
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার যাদুকাটা নদীর ওপর নির্মাণাধীন ‘শাহ আরেফিন (র.)-অদ্বৈত মহাপ্রভূ মৈত্রী সেতু’র কাজ দীর্ঘ প্রায় আট বছরেও শেষ না হওয়ায় চরম ভোগান্তি ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অবহেলা, ঢিলেমি এবং দীর্ঘসূত্রতার কারণেই কাজটি এখনও ঝুলে আছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) ‘পল্লী সড়কে গুরুত্বপূর্ণ সেতু নির্মাণ’ প্রকল্পের আওতায় তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের গড়কাটি ও বিন্নাকূলি বাজারের মধ্যবর্তী যাদুকাটা নদীতে ২০১৮ সালের ৪ ডিসেম্বর প্রায় ৮৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ৭৫০ মিটার দীর্ঘ ও ৩২ ফুট প্রশস্ত এই সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়।
এটি নির্মাণের কাজ পেয়েছিল তমা কনস্ট্রাকশন লিমিটেড, সময়সীমা ছিল ৩০ মাস। সে অনুয়ায়ী ২০২১ সালের জুন মাসে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও সেতুতে ৭৫টি গার্ডারের মধ্যে ১৮টি এবং ১৫টি স্ল্যাবের মধ্যে ৫টির নির্মাণকাজ এখনও অসমাপ্ত। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অবহেলা ও ঢিলেমির কারণেই দীর্ঘ প্রায় আট বছরেও সেতুর কাজ শেষ হয়নি, এমনকি বর্তমানে সকল কাযক্রম বন্ধ রয়েছে বলে অভিযোগ করেন স্থানীয় এলাকাবাসী।
সম্প্রতি সেতুর কাজ দ্রুত শেষ করার দাবিতে সুনামগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে একটি অবস্থান কর্মসূচি পালিত হয়। গত ১ এপ্রিল অনুষ্ঠিত ওই কর্মসূচিতে লিখিত বক্তব্য দেন তাহিরপুর উপজেলার বালিজুরী ইউনিয়নের পুরান বারুংকা গ্রামের বাসিন্দা মো. সোহেল আলম।

তিনি বলেন, যাদুকাটা নদীর ওপর নির্মিত এই সেতুটি সম্পন্ন হলে এটি হবে জেলার দীর্ঘতম সেতু। এর মাধ্যমে জেলা সদর থেকে বিশ্বম্ভরপুর হয়ে তাহিরপুরের সীমান্ত এলাকায় যাতায়াত সহজ হবে। পাশাপাশি মধ্যনগর, ধর্মপাশা এবং নেত্রকোনা হয়ে ঢাকায় যাতায়াতের নতুন পথ উন্মুক্ত হবে।
সোহেল আলম আরও বলেন, সেতুটি চালু হলে জেলার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাণিজ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। তিনি জানান, দ্রুত কাজ শুরু না হলে পরবর্তীতে এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে সড়ক অবরোধসহ বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
নির্মাণাধীন এই সেতু এলাকার আশপাশে রয়েছে একটি সীমান্তহাট। যাদুকাটা নদীর পশ্চিম তীরে দেশের অন্যতম বড় শিমুলবাগান ও নয়নাভিরাম বারিক টিলা। এর পাশে টাঙ্গুয়ার হাওর, শহিদ সিরাজ লেক (নিলাদ্রী লেক), লাকমাছড়া ও টেকেরঘাটের মতো জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র। প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে হাজারো পর্যটক এসব এলাকায় ভিড় করেন। এ ছাড়া বড়ছড়া, চারাগাঁও ও বাগলী শুল্ক স্টেশনেও ব্যবসায়ীদের নিয়মিত যাতায়াত রয়েছে।

