
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় ফিলিং স্টেশন থেকে জ্বালানি তেল কিনে দ্বিগুণ দামে কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগে দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ২০০ লিটার পেট্রোল জব্দ করা হয়।
সোমবার (২০ এপ্রিল) গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে জাহিরুল ইসলাম (৩২) ও জহিরুল ইসলাম (৩০) নামের দুজনকে আটক করে বালিয়াডাঙ্গী থানা-পুলিশ। পরে আজ মঙ্গলবার দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে তাদের ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
আটক জাহিরুল ইসলাম উপজেলার আমজানখোর ইউনিয়নের স্কুলহাট গ্রামের আব্দুল কাদেরের ছেলে এবং জহিরুল ইসলাম হরিণমারী নয়াপাড়া গ্রামের সরিফ উদ্দীনের ছেলে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, নেকমরদ এলাকার একটি ফিলিং স্টেশন থেকে গভীর রাতে প্রতি লিটার ২০০ টাকা দরে পেট্রোল কিনে সীমান্তবর্তী এলাকায় ৪০০ টাকা দরে বিক্রি করত একটি চক্র। আটক দুইজন মূলত ফিলিং স্টেশন থেকে পেট্রোল পরিবহনের কাজ করতেন। পরে কালীবাড়ি গ্রামের আব্দুল খালেক নামের এক ব্যক্তি ওই পেট্রোল বেশি দামে বিক্রি করতেন।
অভিযানের পর থেকেই আব্দুল খালেক পলাতক রয়েছেন। পুলিশ তার বাড়িতে একাধিকবার অভিযান চালালেও তাকে আটক করতে পারেনি। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটিও বন্ধ পাওয়া গেছে।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আহসান উল হক জানান, আটক দুজন দোষ স্বীকার করায় তাদের ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জব্দ করা পেট্রোল পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সরকারি মূল্যে খোলাবাজারে বিক্রি করা হয়েছে।
তিনি অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুত ও বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে তথ্য দিয়ে প্রশাসনকে সহযোগিতা করার জন্য জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানান।

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় ফিলিং স্টেশন থেকে জ্বালানি তেল কিনে দ্বিগুণ দামে কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগে দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ২০০ লিটার পেট্রোল জব্দ করা হয়।
সোমবার (২০ এপ্রিল) গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে জাহিরুল ইসলাম (৩২) ও জহিরুল ইসলাম (৩০) নামের দুজনকে আটক করে বালিয়াডাঙ্গী থানা-পুলিশ। পরে আজ মঙ্গলবার দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে তাদের ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
আটক জাহিরুল ইসলাম উপজেলার আমজানখোর ইউনিয়নের স্কুলহাট গ্রামের আব্দুল কাদেরের ছেলে এবং জহিরুল ইসলাম হরিণমারী নয়াপাড়া গ্রামের সরিফ উদ্দীনের ছেলে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, নেকমরদ এলাকার একটি ফিলিং স্টেশন থেকে গভীর রাতে প্রতি লিটার ২০০ টাকা দরে পেট্রোল কিনে সীমান্তবর্তী এলাকায় ৪০০ টাকা দরে বিক্রি করত একটি চক্র। আটক দুইজন মূলত ফিলিং স্টেশন থেকে পেট্রোল পরিবহনের কাজ করতেন। পরে কালীবাড়ি গ্রামের আব্দুল খালেক নামের এক ব্যক্তি ওই পেট্রোল বেশি দামে বিক্রি করতেন।
অভিযানের পর থেকেই আব্দুল খালেক পলাতক রয়েছেন। পুলিশ তার বাড়িতে একাধিকবার অভিযান চালালেও তাকে আটক করতে পারেনি। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটিও বন্ধ পাওয়া গেছে।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আহসান উল হক জানান, আটক দুজন দোষ স্বীকার করায় তাদের ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জব্দ করা পেট্রোল পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সরকারি মূল্যে খোলাবাজারে বিক্রি করা হয়েছে।
তিনি অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুত ও বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে তথ্য দিয়ে প্রশাসনকে সহযোগিতা করার জন্য জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানান।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কেন আমাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে? আমরা হবিগঞ্জে যেতে চাই। সেখানে গিয়ে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব।’
১ দিন আগে
জব্দ করা দুটি ট্রলার রাজীবপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াদুদ জামান মানিক ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন এবং উচাখিলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাদীউল বাশার সুমনের জিম্মায় দিয়েছিল প্রশাসন। ট্রলারে ছিলেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার এএসআই জীবন চন্দ্র বৈশ্য, কনস্টেবল বিমল চন্দ্র পাল এবং গ্রাম পুলিশ উজ্জ্বল ও
১ দিন আগে
একপর্যায়ে হাসনাত বলেন, তিনি নিজেসহ আরও দুই সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম ও মাহমুদা মিতু (সংরক্ষিত আসনে) এবং এনসিপির দুজন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য কেবল মামলা করতে যাবেন। প্রয়োজনে তারা গাড়ির চালককেও নেবেন না। পুলিশ চালক দিলে তাকে নিয়েই যাবেন তারা। তবে পুলিশ সে প্রস্তাবও মানেনি। পরে এনসিপি নেতারা ব্যারিক
১ দিন আগে
বুধবার (২২ জুলাই) পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদী হিসেবে মামলাটি দায়ের করেন ওই বিধবা। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার রেকর্ড করে আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
১ দিন আগে