
সিলেট প্রতিনিধি

সিলেটের ওসমানীনগরে মহাসড়কে দাঁড়িয়ে থাকা একটি যাত্রীবাহী বাসকে পেছন থেকে আরেকটি বাস ধাক্কা দিলে দুর্ঘটনাস্থলেই প্রথম বাসের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন।
রোববার (৩১ মে) ভোরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ওসমানীনগর উপজেলার তাজপুর বাজারের পূর্ব দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন দাঁড়িয়ে থাকা বাস ‘যাতায়াত’ পরিবহনের বাসচালক সোহেল (৩০) ও তার সহকারী ইমন (২০)। চালক সোহেল নরসিংদী জেলার সদর উপজেলার শাহী প্রতাপ গ্রামের তাজুল ইসলামের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, যাত্রীবাহী ‘যাতায়াত’ পরিবহনের একটি বাস সড়কের পাশে সিলেটের দিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে ছিল। এ সময় একই দিকে যাওয়ার পথে ‘সেন্টমার্টিন সৌহার্দ্য’ পরিবহনের দ্রুতগামী একটি বাস পেছন থেকে এসে প্রথম বাসটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে গাড়ি দুটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং দুর্ঘটনাস্থলেই যাতায়াত পরিবহনের চালক সোহেল ও সহকারী ইমনের মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে হাইওয়ে ও স্থানীয় থানা পুলিশ দ্রুত দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করে । দুর্ঘটনার কারণে কিছু সময় মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ ছিল। পুলিশ পরে যান চলাচল সম্পূর্ণ স্বাভাবিক করেছে।
শেরপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু তাহের দেওয়ান বলেন, দুর্ঘটনার পরপরই পুলিশ সেখানে গিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে। বর্তমানে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

সিলেটের ওসমানীনগরে মহাসড়কে দাঁড়িয়ে থাকা একটি যাত্রীবাহী বাসকে পেছন থেকে আরেকটি বাস ধাক্কা দিলে দুর্ঘটনাস্থলেই প্রথম বাসের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন।
রোববার (৩১ মে) ভোরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ওসমানীনগর উপজেলার তাজপুর বাজারের পূর্ব দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন দাঁড়িয়ে থাকা বাস ‘যাতায়াত’ পরিবহনের বাসচালক সোহেল (৩০) ও তার সহকারী ইমন (২০)। চালক সোহেল নরসিংদী জেলার সদর উপজেলার শাহী প্রতাপ গ্রামের তাজুল ইসলামের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, যাত্রীবাহী ‘যাতায়াত’ পরিবহনের একটি বাস সড়কের পাশে সিলেটের দিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে ছিল। এ সময় একই দিকে যাওয়ার পথে ‘সেন্টমার্টিন সৌহার্দ্য’ পরিবহনের দ্রুতগামী একটি বাস পেছন থেকে এসে প্রথম বাসটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে গাড়ি দুটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং দুর্ঘটনাস্থলেই যাতায়াত পরিবহনের চালক সোহেল ও সহকারী ইমনের মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে হাইওয়ে ও স্থানীয় থানা পুলিশ দ্রুত দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করে । দুর্ঘটনার কারণে কিছু সময় মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ ছিল। পুলিশ পরে যান চলাচল সম্পূর্ণ স্বাভাবিক করেছে।
শেরপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু তাহের দেওয়ান বলেন, দুর্ঘটনার পরপরই পুলিশ সেখানে গিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে। বর্তমানে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের শত শত একর সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কিছুটা কমাতে স্থানীয় কৃষকদের কোমর সমান পানিতে নেমে অপরিপক্ব ফসল কেটে ঘরে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
১ দিন আগে
রাতের আঁধারে প্রবল স্রোতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে মুহূর্তের মধ্যে ইসলামপুর, মাধবপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে মোখাবিল, গোলের হাওর, ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, কোনাগাঁও, বেরীগাঁও, শ্রীপুর, পাতারিগাঁও, কালারায়বিল, আধকানী, ছনগাঁও, বন্দেরগাঁও, তেইতইগাঁও, ভানুবিল ও ঘোর
১ দিন আগে
ভুক্তভোগী সদরঞ্জন দাস জানান, তিনি সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার যাত্রাপুর গ্রাম থেকে অন্য এক ব্যক্তিসহ নৌকায় করে হাঁসের বাচ্চা কিনতে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার দামিহা এলাকায় যাচ্ছিলেন। পথে বর্শিকুড়া-শেরপুর সেতু সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মাথায় হেলমেট পরিহিত সাতজনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্রের মুখে তাদের
১ দিন আগে
টানা কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিতে বান্দরবানের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সাঙ্গু নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় শহরের একাধিক এলাকায় পানি ঢুকে পড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলার সাত উপজেলায় ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।
২ দিন আগে