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার যাদুকাটা নদীর ওপর নির্মাণাধীন ‘শাহ আরেফিন (র.)-অদ্বৈত মহাপ্রভূ মৈত্রী সেতু’র কাজ দীর্ঘ প্রায় আট বছরেও শেষ না হওয়ায় চরম ভোগান্তি ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অবহেলা, ঢিলেমি এবং দীর্ঘসূত্রতার কারণেই কাজটি এখনও ঝুলে আছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) ‘পল্লী সড়কে গুরুত্বপূর্ণ সেতু নির্মাণ’ প্রকল্পের আওতায় তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের গড়কাটি ও বিন্নাকূলি বাজারের মধ্যবর্তী যাদুকাটা নদীতে ২০১৮ সালের ৪ ডিসেম্বর প্রায় ৮৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ৭৫০ মিটার দীর্ঘ ও ৩২ ফুট প্রশস্ত এই সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়।
এটি নির্মাণের কাজ পেয়েছিল তমা কনস্ট্রাকশন লিমিটেড, সময়সীমা ছিল ৩০ মাস। সে অনুয়ায়ী ২০২১ সালের জুন মাসে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও সেতুতে ৭৫টি গার্ডারের মধ্যে ১৮টি এবং ১৫টি স্ল্যাবের মধ্যে ৫টির নির্মাণকাজ এখনও অসমাপ্ত। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অবহেলা ও ঢিলেমির কারণেই দীর্ঘ প্রায় আট বছরেও সেতুর কাজ শেষ হয়নি, এমনকি বর্তমানে সকল কাযক্রম বন্ধ রয়েছে বলে অভিযোগ করেন স্থানীয় এলাকাবাসী।
সম্প্রতি সেতুর কাজ দ্রুত শেষ করার দাবিতে সুনামগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে একটি অবস্থান কর্মসূচি পালিত হয়। গত ১ এপ্রিল অনুষ্ঠিত ওই কর্মসূচিতে লিখিত বক্তব্য দেন তাহিরপুর উপজেলার বালিজুরী ইউনিয়নের পুরান বারুংকা গ্রামের বাসিন্দা মো. সোহেল আলম।

তিনি বলেন, যাদুকাটা নদীর ওপর নির্মিত এই সেতুটি সম্পন্ন হলে এটি হবে জেলার দীর্ঘতম সেতু। এর মাধ্যমে জেলা সদর থেকে বিশ্বম্ভরপুর হয়ে তাহিরপুরের সীমান্ত এলাকায় যাতায়াত সহজ হবে। পাশাপাশি মধ্যনগর, ধর্মপাশা এবং নেত্রকোনা হয়ে ঢাকায় যাতায়াতের নতুন পথ উন্মুক্ত হবে।
সোহেল আলম আরও বলেন, সেতুটি চালু হলে জেলার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাণিজ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। তিনি জানান, দ্রুত কাজ শুরু না হলে পরবর্তীতে এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে সড়ক অবরোধসহ বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
নির্মাণাধীন এই সেতু এলাকার আশপাশে রয়েছে একটি সীমান্তহাট। যাদুকাটা নদীর পশ্চিম তীরে দেশের অন্যতম বড় শিমুলবাগান ও নয়নাভিরাম বারিক টিলা। এর পাশে টাঙ্গুয়ার হাওর, শহিদ সিরাজ লেক (নিলাদ্রী লেক), লাকমাছড়া ও টেকেরঘাটের মতো জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র। প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে হাজারো পর্যটক এসব এলাকায় ভিড় করেন। এ ছাড়া বড়ছড়া, চারাগাঁও ও বাগলী শুল্ক স্টেশনেও ব্যবসায়ীদের নিয়মিত যাতায়াত রয়েছে।

বৃহস্পতিবার স্থানীয়ভাবে গুজব ছড়িয়ে পড়ে, রিয়াজ মারা মারা গেছেন। এতে তার স্বজনসহ স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে থানায় হামলা চালান। প্রায় শতাধিক মানুষের হামলায় পুলিশ সদস্যরা কোণঠাসা হয়ে পড়েন। এ সময় হামলাকারীরা থানায় কর্তব্যরত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল হালিমকে মারধর করেন।
১৯ ঘণ্টা আগে
সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের শত শত একর সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কিছুটা কমাতে স্থানীয় কৃষকদের কোমর সমান পানিতে নেমে অপরিপক্ব ফসল কেটে ঘরে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
১ দিন আগে
রাতের আঁধারে প্রবল স্রোতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে মুহূর্তের মধ্যে ইসলামপুর, মাধবপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে মোখাবিল, গোলের হাওর, ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, কোনাগাঁও, বেরীগাঁও, শ্রীপুর, পাতারিগাঁও, কালারায়বিল, আধকানী, ছনগাঁও, বন্দেরগাঁও, তেইতইগাঁও, ভানুবিল ও ঘোর
১ দিন আগে
ভুক্তভোগী সদরঞ্জন দাস জানান, তিনি সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার যাত্রাপুর গ্রাম থেকে অন্য এক ব্যক্তিসহ নৌকায় করে হাঁসের বাচ্চা কিনতে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার দামিহা এলাকায় যাচ্ছিলেন। পথে বর্শিকুড়া-শেরপুর সেতু সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মাথায় হেলমেট পরিহিত সাতজনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্রের মুখে তাদের
১ দিন আগে