
রাজশাহী ব্যুরো

জাতীয় নাগরিক কমিটি (এনসিপি)-এর আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, সংস্কারের বিপক্ষে দাঁড়ানো বা ইতিহাসে দায়ভার রয়েছে এমন রাজনৈতিক দলের সাথে এনসিপির কোনো জোট হওয়ার সম্ভাবনা নেই। আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজশাহী পর্যটন মোটেল প্রাঙ্গণে এনসিপির বিভাগীয় প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণকালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
নাহিদ বলেন, “আমরা এখন পর্যন্ত কোনো জোটে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেই। যদি সিদ্ধান্ত নিতে হয়, তা অবশ্যই একটি নীতিগত জায়গা থেকে নেওয়া হবে। যদি কোনো রাজনৈতিক শক্তি সংস্কারের বিপক্ষে দাঁড়ায়, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের নতুন আকাঙ্ক্ষার বিরুদ্ধে যায়, অথবা ইতিহাসে অনেক দায়ভার থাকে—এরকম কোনো শক্তির সঙ্গে জোটের ক্ষেত্রে আমাদের অনেকবার ভাবতে হবে। আমরা একটি নতুন রাজনৈতিক শক্তি; জনগণের প্রত্যাশা আমাদের ওপর অনেক এবং আমরা নিজেদের স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখতে চাই।”
জুলাই সনদ সংক্রান্ত বিষয়ে তিনি বলেন, “জুলাই সনদে স্বাক্ষরের জন্য আমরা অপেক্ষা করছি। আদেশ বাস্তবায়ন হলে গণভোট হবে। গণভোটের মাধ্যমে ড. ইউনুস এই আদেশে স্বাক্ষর করবেন। রাষ্ট্রপতি আদেশে স্বাক্ষর করতে পারবেন না। বিদ্যমান সংবিধানের আলোকে এটি সাংঘর্ষিক হবে। কোনো নোট বা আপসেন্ট থাকলে আমরা স্বাক্ষর করবো না।”
নাহিদ অভিযোগ করে বলেন, ফ্যাসিবাদী শক্তি এবং নির্বাচনকে ঘিরে ষড়যন্ত্র চলছে। “আওয়ামী লীগ ও বৈদেশিক শক্তি নির্বাচন ব্যাহত করার চেষ্টা চালাবে। ১৪ দল আওয়ামী লীগকে পুনঃপ্রতিষ্ঠার প্রয়াস চালাচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, “আগের পদ্ধতিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে না; নির্বাচন হবে ড. ইউনুসের নেতৃত্বে।”
নির্বাচন ও রাজনৈতিক কার্যক্রমে সাপলা প্রতীকের বিষয়েও নাহিদ বলেন, “এনসিপিকে শাপলা প্রতীক দেয়া হচ্ছে না। শাপলা না দেয়ার বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের সেচ্ছাচারিতা; তারা গায়ের জোরে কাজ করছে। যদি রাজনৈতিকভাবে প্রতীক আদায় করতে হয়, তবে তা রাজপথের মাধ্যমে করা হবে।”
এসময় এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মূখ্য সংগঠক সারজিস আলম, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব নাহিদা সারওয়ার নিভা, সিনিয়র যুগ্ম মূখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ, রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান ইমন, রাজশাহী মহানগরীর প্রধান সমন্বয়কারী মোবাশ্বের আলী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় নাগরিক কমিটি (এনসিপি)-এর আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, সংস্কারের বিপক্ষে দাঁড়ানো বা ইতিহাসে দায়ভার রয়েছে এমন রাজনৈতিক দলের সাথে এনসিপির কোনো জোট হওয়ার সম্ভাবনা নেই। আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজশাহী পর্যটন মোটেল প্রাঙ্গণে এনসিপির বিভাগীয় প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণকালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
