
চট্টগ্রাম ব্যুরো

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে সাত বছর বয়সী শিশু জান্নাতুল নেসা ইরা মনিকে শ্বাসনালি কেটে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার আসামি বাবু শেখ (৫০) আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এ সময় তিনি শিশুটিকে চকলেট খাওয়ানো ও বেড়ানোর লোভ দেখিয়ে সীতাকুণ্ডের ওই পাহাড়ের জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণ চেষ্টা ও গলা কেটে হত্যার কথা স্বীকার করেন।
বুধবার (৪ মার্চ) আসামি বাবু শেখকে আদালতে হাজির করলে তিনি দোষ স্বীকার করবেন বলে জানান। এ সময় ম্যাজিস্ট্রেট সাইমা আরেফিন হেমা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি নেন আসামির। পরে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।
এর আগে মঙ্গলবার দুপুরের দিকে সীতাকুণ্ডের কুমিরা ইউনিয়ন থেকে বাবু শেখকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বাবু শেখ নিহত শিশু ইরাদের প্রতিবেশী ছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, ইরার বাবার সঙ্গে নানা বিষয়ে বিরোধের জের ধরে মেয়েটিকে হত্যার পরিকল্পনা করেন তিনি।
রোববার বিকেলে বাড়ি থেকে প্রায় আট কিলোমিটার দূরে সীতাকুণ্ডে বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্কের ভেতরে একটি নির্জন পাহাড়ে শিশু ইরাকে শ্বাসনালী কাটা অবস্থায় পাওয়া যায়। সেখানে সড়কের নির্মাণকাজে নিয়োজিত শ্রমিকরা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেন।
সে দিনই শিশুটিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার অস্ত্রোপচারও করা হয়। এতে শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলেও সে প্রবণতা অব্যাহত থাকেনি। দুই দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মঙ্গলবার ভোরের দিকে মৃত্যু হয় তার।
পুলিশ বলছে, আসামি বাবু শেখের সঙ্গে শিশুটির পরিবারের পূর্বশত্রুতার জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। শিশুটিকে পাহাড়ে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টায় ব্যর্থ হয় বাবু শেখ। শিশুটি চিৎকার শুরু করলে সে ছুরি দিয়ে তার গলা কেটে দেয় বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে বাবু শেখ।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে সাত বছর বয়সী শিশু জান্নাতুল নেসা ইরা মনিকে শ্বাসনালি কেটে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার আসামি বাবু শেখ (৫০) আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এ সময় তিনি শিশুটিকে চকলেট খাওয়ানো ও বেড়ানোর লোভ দেখিয়ে সীতাকুণ্ডের ওই পাহাড়ের জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণ চেষ্টা ও গলা কেটে হত্যার কথা স্বীকার করেন।
বুধবার (৪ মার্চ) আসামি বাবু শেখকে আদালতে হাজির করলে তিনি দোষ স্বীকার করবেন বলে জানান। এ সময় ম্যাজিস্ট্রেট সাইমা আরেফিন হেমা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি নেন আসামির। পরে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।
এর আগে মঙ্গলবার দুপুরের দিকে সীতাকুণ্ডের কুমিরা ইউনিয়ন থেকে বাবু শেখকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বাবু শেখ নিহত শিশু ইরাদের প্রতিবেশী ছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, ইরার বাবার সঙ্গে নানা বিষয়ে বিরোধের জের ধরে মেয়েটিকে হত্যার পরিকল্পনা করেন তিনি।
রোববার বিকেলে বাড়ি থেকে প্রায় আট কিলোমিটার দূরে সীতাকুণ্ডে বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্কের ভেতরে একটি নির্জন পাহাড়ে শিশু ইরাকে শ্বাসনালী কাটা অবস্থায় পাওয়া যায়। সেখানে সড়কের নির্মাণকাজে নিয়োজিত শ্রমিকরা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেন।
সে দিনই শিশুটিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার অস্ত্রোপচারও করা হয়। এতে শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলেও সে প্রবণতা অব্যাহত থাকেনি। দুই দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মঙ্গলবার ভোরের দিকে মৃত্যু হয় তার।
পুলিশ বলছে, আসামি বাবু শেখের সঙ্গে শিশুটির পরিবারের পূর্বশত্রুতার জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। শিশুটিকে পাহাড়ে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টায় ব্যর্থ হয় বাবু শেখ। শিশুটি চিৎকার শুরু করলে সে ছুরি দিয়ে তার গলা কেটে দেয় বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে বাবু শেখ।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কেন আমাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে? আমরা হবিগঞ্জে যেতে চাই। সেখানে গিয়ে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব।’
১ দিন আগে
জব্দ করা দুটি ট্রলার রাজীবপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াদুদ জামান মানিক ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন এবং উচাখিলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাদীউল বাশার সুমনের জিম্মায় দিয়েছিল প্রশাসন। ট্রলারে ছিলেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার এএসআই জীবন চন্দ্র বৈশ্য, কনস্টেবল বিমল চন্দ্র পাল এবং গ্রাম পুলিশ উজ্জ্বল ও
১ দিন আগে
একপর্যায়ে হাসনাত বলেন, তিনি নিজেসহ আরও দুই সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম ও মাহমুদা মিতু (সংরক্ষিত আসনে) এবং এনসিপির দুজন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য কেবল মামলা করতে যাবেন। প্রয়োজনে তারা গাড়ির চালককেও নেবেন না। পুলিশ চালক দিলে তাকে নিয়েই যাবেন তারা। তবে পুলিশ সে প্রস্তাবও মানেনি। পরে এনসিপি নেতারা ব্যারিক
১ দিন আগে
বুধবার (২২ জুলাই) পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদী হিসেবে মামলাটি দায়ের করেন ওই বিধবা। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার রেকর্ড করে আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
১ দিন আগে