
ভোলা প্রতিনিধি

ভোলা দৌলতখানে নির্বাচনি প্রচারণাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ৬ জন আহত হয়েছেন। আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ভোলা-২ আসনের অন্তর্গত মেদুয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মুন্সিরহাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, সকাল থেকে মেদুয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় প্রচার-প্রচারণা করছিলেন জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা। তারা মুন্সিরহাট এলাকায় এলে স্থানীয় বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতাদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা বাঁধে। একপর্যায়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা জামায়াতের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মারামারিতে জড়ান। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৬ জন আহত হন।
দৌলতখান উপজেলা জামায়াতে ইসলামী আমির মো. হাসান তারেক অভিযোগ করেন, নির্বাচনি প্রচারণা করার সময় কোনো কারণ ছাড়াই ওই এলাকার বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা জামায়াত-শিবির কর্মীদের ওপর হামলা চালান। এতে তাদের অন্তত ৩-৪ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে দুজন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
দৌলতখান বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাজাহান সাজু অভিযোগ করেন, জামায়াত নেতাকর্মীরা প্রচারণা করতে গিয়ে স্থানীয় বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করেছেন। এতে তাদের ৩ জন আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম শিকদার বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ, নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ড পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

ভোলা দৌলতখানে নির্বাচনি প্রচারণাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ৬ জন আহত হয়েছেন। আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ভোলা-২ আসনের অন্তর্গত মেদুয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মুন্সিরহাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, সকাল থেকে মেদুয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় প্রচার-প্রচারণা করছিলেন জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা। তারা মুন্সিরহাট এলাকায় এলে স্থানীয় বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতাদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা বাঁধে। একপর্যায়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা জামায়াতের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মারামারিতে জড়ান। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৬ জন আহত হন।
দৌলতখান উপজেলা জামায়াতে ইসলামী আমির মো. হাসান তারেক অভিযোগ করেন, নির্বাচনি প্রচারণা করার সময় কোনো কারণ ছাড়াই ওই এলাকার বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা জামায়াত-শিবির কর্মীদের ওপর হামলা চালান। এতে তাদের অন্তত ৩-৪ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে দুজন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
দৌলতখান বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাজাহান সাজু অভিযোগ করেন, জামায়াত নেতাকর্মীরা প্রচারণা করতে গিয়ে স্থানীয় বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করেছেন। এতে তাদের ৩ জন আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম শিকদার বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ, নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ড পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কেন আমাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে? আমরা হবিগঞ্জে যেতে চাই। সেখানে গিয়ে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব।’
১ দিন আগে
জব্দ করা দুটি ট্রলার রাজীবপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াদুদ জামান মানিক ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন এবং উচাখিলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাদীউল বাশার সুমনের জিম্মায় দিয়েছিল প্রশাসন। ট্রলারে ছিলেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার এএসআই জীবন চন্দ্র বৈশ্য, কনস্টেবল বিমল চন্দ্র পাল এবং গ্রাম পুলিশ উজ্জ্বল ও
১ দিন আগে
একপর্যায়ে হাসনাত বলেন, তিনি নিজেসহ আরও দুই সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম ও মাহমুদা মিতু (সংরক্ষিত আসনে) এবং এনসিপির দুজন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য কেবল মামলা করতে যাবেন। প্রয়োজনে তারা গাড়ির চালককেও নেবেন না। পুলিশ চালক দিলে তাকে নিয়েই যাবেন তারা। তবে পুলিশ সে প্রস্তাবও মানেনি। পরে এনসিপি নেতারা ব্যারিক
১ দিন আগে
বুধবার (২২ জুলাই) পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদী হিসেবে মামলাটি দায়ের করেন ওই বিধবা। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার রেকর্ড করে আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
১ দিন আগে