নাহিদ বলেন, “আমরা এখন পর্যন্ত কোনো জোটে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেই। যদি সিদ্ধান্ত নিতে হয়, তা অবশ্যই একটি নীতিগত জায়গা থেকে নেওয়া হবে। যদি কোনো রাজনৈতিক শক্তি সংস্কারের বিপক্ষে দাঁড়ায়, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের নতুন আকাঙ্ক্ষার বিরুদ্ধে যায়, অথবা ইতিহাসে অনেক দায়ভার থাকে—এরকম কোনো শক্তির সঙ্গে জোটের ক্ষেত্রে আমাদের অনেকবার ভাবতে হবে। আমরা একটি নতুন রাজনৈতিক শক্তি; জনগণের প্রত্যাশা আমাদের ওপর অনেক এবং আমরা নিজেদের স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখতে চাই।”
জুলাই সনদ সংক্রান্ত বিষয়ে তিনি বলেন, “জুলাই সনদে স্বাক্ষরের জন্য আমরা অপেক্ষা করছি। আদেশ বাস্তবায়ন হলে গণভোট হবে। গণভোটের মাধ্যমে ড. ইউনুস এই আদেশে স্বাক্ষর করবেন। রাষ্ট্রপতি আদেশে স্বাক্ষর করতে পারবেন না। বিদ্যমান সংবিধানের আলোকে এটি সাংঘর্ষিক হবে। কোনো নোট বা আপসেন্ট থাকলে আমরা স্বাক্ষর করবো না।”
নাহিদ অভিযোগ করে বলেন, ফ্যাসিবাদী শক্তি এবং নির্বাচনকে ঘিরে ষড়যন্ত্র চলছে। “আওয়ামী লীগ ও বৈদেশিক শক্তি নির্বাচন ব্যাহত করার চেষ্টা চালাবে। ১৪ দল আওয়ামী লীগকে পুনঃপ্রতিষ্ঠার প্রয়াস চালাচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, “আগের পদ্ধতিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে না; নির্বাচন হবে ড. ইউনুসের নেতৃত্বে।”
নির্বাচন ও রাজনৈতিক কার্যক্রমে সাপলা প্রতীকের বিষয়েও নাহিদ বলেন, “এনসিপিকে শাপলা প্রতীক দেয়া হচ্ছে না। শাপলা না দেয়ার বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের সেচ্ছাচারিতা; তারা গায়ের জোরে কাজ করছে। যদি রাজনৈতিকভাবে প্রতীক আদায় করতে হয়, তবে তা রাজপথের মাধ্যমে করা হবে।”
এসময় এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মূখ্য সংগঠক সারজিস আলম, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব নাহিদা সারওয়ার নিভা, সিনিয়র যুগ্ম মূখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ, রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান ইমন, রাজশাহী মহানগরীর প্রধান সমন্বয়কারী মোবাশ্বের আলী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও বর্ণিল আয়োজনের মধ্য দিয়ে গতকাল মঙ্গলবার পহেলা বৈশাখ-১৪৩৩ উদযাপিত হয়েছে। পুরোনো বছরকে বিদায় দিয়ে নতুন বছরকে বরণ করে নিতে দিনটিকে স্বাগত জানায় রাজশাহীবাসী।
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) ভোর ৪টার দিকে যাত্রাবাড়ীর কাজলার কাজলা ভাঙ্গাপ্রেস এলাকার একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত দিয়া শেখ বোরহানুদ্দীন পোস্ট গ্রাজুয়েট কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার বোন জয়া একটি মাদ্রাসার এবং ছোট ভাই মোয়াজ স্কুলশিক্ষার্থী।
২ দিন আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চাল নিয়ে দিনাজপুর থেকে নোয়াখালী যাচ্ছিল একটি ট্রাক (ঢাকা মেট্রো-ট-১৩-১২০৯)। পথে হাসানপুরের ওই এলাকায় সেটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। এ সময় ট্রাকের ওপরে থাকা ১৩ জন ট্রাকের নিচে চাপা পড়েন।
২ দিন আগে
কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) ফয়সাল মাহমুদ মামলার তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নিহতের বড় ভাই মামলাটি করেছেন। রাত সাড়ে ১১টার দিকে মামলার এজাহার গ্রহণ করেছে পুলিশ।
২ দিন আগে