
নড়াইল প্রতিনিধি

নড়াইল সদর উপজেলায় গরুর হাটে সরকারি নির্ধারিত হারের বাইরে অতিরিক্ত ইজারা আদায়ে ইজারাদারকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। শুক্রবার (৩০ মে) বিকালে মাইজপাড়া গরুর হাটে সেনাবাহিনীর নজরদারির পরে ভ্রমমাণ আদালত এই ব্যবস্থা নেন।
সেনাবাহিনী সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বিকেলে নড়াইল সদর আর্মি ক্যাম্পের একটি টহল দল মাইজপাড়া পশুর হাটে নিয়মিত নজরদারির সময় দেখতে পান একজন ইজারাদার সরকারি নির্ধারিত হারের বাইরে অতিরিক্ত ইজারা আদায় করছেন। এ সময় ইজারাদার এম শামসুজ্জামান খোকনকে (৫০) সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে মৌখিকভাবে সতর্ক করা হয় এবং অননুমোদিত অর্থ আদায় বন্ধ করতে নির্দেশ দেয়া হয়।
এরপর সেনাবাহিনীর টহল দল এলাকা ত্যাগ করার ১০–১৫ মিনিট পরেই আবার অতিরিক্ত টাকা আদায় শুরু করেন। ওই ইজারাদার গরু ১ হাজার থেকে ১৩’শ টাকা পর্যন্ত আদায় করছেন। যা সরকারি হারে গরুপ্রতি ৬০০ টাকা এবং ছাগলপ্রতি ২০০ টাকা নির্ধারিত আছে। জিজ্ঞাসাবাদে ইজারাদার অতিরিক্ত টাকা আদায়ে নিজের পক্ষে যুক্তি দেখালেও কোন কাগজ দেখাতে পারেনি।
স্থানীয় খামারি ও হাট ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে গোপনে অতিরিক্ত টাকা আদায় করে আসছেন এবং আদায়ের পর কোনো রশিদ বা প্রমাণপত্রও দেন না।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সঞ্চিতা বিশ্বাস বলেন, সেনাবাহিনী অভিযুক্ত ইজারাদার এম শামসুজ্জামান খোকন কে আটক করে এবং পরে আমি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করি। ক্রেতা এবং বিক্রেতা উভয়ের কাছ থেকে সরকারি ইজারার বাইরে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের দায়ে অভিযুক্তকে ৪০হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এই অভিযোগে ওই ইজারাদারের হাট ইজারা বাতিলের বিষয়ে জেলা প্রশাসন প্রক্রিয়া শুরু করেছে বলে সূত্রে জানা গেছে।

নড়াইল সদর উপজেলায় গরুর হাটে সরকারি নির্ধারিত হারের বাইরে অতিরিক্ত ইজারা আদায়ে ইজারাদারকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। শুক্রবার (৩০ মে) বিকালে মাইজপাড়া গরুর হাটে সেনাবাহিনীর নজরদারির পরে ভ্রমমাণ আদালত এই ব্যবস্থা নেন।
সেনাবাহিনী সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বিকেলে নড়াইল সদর আর্মি ক্যাম্পের একটি টহল দল মাইজপাড়া পশুর হাটে নিয়মিত নজরদারির সময় দেখতে পান একজন ইজারাদার সরকারি নির্ধারিত হারের বাইরে অতিরিক্ত ইজারা আদায় করছেন। এ সময় ইজারাদার এম শামসুজ্জামান খোকনকে (৫০) সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে মৌখিকভাবে সতর্ক করা হয় এবং অননুমোদিত অর্থ আদায় বন্ধ করতে নির্দেশ দেয়া হয়।
এরপর সেনাবাহিনীর টহল দল এলাকা ত্যাগ করার ১০–১৫ মিনিট পরেই আবার অতিরিক্ত টাকা আদায় শুরু করেন। ওই ইজারাদার গরু ১ হাজার থেকে ১৩’শ টাকা পর্যন্ত আদায় করছেন। যা সরকারি হারে গরুপ্রতি ৬০০ টাকা এবং ছাগলপ্রতি ২০০ টাকা নির্ধারিত আছে। জিজ্ঞাসাবাদে ইজারাদার অতিরিক্ত টাকা আদায়ে নিজের পক্ষে যুক্তি দেখালেও কোন কাগজ দেখাতে পারেনি।
স্থানীয় খামারি ও হাট ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে গোপনে অতিরিক্ত টাকা আদায় করে আসছেন এবং আদায়ের পর কোনো রশিদ বা প্রমাণপত্রও দেন না।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সঞ্চিতা বিশ্বাস বলেন, সেনাবাহিনী অভিযুক্ত ইজারাদার এম শামসুজ্জামান খোকন কে আটক করে এবং পরে আমি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করি। ক্রেতা এবং বিক্রেতা উভয়ের কাছ থেকে সরকারি ইজারার বাইরে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের দায়ে অভিযুক্তকে ৪০হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এই অভিযোগে ওই ইজারাদারের হাট ইজারা বাতিলের বিষয়ে জেলা প্রশাসন প্রক্রিয়া শুরু করেছে বলে সূত্রে জানা গেছে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কেন আমাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে? আমরা হবিগঞ্জে যেতে চাই। সেখানে গিয়ে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব।’
১ দিন আগে
জব্দ করা দুটি ট্রলার রাজীবপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াদুদ জামান মানিক ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন এবং উচাখিলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাদীউল বাশার সুমনের জিম্মায় দিয়েছিল প্রশাসন। ট্রলারে ছিলেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার এএসআই জীবন চন্দ্র বৈশ্য, কনস্টেবল বিমল চন্দ্র পাল এবং গ্রাম পুলিশ উজ্জ্বল ও
১ দিন আগে
একপর্যায়ে হাসনাত বলেন, তিনি নিজেসহ আরও দুই সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম ও মাহমুদা মিতু (সংরক্ষিত আসনে) এবং এনসিপির দুজন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য কেবল মামলা করতে যাবেন। প্রয়োজনে তারা গাড়ির চালককেও নেবেন না। পুলিশ চালক দিলে তাকে নিয়েই যাবেন তারা। তবে পুলিশ সে প্রস্তাবও মানেনি। পরে এনসিপি নেতারা ব্যারিক
১ দিন আগে
বুধবার (২২ জুলাই) পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদী হিসেবে মামলাটি দায়ের করেন ওই বিধবা। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার রেকর্ড করে আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
২ দিন আগে