
মু. আ. মোতালিব, তালতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রমে অংশ নিতে গিয়ে নির্ধারিত কর্মদিবসে অফিসে অনুপস্থিত থাকায় বরগুনার তালতলী উপজেলার অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মানজুরুল হক কাওছারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে।
তবে গণভোটের প্রচারে সক্রিয় ভূমিকা রাখার কারণেই তাকে শোকজ করা হয়েছে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা। গত ১৩ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) বরগুনা জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. শহিদুল ইসলাম এ শোকজ নোটিশ জারি করেন।
জানা গেছে, সরকারের চলমান গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রম জোরদার করতে গত ১১ জানুয়ারি বিভাগীয় কমিশনার সমাজসেবা অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে মাঠপর্যায়ে দ্রুত উঠান বৈঠক ও জনসচেতনতামূলক সভা আয়োজনের নির্দেশ দেন। ওই নির্দেশনার আলোকে ১২ জানুয়ারি আমতলী উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উদ্যোগে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী।
আমতলী উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মানজুরুল হক কাওছার একই সঙ্গে তালতলী উপজেলার অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকলেও ওইদিন আমতলীতে আয়োজিত সভায় অংশ নেওয়ায় তালতলী কার্যালয়ে উপস্থিত থাকতে পারেননি। এরই পরিপ্রেক্ষিতে তাকে তালতলী উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে অনুপস্থিত দেখিয়ে ১৩ জানুয়ারি শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, ১২ জানুয়ারির ওই গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ সভার ছবি ও তথ্য বরগুনা জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের অফিসিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ‘ডিএসএস বরগুনা এ টু জেট’-এ প্রকাশ করা হয়। এরপরও শোকজ নোটিশ জারির ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অনেকের ধারণা, গণভোটে জনসাধারণকে উদ্বুদ্ধ করার কারণেই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে শাস্তির মুখে পড়তে হয়েছে।
এ বিষয়ে বরগুনা জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘সরকার গণভোটের প্রচার করতে বলেছে— এর মানে এই নয় যে সেদিন অফিস করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ এমন কোনো নির্দেশ দেয়নি। সপ্তাহে একদিন অফিসে যাওয়ার কথা থাকলেও ওই দিন গণভোট করতে হবে— এ ধরনের আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়।”
অন্যদিকে আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী বলেন, ‘১২ জানুয়ারি উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে গণভোট বিষয়ে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং আমি নিজেও সেখানে উপস্থিত ছিলাম। তারপরও ওই কর্মকর্তাকে শোকজ করা হয়েছে— এটি আমার বোধগম্য নয়। জেনে-বুঝে দাপ্তরিক সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত ছিল।’
এদিকে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেছেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ কিছু ব্যক্তি এখনও সরকারি দপ্তরে প্রভাবশালী অবস্থানে রয়েছেন। তাদেরই একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করতে সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মানজুরুল হক কাওছারকে শোকজ করেছে বলে দাবি তাদের।
এ ছাড়া তারা অবিলম্বে এই শোকজ আদেশ প্রত্যাহার করে বিভাগীয় নির্দেশ বাস্তবায়নের জন্য মাঠপর্যায়ে গণভোটের প্রচার ও ভোটাদের উদ্বুদ্ধকরণের সুযোগ করে দেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রমে অংশ নিতে গিয়ে নির্ধারিত কর্মদিবসে অফিসে অনুপস্থিত থাকায় বরগুনার তালতলী উপজেলার অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মানজুরুল হক কাওছারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে।
তবে গণভোটের প্রচারে সক্রিয় ভূমিকা রাখার কারণেই তাকে শোকজ করা হয়েছে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা। গত ১৩ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) বরগুনা জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. শহিদুল ইসলাম এ শোকজ নোটিশ জারি করেন।
জানা গেছে, সরকারের চলমান গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রম জোরদার করতে গত ১১ জানুয়ারি বিভাগীয় কমিশনার সমাজসেবা অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে মাঠপর্যায়ে দ্রুত উঠান বৈঠক ও জনসচেতনতামূলক সভা আয়োজনের নির্দেশ দেন। ওই নির্দেশনার আলোকে ১২ জানুয়ারি আমতলী উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উদ্যোগে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী।
আমতলী উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মানজুরুল হক কাওছার একই সঙ্গে তালতলী উপজেলার অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকলেও ওইদিন আমতলীতে আয়োজিত সভায় অংশ নেওয়ায় তালতলী কার্যালয়ে উপস্থিত থাকতে পারেননি। এরই পরিপ্রেক্ষিতে তাকে তালতলী উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে অনুপস্থিত দেখিয়ে ১৩ জানুয়ারি শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, ১২ জানুয়ারির ওই গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ সভার ছবি ও তথ্য বরগুনা জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের অফিসিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ‘ডিএসএস বরগুনা এ টু জেট’-এ প্রকাশ করা হয়। এরপরও শোকজ নোটিশ জারির ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অনেকের ধারণা, গণভোটে জনসাধারণকে উদ্বুদ্ধ করার কারণেই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে শাস্তির মুখে পড়তে হয়েছে।
এ বিষয়ে বরগুনা জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘সরকার গণভোটের প্রচার করতে বলেছে— এর মানে এই নয় যে সেদিন অফিস করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ এমন কোনো নির্দেশ দেয়নি। সপ্তাহে একদিন অফিসে যাওয়ার কথা থাকলেও ওই দিন গণভোট করতে হবে— এ ধরনের আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়।”
অন্যদিকে আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী বলেন, ‘১২ জানুয়ারি উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে গণভোট বিষয়ে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং আমি নিজেও সেখানে উপস্থিত ছিলাম। তারপরও ওই কর্মকর্তাকে শোকজ করা হয়েছে— এটি আমার বোধগম্য নয়। জেনে-বুঝে দাপ্তরিক সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত ছিল।’
এদিকে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেছেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ কিছু ব্যক্তি এখনও সরকারি দপ্তরে প্রভাবশালী অবস্থানে রয়েছেন। তাদেরই একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করতে সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মানজুরুল হক কাওছারকে শোকজ করেছে বলে দাবি তাদের।
এ ছাড়া তারা অবিলম্বে এই শোকজ আদেশ প্রত্যাহার করে বিভাগীয় নির্দেশ বাস্তবায়নের জন্য মাঠপর্যায়ে গণভোটের প্রচার ও ভোটাদের উদ্বুদ্ধকরণের সুযোগ করে দেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন।

ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশের মানুষ যথেষ্ট সচেতন। দেশের কল্যাণে যা প্রয়োজন, সে সিদ্ধান্ত তারাই নেবে। যেসব ক্ষেত্রে সংস্কার দরকার, সেগুলো করা হবে। দেশের মঙ্গলের জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে হবে।
৮ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে ঐতিহ্যবাহী শতবর্ষী চৌদ্দমাদল মেলার অনুমতি দেয়নি জেলা প্রশাসন। ফলে দীর্ঘদিনের এই লোকজ ও ধর্মীয় উৎসব এবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে না।
৯ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল পৌনে ৮টার দিকে উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরের একটি ছয়তলা আবাসিক ভবনের দ্বিতীয় তলায় আগুন লাগে। মুহূর্তেই ভবনটি ঘন কালো ধোঁয়ায় ছেয়ে যায়। ধোঁয়ার কারণে ভেতরে আটকে পড়া বাসিন্দারা বের হতে না পারায় হতাহতের ঘটনা ঘটে।
৯ ঘণ্টা আগে
ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে