
গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে প্রেমঘটিত বিবাদের জেরে এক যুগল একসঙ্গে বিষপান করেছেন। এ ঘটনায় প্রেমিকা মিম আক্তার (১৯) মারা গেছেন। তার প্রেমিক পরশ প্রধান (২১) আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
রোববার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মিম আক্তারের মৃত্যু হয়। পরশ প্রধান বর্তমানে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নিহত মিম আক্তার উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের জয়েনপুর গ্রামের শফিউল ইসলামের মেয়ে এবং আহত পরশ প্রধান একই গ্রামের আব্দুল হামিদ প্রধানের ছেলে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মিম আক্তারের সঙ্গে প্রতিবেশী পরশ প্রধানের দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কয়েক মাস আগে মিমের বাবা তাকে অন্যত্র বিয়ে দেন। বিয়ের পরও তাদের মধ্যে যোগাযোগ অব্যাহত ছিল। সম্প্রতি মিম বাবার বাড়িতে বেড়াতে এলে তাদের সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে অভিমান তৈরি হয়।
এই অভিমানের জেরে গত শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সকালে মিম ও পরশ একসঙ্গে বিষপান করেন। বিষয়টি টের পেয়ে স্বজনরা তাদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মিমের মৃত্যু হয়। পরশকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলেও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম হাবিবুল ইসলাম জানান, হাসপাতালে মৃত্যুর খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে প্রেমঘটিত বিবাদের জেরে এক যুগল একসঙ্গে বিষপান করেছেন। এ ঘটনায় প্রেমিকা মিম আক্তার (১৯) মারা গেছেন। তার প্রেমিক পরশ প্রধান (২১) আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
রোববার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মিম আক্তারের মৃত্যু হয়। পরশ প্রধান বর্তমানে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নিহত মিম আক্তার উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের জয়েনপুর গ্রামের শফিউল ইসলামের মেয়ে এবং আহত পরশ প্রধান একই গ্রামের আব্দুল হামিদ প্রধানের ছেলে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মিম আক্তারের সঙ্গে প্রতিবেশী পরশ প্রধানের দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কয়েক মাস আগে মিমের বাবা তাকে অন্যত্র বিয়ে দেন। বিয়ের পরও তাদের মধ্যে যোগাযোগ অব্যাহত ছিল। সম্প্রতি মিম বাবার বাড়িতে বেড়াতে এলে তাদের সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে অভিমান তৈরি হয়।
এই অভিমানের জেরে গত শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সকালে মিম ও পরশ একসঙ্গে বিষপান করেন। বিষয়টি টের পেয়ে স্বজনরা তাদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মিমের মৃত্যু হয়। পরশকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলেও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম হাবিবুল ইসলাম জানান, হাসপাতালে মৃত্যুর খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কেন আমাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে? আমরা হবিগঞ্জে যেতে চাই। সেখানে গিয়ে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব।’
১ দিন আগে
জব্দ করা দুটি ট্রলার রাজীবপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াদুদ জামান মানিক ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন এবং উচাখিলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাদীউল বাশার সুমনের জিম্মায় দিয়েছিল প্রশাসন। ট্রলারে ছিলেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার এএসআই জীবন চন্দ্র বৈশ্য, কনস্টেবল বিমল চন্দ্র পাল এবং গ্রাম পুলিশ উজ্জ্বল ও
১ দিন আগে
একপর্যায়ে হাসনাত বলেন, তিনি নিজেসহ আরও দুই সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম ও মাহমুদা মিতু (সংরক্ষিত আসনে) এবং এনসিপির দুজন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য কেবল মামলা করতে যাবেন। প্রয়োজনে তারা গাড়ির চালককেও নেবেন না। পুলিশ চালক দিলে তাকে নিয়েই যাবেন তারা। তবে পুলিশ সে প্রস্তাবও মানেনি। পরে এনসিপি নেতারা ব্যারিক
১ দিন আগে
বুধবার (২২ জুলাই) পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদী হিসেবে মামলাটি দায়ের করেন ওই বিধবা। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার রেকর্ড করে আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
১ দিন আগে