
গাজীপুর প্রতিনিধি

গাজীপুরের শ্রীপুরে পারিবারিক কলহের জেরে নাছিমা আক্তার (২৭) নামে এক পোশাককর্মীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে। ঘটনার পর থেকে স্বামী সাইদুল ইসলাম পলাতক রয়েছেন।
রোববার (১২ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে শ্রীপুর পৌরসভার গড়গড়িয়া মাস্টারবাড়ি এলাকায় ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শ্রীপুর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) সঞ্জয় সাহা।
নিহত নাছিমা নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার কৈলশাপুর বনপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুর রাজ্জাকের মেয়ে। তিনি শ্রীপুরের একটি পোশাক কারখানায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন।
নাছিমার ভাই মাসুম আহমেদ জানান, তিনি বোনের ভাড়া বাসার কাছাকাছি এলাকায় থাকেন এবং একই পেশায় কাজ করেন। রাত সাড়ে ৩টার দিকে পাশের ভাড়াটিয়াদের কাছ থেকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে নাছিমাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে দ্রুত শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি অভিযোগ করেন, বিয়ের পর শুরুতে নাছিমার সংসার ভালো চললেও পরে স্বামী সাইদুল মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন। এ নিয়ে প্রায়ই তাদের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ হতো। দুটি সন্তানের কথা ভেবে নাছিমা সংসার চালিয়ে যাচ্ছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত স্বামীর হাতেই তাকে প্রাণ হারাতে হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শফিকুল ইসলাম জানান, হাসপাতালে আনার আগেই ওই নারীর মৃত্যু হয়েছিল। তার শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে।
শ্রীপুর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) সঞ্জয় সাহা বলেন, খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। নিহতের শরীরে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাত রয়েছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত স্বামী পলাতক। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রাজনীতি/আরআইআর

গাজীপুরের শ্রীপুরে পারিবারিক কলহের জেরে নাছিমা আক্তার (২৭) নামে এক পোশাককর্মীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে। ঘটনার পর থেকে স্বামী সাইদুল ইসলাম পলাতক রয়েছেন।
রোববার (১২ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে শ্রীপুর পৌরসভার গড়গড়িয়া মাস্টারবাড়ি এলাকায় ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শ্রীপুর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) সঞ্জয় সাহা।
নিহত নাছিমা নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার কৈলশাপুর বনপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুর রাজ্জাকের মেয়ে। তিনি শ্রীপুরের একটি পোশাক কারখানায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন।
নাছিমার ভাই মাসুম আহমেদ জানান, তিনি বোনের ভাড়া বাসার কাছাকাছি এলাকায় থাকেন এবং একই পেশায় কাজ করেন। রাত সাড়ে ৩টার দিকে পাশের ভাড়াটিয়াদের কাছ থেকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে নাছিমাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে দ্রুত শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি অভিযোগ করেন, বিয়ের পর শুরুতে নাছিমার সংসার ভালো চললেও পরে স্বামী সাইদুল মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন। এ নিয়ে প্রায়ই তাদের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ হতো। দুটি সন্তানের কথা ভেবে নাছিমা সংসার চালিয়ে যাচ্ছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত স্বামীর হাতেই তাকে প্রাণ হারাতে হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শফিকুল ইসলাম জানান, হাসপাতালে আনার আগেই ওই নারীর মৃত্যু হয়েছিল। তার শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে।
শ্রীপুর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) সঞ্জয় সাহা বলেন, খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। নিহতের শরীরে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাত রয়েছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত স্বামী পলাতক। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রাজনীতি/আরআইআর

রোববার সুন্দরবনের আন্ধারমানিকের বনে মিলিয়ে যাওয়া সেই ডোরাকাটা শরীর হয়তো আর সহজে মানুষের চোখে ধরা দেবে না। কিন্তু গাছের গায়ে বাঁধা ছোট্ট ইনফ্রারেড ক্যামেরাগুলো নীরবে তার চলার পথ রেকর্ড করবে। সেই ফুটেজ শুধু একটি বাঘিনীর জীবনযাত্রার দলিল হবে না, এটি হবে বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের এক নতুন আশার গল্প
৪ ঘণ্টা আগে
ক্যাম্প প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে অন্তত ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ২০২১ সালে পাঁচজন, ২০২৪ সালে ৯ জন, ২০২৫ সালে একজন এবং চলতি বছরে ১৪ জন প্রাণ হারিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চকরিয়া পৌরসভার বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। রোববার বিকেলে উত্তর বিনামারা এলাকায় আবুল কাশেমের বসতভিটার উঠানে বন্যার পানি থৈ থৈ করছিল। শিশু হাসান পরিবারের সবার অগোচরে ঘরের উঠানে জমে থাকা বন্যার পানিতে পড়ে যায়।
১৬ ঘণ্টা আগে
নিহতরা হলেন, ডোমার উপজেলার পাঙ্গামটকপুর ইউনিয়নের নদীয়াপাড়া এলাকার মিথিলা চালক পরিমল বর্মন রায় (৪০), তার ভাই প্রদীপ বর্মন রায়ের স্ত্রী প্রতিমা বর্মন রায় (৩০) এবং প্রতিমার দুই সন্তান বিপাশা বর্মন রায় (৮) ও যাদব বর্মন রায় (৪)
২০ ঘণ্টা আগে