
লালমনিরহাট প্রতিনিধি

ভারতের দিল্লিতে বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি ও বিএসএফের মহাপরিচালক পর্যায়ের সম্মেলন শুরু হচ্ছে আজ। এর আগেই লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার দুর্গাপুর সীমান্তে নতুন করে ‘পুশইন’ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। সীমান্তে শতাধিক মানুষকে জড়ো করে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের। ঘটনাটি সীমান্ত এলাকায় নতুন উদ্বেগ ও নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও লালমনিরহাট-১৫ বিজিবির দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, গতকাল রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে দুর্গাপুর সীমান্তের বিপরীতে বিএসএফ শতাধিক মানুষকে জড়ো করার খবর পাওয়া যায়। পরে তাদের বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হলে বিজিবির সতর্ক অবস্থান এবং স্থানীয় জনসাধারণের উপস্থিতির কারণে সেই চেষ্টা সফল হয়নি।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি সীমান্ত এলাকায় টহল জোরদার করে এবং মাইকিংয়ের মাধ্যমে স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানায়। একই সঙ্গে কোনো ধরনের অনুপ্রবেশের চেষ্টা হলে তা প্রতিহত করার বার্তাও দেওয়া হয়।
সীমান্ত এলাকার বাসিন্দাদের দাবি, চলমান পরিস্থিতি নিয়ে দুই দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তাদের মতে, এ ধরনের ঘটনা শুধু নিরাপত্তা নয়, মানবিক ও কূটনৈতিক প্রশ্নও সামনে নিয়ে আসে।
দুর্গাপুর সীমান্তসংলগ্ন এলাকার স্কুলশিক্ষিকা আমেনা বেগম বলেন, দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সর্বোচ্চ পর্যায়ের বৈঠক সাধারণত পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধি এবং সীমান্ত ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের লক্ষ্যেই অনুষ্ঠিত হয়। এমন সময়ে ‘পুশইনে’র অভিযোগ ওঠা আলোচনার পরিবেশকে প্রভাবিত করতে পারে। তিনি জানান, সাম্প্রতিক উত্তেজনার প্রভাব স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও পড়েছে এবং শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমে গেছে।
সীমান্তবাসীদের ভাষ্য, সীমান্তে অনিশ্চয়তা দেখা দিলে দুই দেশের সাধারণ মানুষই সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হয়। রাতের বেলায় মাইকিং এবং অতিরিক্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ায় অনেক পরিবার আতঙ্কের মধ্যে সময় কাটিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা নিয়ে উচ্চপর্যায়ে শান্তি ও সহযোগিতার বার্তা দেওয়া হলেও মাঠপর্যায়ে ভিন্ন চিত্র দেখা গেলে পারস্পরিক আস্থার সংকট আরও গভীর হতে পারে। এতে সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তাহীনতা ও উদ্বেগ বাড়ার আশঙ্কা থাকে।
তাদের মতে, সীমান্তে হঠাৎ বিপুলসংখ্যক মানুষের প্রবেশের চেষ্টা স্থানীয় নিরাপত্তা, সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং সম্পদের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। ফলে বিষয়টি শুধু সীমান্ত নিরাপত্তার নয়, বৃহত্তর মানবিক ও কূটনৈতিক উদ্বেগেরও।
আজ সোমবার (৮ জুন) শুরু হয়ে আগামী ১১ জুন পর্যন্ত বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠকে সীমান্ত হত্যা, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধের পাশাপাশি ‘পুশইন’ ইস্যুও গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা হবে বলে জানা গেছে। বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তে একতরফা পদক্ষেপ এবং অনিয়মিত অনুপ্রবেশের বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়ে আসছে।
কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ১৯৭৪ সালের ইন্দিরা-মুজিব চুক্তি এবং ২০১৫ সালের ছিটমহল বিনিময় চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশের সীমান্ত-সংক্রান্ত অনেক জটিলতার সমাধান হয়েছে। তবে টেকসই সমাধানের জন্য সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় আরও স্বচ্ছতা, তথ্য বিনিময় বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সীমান্ত নীতিমালা অনুসরণ জরুরি। তাদের মতে, অন্যথায় সীমান্তে নতুন নতুন উত্তেজনা দুই দেশের সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
দুর্গাপুর সীমান্তে ‘পুশইন’ চেষ্টার অভিযোগ এমন এক সময়ে সামনে এলো, যখন দুই দেশের সীমান্ত ব্যবস্থাপনা নিয়ে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ফলে ঘটনাটি শুধু স্থানীয় নিরাপত্তা উদ্বেগের বিষয় নয়, বরং চলমান বিজিবি-বিএসএফ বৈঠকের কার্যকারিতা এবং ভবিষ্যৎ সীমান্ত সহযোগিতা নিয়েও নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে।
সীমান্তবাসীর প্রত্যাশা, আলোচনার টেবিল থেকে এমন কার্যকর সিদ্ধান্ত আসবে, যা সীমান্তে অনিশ্চয়তা ও আতঙ্ক কমিয়ে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখবে।

