
রাজশাহী ব্যুরো

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে রাজশাহীতে জাতীয় পার্টির এক প্রার্থীর নির্বাচনি প্রতীক বরাদ্দের সময় প্রতিবাদ জানিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন রাজশাহী জেলার সাবেক সমন্বয়ক মো. নাহিদুল ইসলাম সাজু।
আজ বুধবার সকাল ১০টা ৫০ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা ২০ মিনিট পর্যন্ত রাজশাহী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠানে রাজশাহী-৩ (পবা–মোহনপুর) আসনের জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী মো. আফজাল হোসেনের প্রতীক বরাদ্দের সময় তিনি এ প্রতিবাদ জানান।
এ সময় নাহিদুল ইসলাম সাজু বলেন, রাজশাহীতে যদি বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সহযোগী বা দোসরদের নির্বাচনি প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়, তবে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ঘেরাও করা হবে এবং রাজশাহীতে কোনো জাতীয় নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না।
প্রতিবাদের জবাবে জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আফিয়া আখতার তাকে লিখিত অভিযোগ দাখিলের পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, অভিযোগ নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হবে এবং কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এরপর জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনার বরাবর একটি স্মারকলিপি দেন নাহিদুল ইসলাম সাজু।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, আসন্ন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সহযোগী জাতীয় পার্টিসহ তৎকালীন স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তি ও গোষ্ঠী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন এবং তাদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। এসব ব্যক্তি ও দল অতীতে গণতন্ত্র ধ্বংস, ভোটাধিকার হরণ, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং অবৈধ ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ভূমিকা রেখেছে।
গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে স্বৈরাচার ও তাদের সহযোগীদের রাজনৈতিকভাবে প্রত্যাখ্যান করা জরুরি বলেও স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়।
স্মারকলিপিতে তিন দফা দাবি জানানো হয়। দাবিগুলো হলো—আওয়ামী লীগের সহযোগী জাতীয় পার্টিসহ তৎকালীন স্বৈরাচারী শাসনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তি ও দলের মনোনয়নপত্র ও প্রতীক বরাদ্দ অবিলম্বে বাতিল করা; অতীতে অবৈধ নির্বাচন, ভোট কারচুপি ও দমন-পীড়নের সঙ্গে যুক্ত প্রার্থীদের প্রার্থিতা যাচাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ ও নির্বাচনকে প্রভাবমুক্ত ও গ্রহণযোগ্য করতে নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষ ও সাহসী ভূমিকা নিশ্চিত করা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে রাজশাহীতে জাতীয় পার্টির এক প্রার্থীর নির্বাচনি প্রতীক বরাদ্দের সময় প্রতিবাদ জানিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন রাজশাহী জেলার সাবেক সমন্বয়ক মো. নাহিদুল ইসলাম সাজু।
আজ বুধবার সকাল ১০টা ৫০ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা ২০ মিনিট পর্যন্ত রাজশাহী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠানে রাজশাহী-৩ (পবা–মোহনপুর) আসনের জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী মো. আফজাল হোসেনের প্রতীক বরাদ্দের সময় তিনি এ প্রতিবাদ জানান।
এ সময় নাহিদুল ইসলাম সাজু বলেন, রাজশাহীতে যদি বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সহযোগী বা দোসরদের নির্বাচনি প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়, তবে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ঘেরাও করা হবে এবং রাজশাহীতে কোনো জাতীয় নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না।
প্রতিবাদের জবাবে জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আফিয়া আখতার তাকে লিখিত অভিযোগ দাখিলের পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, অভিযোগ নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হবে এবং কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এরপর জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনার বরাবর একটি স্মারকলিপি দেন নাহিদুল ইসলাম সাজু।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, আসন্ন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সহযোগী জাতীয় পার্টিসহ তৎকালীন স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তি ও গোষ্ঠী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন এবং তাদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। এসব ব্যক্তি ও দল অতীতে গণতন্ত্র ধ্বংস, ভোটাধিকার হরণ, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং অবৈধ ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ভূমিকা রেখেছে।
গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে স্বৈরাচার ও তাদের সহযোগীদের রাজনৈতিকভাবে প্রত্যাখ্যান করা জরুরি বলেও স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়।
স্মারকলিপিতে তিন দফা দাবি জানানো হয়। দাবিগুলো হলো—আওয়ামী লীগের সহযোগী জাতীয় পার্টিসহ তৎকালীন স্বৈরাচারী শাসনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তি ও দলের মনোনয়নপত্র ও প্রতীক বরাদ্দ অবিলম্বে বাতিল করা; অতীতে অবৈধ নির্বাচন, ভোট কারচুপি ও দমন-পীড়নের সঙ্গে যুক্ত প্রার্থীদের প্রার্থিতা যাচাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ ও নির্বাচনকে প্রভাবমুক্ত ও গ্রহণযোগ্য করতে নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষ ও সাহসী ভূমিকা নিশ্চিত করা।

বোর্ড নির্ধারিত ফি দুই হাজার ৪৩৫ টাকা এবং বকেয়া বেতন পরিশোধ করে ফরম পূরণ করতে চাইলেও কলেজ কর্তৃপক্ষ ছাত্রীদের কাছে কলেজ উন্নয়ন ফি ও বিবিধ ফির নামে অতিরিক্ত এক হাজার ৮৫০ টাকা দাবি করে।
২০ ঘণ্টা আগে
নেত্রকোনা জেলা শহরের ছোট বাজার এলাকায় শহীদ তিতাস সড়কে অবস্থিত জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের একটি ব্যানার টাঙানো হয়েছে। তবে এটি টাঙানোর সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
১ দিন আগে
দগ্ধরা হলেন— রুবেল (৩০), তার স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা সোনিয়া আক্তার (২৫), মেয়ে রোজা (৩), সোনিয়ার বড় বোন রিয়া (২৭), রুবেলের চাচাতো ভাই এনায়েত (৩২), তার স্ত্রী দেলেরা (২৮), ছেলে জুনায়েদ (১০), এনায়েতের ছোট ভাই হাবিব (৩০), এনায়েতে ভাগনি আয়েশা (১৯) ও আবুল কালাম রুবেল (৩৫)।
১ দিন আগে
গাজীপুর মহানগরের পূর্ব ধীরাশ্রম এলাকা থেকে ‘সুশাসনের জন্য নাগরিকে’র (সুজন) গাজীপুর জেলা শাখার সহসভাপতি মো. কামরুজ্জামান মোল্লার (৬৫) হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। দুর্বৃত্তরা তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেছে বলে জানা গেছে।
২ দিন আগে