
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
উপজেলার বাদাঘাট পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘গতকাল বুধবার রাতে সীমান্ত গ্রাম পুরান লাউড়েরগড় মাদরাসার সামনে ওই তরুণ এবং তার সহযোগী সোহাগ আহমদকে জনতা আটক করে। পরে তাদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।’
গ্রেপ্তার নাজমুল হাসান হিমেল বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের ছাতারকোণা গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে। তার সহযোগী সোহাগ আহমেদও একই এলাকার বাসিন্দা।
স্থানীয়দের ভাষ্য, মোটরসাইকেলে করে হিমেল ও তার সহযোগী সোহাগ সীমান্ত এলাকা থেকে ফিরছিলেন। পথে লাউড়েরগড় এলাকার লোকজন তাদের আটক করে তল্লাশি করে। এ সময় তাদের কাছে সাড়ে ৯৫০ ইয়াবা পাওয়া যায়। তখন বিক্ষুব্ধ লোকজন তাদের দোকানের খুঁটিতে বেঁধে মারধর করেন। পরে পুলিশে খবর দেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সাবেক ইউপি সদস্য মোস্তফা মিয়া বলেন, ‘এলাকার মানুষজন হিমেলকে আটক করে তার কাছে বিপুল ইয়াবা পান। পরে পুলিশ ডেকে ধরিয়ে দেন। সে ভারত থেকে ইয়াবার চালান এনে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করত। আমরা তখন এগিয়ে না গেলে জনতা তাকে পিটুনি দিয়ে মেরে ফেলত।’
ধনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহেল আহমদ বলেন, ‘হিমেল একজন জুলাই যোদ্ধা। জুলাই আন্দোলনের সময় মিটিং-মিছিল করেছে। তার ভাই তোফায়েল আহমদ বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের যুগ্ম সদস্যসচিব। হিমেল ইয়াবার চালানসহ গত রাতে তাহিরপুরের লাউড়েড়গড় সীমান্তে আটক হয়েছে। ৫ অগাস্টের পর মামলা দিয়ে অনেক নীরিহ মানুষকে সে হয়রানি-নির্যাতন করেছে।’
বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার পলাশ ইউনিয়নের এক বাসিন্দা বলেন, ‘৫ অগাস্টের পর হিমেল মাদকবিরোধী সংগঠনও তৈরি করে। এর আড়ালে সে নিজেই মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ে। কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে আওয়ামী লীগ ট্যাগ দিয়ে মামলার মাধ্যমে হয়রানি করত। ফলে এলাকায় কেউ তার বিরুদ্ধে কথা বলত না।’
বাদাঘাট পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘হিমেলের বিরুদ্ধে মাদকবিরোধী সংগঠনের ব্যানারে মাদক কারবারের অভিযোগ আছে। দুপুরে হিমেল ও সোহাগকে আদালতে পাঠানো হয়। আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।’

সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
উপজেলার বাদাঘাট পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘গতকাল বুধবার রাতে সীমান্ত গ্রাম পুরান লাউড়েরগড় মাদরাসার সামনে ওই তরুণ এবং তার সহযোগী সোহাগ আহমদকে জনতা আটক করে। পরে তাদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।’
গ্রেপ্তার নাজমুল হাসান হিমেল বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের ছাতারকোণা গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে। তার সহযোগী সোহাগ আহমেদও একই এলাকার বাসিন্দা।
স্থানীয়দের ভাষ্য, মোটরসাইকেলে করে হিমেল ও তার সহযোগী সোহাগ সীমান্ত এলাকা থেকে ফিরছিলেন। পথে লাউড়েরগড় এলাকার লোকজন তাদের আটক করে তল্লাশি করে। এ সময় তাদের কাছে সাড়ে ৯৫০ ইয়াবা পাওয়া যায়। তখন বিক্ষুব্ধ লোকজন তাদের দোকানের খুঁটিতে বেঁধে মারধর করেন। পরে পুলিশে খবর দেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সাবেক ইউপি সদস্য মোস্তফা মিয়া বলেন, ‘এলাকার মানুষজন হিমেলকে আটক করে তার কাছে বিপুল ইয়াবা পান। পরে পুলিশ ডেকে ধরিয়ে দেন। সে ভারত থেকে ইয়াবার চালান এনে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করত। আমরা তখন এগিয়ে না গেলে জনতা তাকে পিটুনি দিয়ে মেরে ফেলত।’
ধনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহেল আহমদ বলেন, ‘হিমেল একজন জুলাই যোদ্ধা। জুলাই আন্দোলনের সময় মিটিং-মিছিল করেছে। তার ভাই তোফায়েল আহমদ বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের যুগ্ম সদস্যসচিব। হিমেল ইয়াবার চালানসহ গত রাতে তাহিরপুরের লাউড়েড়গড় সীমান্তে আটক হয়েছে। ৫ অগাস্টের পর মামলা দিয়ে অনেক নীরিহ মানুষকে সে হয়রানি-নির্যাতন করেছে।’
বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার পলাশ ইউনিয়নের এক বাসিন্দা বলেন, ‘৫ অগাস্টের পর হিমেল মাদকবিরোধী সংগঠনও তৈরি করে। এর আড়ালে সে নিজেই মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ে। কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে আওয়ামী লীগ ট্যাগ দিয়ে মামলার মাধ্যমে হয়রানি করত। ফলে এলাকায় কেউ তার বিরুদ্ধে কথা বলত না।’
বাদাঘাট পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘হিমেলের বিরুদ্ধে মাদকবিরোধী সংগঠনের ব্যানারে মাদক কারবারের অভিযোগ আছে। দুপুরে হিমেল ও সোহাগকে আদালতে পাঠানো হয়। আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।’

সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের শত শত একর সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কিছুটা কমাতে স্থানীয় কৃষকদের কোমর সমান পানিতে নেমে অপরিপক্ব ফসল কেটে ঘরে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
১ দিন আগে
রাতের আঁধারে প্রবল স্রোতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে মুহূর্তের মধ্যে ইসলামপুর, মাধবপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে মোখাবিল, গোলের হাওর, ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, কোনাগাঁও, বেরীগাঁও, শ্রীপুর, পাতারিগাঁও, কালারায়বিল, আধকানী, ছনগাঁও, বন্দেরগাঁও, তেইতইগাঁও, ভানুবিল ও ঘোর
১ দিন আগে
ভুক্তভোগী সদরঞ্জন দাস জানান, তিনি সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার যাত্রাপুর গ্রাম থেকে অন্য এক ব্যক্তিসহ নৌকায় করে হাঁসের বাচ্চা কিনতে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার দামিহা এলাকায় যাচ্ছিলেন। পথে বর্শিকুড়া-শেরপুর সেতু সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মাথায় হেলমেট পরিহিত সাতজনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্রের মুখে তাদের
১ দিন আগে
টানা কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিতে বান্দরবানের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সাঙ্গু নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় শহরের একাধিক এলাকায় পানি ঢুকে পড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলার সাত উপজেলায় ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।
২ দিন আগে