
পঞ্চগড় প্রতিনিধি

পঞ্চগড়ে টানা ১১ দিন ধরে মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। এর মধ্যে টানা আট দিন ধরেই দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে এ জেলার তেঁতুলিয়ায়।
আবহাওয়া অধিদপ্তর শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে তেঁতুলিয়ায়, ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) এ উপজেলায় তাপমাত্রা ছিল আরও ১ ডিগ্রি কম— ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এর আগে গত ৬ জানুয়ারি মৃদু শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয় তেঁতুলিয়ায়। সে দিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এরপর এ জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করেনি। ফলে টানা ১১ দিন ধরে জেলায় শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে চলতি মৌসুমের এই তৃতীয় দফা শৈত্যপ্রবাহের মধ্যে গত ৯ জানুয়ারি থেকে টানা আট দিন ধরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রাও রেকর্ড হচ্ছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, শুক্রবার সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়ায় রাতের গড় তাপমাত্রা দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। বৃহস্পতিবার এ তাপমাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি। তবে দিনের তাপমাত্রা ২৬ থেকে ২৮ এর মধ্যে ওঠানামা করছে।
জিতেন্দ্রনাথ বলেন, পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় টানা ১১ দিন ধরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ থেকে ৯ এর মধ্যেই ওঠানামা করছে। মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে চলেছে।
স্থানীয়রা বলছেন, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কোনো কোনোদিন সূর্যের দেখা মিললে শীতের অনুভূতি কিছুটা কমে আসে। তবে বিকেল নামার আগেই ফের হিমশীতল বাতাস বইতে শুরু করলে হাড় কাঁপানো শীত ঘিরে ধরে। সন্ধ্যা-রাত-ভোর পেরিয়ে সকালেও সে বাতার অব্যাহত থাকে।
তীব্র শীতে জনজীবনও অনেকটা স্থবির হয়ে এসেছে। প্রয়োজন ছাড়া মানুষজনের ঘর থেকে বের হওয়ার প্রবণতা কমে গেছে। এর মধ্যেও জীবিকার তাগিদে কৃষকসহ শ্রমজীবীদের বের হতেই হচ্ছে। তাদের পোহাতে হচ্ছে তীব্র দুর্ভোগ। সকালে স্কুলগামী শিশু শিক্ষার্থীদেরও শীতের তীব্রতায় কষ্ট পেতে হচ্ছে।

পঞ্চগড়ে টানা ১১ দিন ধরে মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। এর মধ্যে টানা আট দিন ধরেই দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে এ জেলার তেঁতুলিয়ায়।
আবহাওয়া অধিদপ্তর শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে তেঁতুলিয়ায়, ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) এ উপজেলায় তাপমাত্রা ছিল আরও ১ ডিগ্রি কম— ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এর আগে গত ৬ জানুয়ারি মৃদু শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয় তেঁতুলিয়ায়। সে দিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এরপর এ জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করেনি। ফলে টানা ১১ দিন ধরে জেলায় শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে চলতি মৌসুমের এই তৃতীয় দফা শৈত্যপ্রবাহের মধ্যে গত ৯ জানুয়ারি থেকে টানা আট দিন ধরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রাও রেকর্ড হচ্ছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, শুক্রবার সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়ায় রাতের গড় তাপমাত্রা দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। বৃহস্পতিবার এ তাপমাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি। তবে দিনের তাপমাত্রা ২৬ থেকে ২৮ এর মধ্যে ওঠানামা করছে।
জিতেন্দ্রনাথ বলেন, পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় টানা ১১ দিন ধরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ থেকে ৯ এর মধ্যেই ওঠানামা করছে। মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে চলেছে।
স্থানীয়রা বলছেন, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কোনো কোনোদিন সূর্যের দেখা মিললে শীতের অনুভূতি কিছুটা কমে আসে। তবে বিকেল নামার আগেই ফের হিমশীতল বাতাস বইতে শুরু করলে হাড় কাঁপানো শীত ঘিরে ধরে। সন্ধ্যা-রাত-ভোর পেরিয়ে সকালেও সে বাতার অব্যাহত থাকে।
তীব্র শীতে জনজীবনও অনেকটা স্থবির হয়ে এসেছে। প্রয়োজন ছাড়া মানুষজনের ঘর থেকে বের হওয়ার প্রবণতা কমে গেছে। এর মধ্যেও জীবিকার তাগিদে কৃষকসহ শ্রমজীবীদের বের হতেই হচ্ছে। তাদের পোহাতে হচ্ছে তীব্র দুর্ভোগ। সকালে স্কুলগামী শিশু শিক্ষার্থীদেরও শীতের তীব্রতায় কষ্ট পেতে হচ্ছে।

ধাক্কায় শুভঙ্কর মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে সড়কে পড়ে যান। এ সময় বাসটির পেছনের একটি চাকা তার মাথার ওপর দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে জানান এসআই অনিরুদ্ধ।
৬ ঘণ্টা আগে
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা বলেন, ছাত্রদলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় আজিজুল হককে আটক করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
কর্ণফুলী থানার ওসি নুর আহমদ জানান, রাত ৮টা ১৫ মিনিটের দিকে আন্দোলনকারীরা অবরোধ কর্মসূচি শেষ করে চলে যান। তিনি বলেন, “আন্দোলকারীরা তাদের কর্মসূচি শেষ করে চলে গেছেন। এখন যান চলাচল শুরু হয়েছে। যানজট কমাতে আমরা কাজ করছি।”
১ দিন আগে
সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ না করে নোংরা জারে পানি সরবরাহ করছিল। পাশাপাশি বিএসটিআইয়ের মান সনদ ছাড়াই অস্বাস্থ্যকর ও নিম্নমানের পানি বাজারজাত করা হচ্ছিল। জনস্বাস্থ্য ও ভোক্তা নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে অভিযানে ৬ শতাধিক পানির জার ধ্বংস করা হয়।
১ দিন আগে