
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের আনোয়ারার পরৈকোড়া ইউনিয়নে এনি বড়ুয়া ও তার মেয়ে প্রিয়ন্তী বড়ুয়াকে হত্যা মামলায় এক প্রতিবেশীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তার প্রতিবেশীর নাম তেজ বড়ুয়া (৩২)। তিনি পরৈকোড়া ইউনিয়নের চেনামতি এলাকার বেশান্ত বড়ুয়ার ছেলে।
গতকাল রোববার (১৪ জুন) দিবাগত রাত ১২টার দিকে তাকে পার্শ্ববর্তী পটিয়া উপজেলা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। মা-মেয়েকে খুনের ঘটনায় হওয়া মামলার প্রধান আসামি তিনি।
তেজ বড়ুয়াকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি ও শিল্পাঞ্চল) মো. রাসেল নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আনোয়ারা থানা ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের যৌথ অভিযানে তেজ বড়ুয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এর আগে গত শনিবার রাতে নিজ বাড়ি থেকে এনি বড়ুয়া ও তার মেয়ে প্রিয়ন্তী বড়ুয়ার রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার হয়। তাদের কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ। একই সময়ে এনি বড়ুয়ার পাঁচ বছর বয়সী এক শিশুসন্তানকেও কুপিয়ে জখম করা হয়।
নিহত এনির পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শনিবার দিবাগত রাত ১২টার সময় প্রতিবেশীরা এনি বড়ুয়ার ঘরে চিৎকার শুনে এগিয়ে যান। ওই সময় ঘরের দরজায় এনি বড়ুয়া রক্তাক্ত অবস্থায় ছটফট করছিলেন। একই সময়ে ঘরের ভেতরে প্রিয়ন্তী বড়ুয়ার রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে ছিল। লোকজন এনিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিতে চাইলে তিনি কথা বলতে বলতে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
এ ঘটনায় রাতে আনোয়ারা থানায় মামলা করেন এনি বড়ুয়ার স্বামী সুজন বড়ুয়া। মামলায় তেজ বড়ুয়াকে প্রধান আসামি করা হয়। এ ছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় দু-তিনজনকে আসামি করা হয়। সুজন বড়ুয়া বলেন, ‘প্রধান আসামি গ্রেপ্তার হওয়ায় বিচারের পথ সুগম হলো।’ তিনি নিজের স্ত্রী ও মেয়ে হত্যাকাণ্ডের কঠিন শাস্তি দাবি করেন।

চট্টগ্রামের আনোয়ারার পরৈকোড়া ইউনিয়নে এনি বড়ুয়া ও তার মেয়ে প্রিয়ন্তী বড়ুয়াকে হত্যা মামলায় এক প্রতিবেশীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তার প্রতিবেশীর নাম তেজ বড়ুয়া (৩২)। তিনি পরৈকোড়া ইউনিয়নের চেনামতি এলাকার বেশান্ত বড়ুয়ার ছেলে।
গতকাল রোববার (১৪ জুন) দিবাগত রাত ১২টার দিকে তাকে পার্শ্ববর্তী পটিয়া উপজেলা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। মা-মেয়েকে খুনের ঘটনায় হওয়া মামলার প্রধান আসামি তিনি।
তেজ বড়ুয়াকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি ও শিল্পাঞ্চল) মো. রাসেল নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আনোয়ারা থানা ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের যৌথ অভিযানে তেজ বড়ুয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এর আগে গত শনিবার রাতে নিজ বাড়ি থেকে এনি বড়ুয়া ও তার মেয়ে প্রিয়ন্তী বড়ুয়ার রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার হয়। তাদের কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ। একই সময়ে এনি বড়ুয়ার পাঁচ বছর বয়সী এক শিশুসন্তানকেও কুপিয়ে জখম করা হয়।
নিহত এনির পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শনিবার দিবাগত রাত ১২টার সময় প্রতিবেশীরা এনি বড়ুয়ার ঘরে চিৎকার শুনে এগিয়ে যান। ওই সময় ঘরের দরজায় এনি বড়ুয়া রক্তাক্ত অবস্থায় ছটফট করছিলেন। একই সময়ে ঘরের ভেতরে প্রিয়ন্তী বড়ুয়ার রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে ছিল। লোকজন এনিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিতে চাইলে তিনি কথা বলতে বলতে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
এ ঘটনায় রাতে আনোয়ারা থানায় মামলা করেন এনি বড়ুয়ার স্বামী সুজন বড়ুয়া। মামলায় তেজ বড়ুয়াকে প্রধান আসামি করা হয়। এ ছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় দু-তিনজনকে আসামি করা হয়। সুজন বড়ুয়া বলেন, ‘প্রধান আসামি গ্রেপ্তার হওয়ায় বিচারের পথ সুগম হলো।’ তিনি নিজের স্ত্রী ও মেয়ে হত্যাকাণ্ডের কঠিন শাস্তি দাবি করেন।

স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার ভোরে শামসুল হুদা মাছ ধরার উদ্দেশ্যে নিজ গ্রামের পাশের মোড়াইল বিলে যান। সকাল সাড়ে ৬টার দিকে হঠাৎ বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
২ দিন আগে
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে বগুড়ায় শহীদ জিয়াউর রহমান শিশু হাসপাতালের বহির্বিভাগ ও আন্তঃবিভাগের সেবা কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
২ দিন আগে