ভারতের দিল্লিতে বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি ও বিএসএফের মহাপরিচালক পর্যায়ের সম্মেলন শুরু হচ্ছে আজ। এর আগেই লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার দুর্গাপুর সীমান্তে নতুন করে ‘পুশইন’ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। সীমান্তে শতাধিক মানুষকে জড়ো করে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের। ঘটনাটি সীমান্ত এলাকায় নতুন উদ্বেগ ও নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও লালমনিরহাট-১৫ বিজিবির দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, গতকাল রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে দুর্গাপুর সীমান্তের বিপরীতে বিএসএফ শতাধিক মানুষকে জড়ো করার খবর পাওয়া যায়। পরে তাদের বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হলে বিজিবির সতর্ক অবস্থান এবং স্থানীয় জনসাধারণের উপস্থিতির কারণে সেই চেষ্টা সফল হয়নি।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি সীমান্ত এলাকায় টহল জোরদার করে এবং মাইকিংয়ের মাধ্যমে স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানায়। একই সঙ্গে কোনো ধরনের অনুপ্রবেশের চেষ্টা হলে তা প্রতিহত করার বার্তাও দেওয়া হয়।
সীমান্ত এলাকার বাসিন্দাদের দাবি, চলমান পরিস্থিতি নিয়ে দুই দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তাদের মতে, এ ধরনের ঘটনা শুধু নিরাপত্তা নয়, মানবিক ও কূটনৈতিক প্রশ্নও সামনে নিয়ে আসে।
দুর্গাপুর সীমান্তসংলগ্ন এলাকার স্কুলশিক্ষিকা আমেনা বেগম বলেন, দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সর্বোচ্চ পর্যায়ের বৈঠক সাধারণত পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধি এবং সীমান্ত ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের লক্ষ্যেই অনুষ্ঠিত হয়। এমন সময়ে ‘পুশইনে’র অভিযোগ ওঠা আলোচনার পরিবেশকে প্রভাবিত করতে পারে। তিনি জানান, সাম্প্রতিক উত্তেজনার প্রভাব স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও পড়েছে এবং শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমে গেছে।
সীমান্তবাসীদের ভাষ্য, সীমান্তে অনিশ্চয়তা দেখা দিলে দুই দেশের সাধারণ মানুষই সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হয়। রাতের বেলায় মাইকিং এবং অতিরিক্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ায় অনেক পরিবার আতঙ্কের মধ্যে সময় কাটিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা নিয়ে উচ্চপর্যায়ে শান্তি ও সহযোগিতার বার্তা দেওয়া হলেও মাঠপর্যায়ে ভিন্ন চিত্র দেখা গেলে পারস্পরিক আস্থার সংকট আরও গভীর হতে পারে। এতে সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তাহীনতা ও উদ্বেগ বাড়ার আশঙ্কা থাকে।
তাদের মতে, সীমান্তে হঠাৎ বিপুলসংখ্যক মানুষের প্রবেশের চেষ্টা স্থানীয় নিরাপত্তা, সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং সম্পদের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। ফলে বিষয়টি শুধু সীমান্ত নিরাপত্তার নয়, বৃহত্তর মানবিক ও কূটনৈতিক উদ্বেগেরও।
আজ সোমবার (৮ জুন) শুরু হয়ে আগামী ১১ জুন পর্যন্ত বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠকে সীমান্ত হত্যা, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধের পাশাপাশি ‘পুশইন’ ইস্যুও গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা হবে বলে জানা গেছে। বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তে একতরফা পদক্ষেপ এবং অনিয়মিত অনুপ্রবেশের বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়ে আসছে।
কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ১৯৭৪ সালের ইন্দিরা-মুজিব চুক্তি এবং ২০১৫ সালের ছিটমহল বিনিময় চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশের সীমান্ত-সংক্রান্ত অনেক জটিলতার সমাধান হয়েছে। তবে টেকসই সমাধানের জন্য সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় আরও স্বচ্ছতা, তথ্য বিনিময় বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সীমান্ত নীতিমালা অনুসরণ জরুরি। তাদের মতে, অন্যথায় সীমান্তে নতুন নতুন উত্তেজনা দুই দেশের সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
দুর্গাপুর সীমান্তে ‘পুশইন’ চেষ্টার অভিযোগ এমন এক সময়ে সামনে এলো, যখন দুই দেশের সীমান্ত ব্যবস্থাপনা নিয়ে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ফলে ঘটনাটি শুধু স্থানীয় নিরাপত্তা উদ্বেগের বিষয় নয়, বরং চলমান বিজিবি-বিএসএফ বৈঠকের কার্যকারিতা এবং ভবিষ্যৎ সীমান্ত সহযোগিতা নিয়েও নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে।
সীমান্তবাসীর প্রত্যাশা, আলোচনার টেবিল থেকে এমন কার্যকর সিদ্ধান্ত আসবে, যা সীমান্তে অনিশ্চয়তা ও আতঙ্ক কমিয়ে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখবে।

সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের শত শত একর সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কিছুটা কমাতে স্থানীয় কৃষকদের কোমর সমান পানিতে নেমে অপরিপক্ব ফসল কেটে ঘরে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
১ দিন আগে
রাতের আঁধারে প্রবল স্রোতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে মুহূর্তের মধ্যে ইসলামপুর, মাধবপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে মোখাবিল, গোলের হাওর, ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, কোনাগাঁও, বেরীগাঁও, শ্রীপুর, পাতারিগাঁও, কালারায়বিল, আধকানী, ছনগাঁও, বন্দেরগাঁও, তেইতইগাঁও, ভানুবিল ও ঘোর
১ দিন আগে
ভুক্তভোগী সদরঞ্জন দাস জানান, তিনি সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার যাত্রাপুর গ্রাম থেকে অন্য এক ব্যক্তিসহ নৌকায় করে হাঁসের বাচ্চা কিনতে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার দামিহা এলাকায় যাচ্ছিলেন। পথে বর্শিকুড়া-শেরপুর সেতু সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মাথায় হেলমেট পরিহিত সাতজনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্রের মুখে তাদের
১ দিন আগে
টানা কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিতে বান্দরবানের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সাঙ্গু নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় শহরের একাধিক এলাকায় পানি ঢুকে পড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলার সাত উপজেলায় ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।
২ দিন আগে