা অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজ থেকে ডাউনলোড করে যথাযথভাবে পূরণ করতে হবে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদন সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে জমা দিতে হবে। যাচাই-বাছাই শেষে তথ্য সঠিক পাওয়া গেলে আবেদনকারীদের ফুয়েল কার্ড প্রদান করা হবে।
আবেদনের সঙ্গে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন ও ট্যাক্স টোকেনের কপি, বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি জমা দিতে হবে। অন্য জেলার জাতীয় পরিচয়পত্রধারী হয়ে নীলফামারীতে কর্মরতদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধানের প্রত্যয়নপত্র বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামী ১৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ থেকে (সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত) আবেদন গ্রহণ শুরু হবে। এতে আরও উল্লেখ করা হয়, আগামী ২৩ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো ব্যক্তি ফিলিং স্টেশন থেকে পেট্রোল বা অকটেন ক্রয় করতে পারবেন না।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বলেন, জ্বালানি তেলের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা, অপচয় রোধ এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফেরাতেই এ ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সবাইকে আবেদন সম্পন্ন করার অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কেন আমাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে? আমরা হবিগঞ্জে যেতে চাই। সেখানে গিয়ে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব।’
১ দিন আগে
জব্দ করা দুটি ট্রলার রাজীবপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াদুদ জামান মানিক ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন এবং উচাখিলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাদীউল বাশার সুমনের জিম্মায় দিয়েছিল প্রশাসন। ট্রলারে ছিলেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার এএসআই জীবন চন্দ্র বৈশ্য, কনস্টেবল বিমল চন্দ্র পাল এবং গ্রাম পুলিশ উজ্জ্বল ও
১ দিন আগে
একপর্যায়ে হাসনাত বলেন, তিনি নিজেসহ আরও দুই সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম ও মাহমুদা মিতু (সংরক্ষিত আসনে) এবং এনসিপির দুজন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য কেবল মামলা করতে যাবেন। প্রয়োজনে তারা গাড়ির চালককেও নেবেন না। পুলিশ চালক দিলে তাকে নিয়েই যাবেন তারা। তবে পুলিশ সে প্রস্তাবও মানেনি। পরে এনসিপি নেতারা ব্যারিক
১ দিন আগে
বুধবার (২২ জুলাই) পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদী হিসেবে মামলাটি দায়ের করেন ওই বিধবা। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার রেকর্ড করে আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
১ দিন আগে