
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য শফিকুল হক মিলন বলেছেন, জনগণের অর্থে পরিচালিত কোনো উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম বা দুর্নীতির সুযোগ রাখা হবে না। সরকারি উন্নয়ন কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাই বর্তমান সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার।
আজ শনিবার সকালে পবা উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এমপি মিলন জানান, উন্নয়ন প্রকল্পের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কঠোর নজরদারি ও কার্যকর মনিটরিং ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ের মাধ্যমে স্বচ্ছতার সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জনগণের একটি টাকাও যেন অপচয় না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
সভায় উন্নয়ন রোডম্যাপ প্রণয়ন, অবকাঠামো উন্নয়ন, কৃষি সম্প্রসারণ ও মাদক নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়।
পবা উপজেলার ভৌগোলিক ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, বিভাগীয় শহরের সন্নিকটে হওয়ায় এ উপজেলার উন্নয়ন কার্যক্রম পুরো জেলার ওপর প্রভাব ফেলে। কাটাখালি ও নওহাটা—দুটি পৌরসভা এবং আটটি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এ অঞ্চল কৃষি ও মৎস্য উৎপাদনে সমৃদ্ধ। তাই পরিকল্পিত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
উন্নয়নের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বিগত সময়ে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ছিল। এখন সময় এসেছে শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার। তিনি বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের কথাও উল্লেখ করেন।
তরুণ প্রজন্মের প্রসঙ্গ টেনে এমপি মিলন বলেন, সাম্প্রতিক গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশের তরুণরা নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। তাদের নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করতে হবে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদক সমস্যার কথা উল্লেখ করে তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরাফাত আমান আজিজ। তিনি বলেন, উন্নয়নই হবে প্রশাসনের মূল লক্ষ্য। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সুশাসন ও সমন্বিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে। উপজেলার প্রতিটি দপ্তরের কাজের অগ্রগতি নিয়মিত পর্যালোচনা করা হবে এবং মাঠপর্যায়ের সমস্যা দ্রুত সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সভায় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধি ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য শফিকুল হক মিলন বলেছেন, জনগণের অর্থে পরিচালিত কোনো উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম বা দুর্নীতির সুযোগ রাখা হবে না। সরকারি উন্নয়ন কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাই বর্তমান সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার।
আজ শনিবার সকালে পবা উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এমপি মিলন জানান, উন্নয়ন প্রকল্পের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কঠোর নজরদারি ও কার্যকর মনিটরিং ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ের মাধ্যমে স্বচ্ছতার সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জনগণের একটি টাকাও যেন অপচয় না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
সভায় উন্নয়ন রোডম্যাপ প্রণয়ন, অবকাঠামো উন্নয়ন, কৃষি সম্প্রসারণ ও মাদক নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়।
পবা উপজেলার ভৌগোলিক ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, বিভাগীয় শহরের সন্নিকটে হওয়ায় এ উপজেলার উন্নয়ন কার্যক্রম পুরো জেলার ওপর প্রভাব ফেলে। কাটাখালি ও নওহাটা—দুটি পৌরসভা এবং আটটি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এ অঞ্চল কৃষি ও মৎস্য উৎপাদনে সমৃদ্ধ। তাই পরিকল্পিত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
উন্নয়নের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বিগত সময়ে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ছিল। এখন সময় এসেছে শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার। তিনি বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের কথাও উল্লেখ করেন।
তরুণ প্রজন্মের প্রসঙ্গ টেনে এমপি মিলন বলেন, সাম্প্রতিক গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশের তরুণরা নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। তাদের নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করতে হবে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদক সমস্যার কথা উল্লেখ করে তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরাফাত আমান আজিজ। তিনি বলেন, উন্নয়নই হবে প্রশাসনের মূল লক্ষ্য। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সুশাসন ও সমন্বিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে। উপজেলার প্রতিটি দপ্তরের কাজের অগ্রগতি নিয়মিত পর্যালোচনা করা হবে এবং মাঠপর্যায়ের সমস্যা দ্রুত সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সভায় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধি ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কেন আমাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে? আমরা হবিগঞ্জে যেতে চাই। সেখানে গিয়ে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব।’
১ দিন আগে
জব্দ করা দুটি ট্রলার রাজীবপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াদুদ জামান মানিক ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন এবং উচাখিলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাদীউল বাশার সুমনের জিম্মায় দিয়েছিল প্রশাসন। ট্রলারে ছিলেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার এএসআই জীবন চন্দ্র বৈশ্য, কনস্টেবল বিমল চন্দ্র পাল এবং গ্রাম পুলিশ উজ্জ্বল ও
১ দিন আগে
একপর্যায়ে হাসনাত বলেন, তিনি নিজেসহ আরও দুই সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম ও মাহমুদা মিতু (সংরক্ষিত আসনে) এবং এনসিপির দুজন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য কেবল মামলা করতে যাবেন। প্রয়োজনে তারা গাড়ির চালককেও নেবেন না। পুলিশ চালক দিলে তাকে নিয়েই যাবেন তারা। তবে পুলিশ সে প্রস্তাবও মানেনি। পরে এনসিপি নেতারা ব্যারিক
১ দিন আগে
বুধবার (২২ জুলাই) পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদী হিসেবে মামলাটি দায়ের করেন ওই বিধবা। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার রেকর্ড করে আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
২ দিন আগে