
কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লা শহরের শাসনগাছা বাসটার্মিনাল ইজারার নামে এখতিয়ারবহির্ভূতভাবে সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) সড়ক ইজারা দিয়ে টোল আদায় করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে কুমিল্লা জেলা পরিষদের বিরুদ্ধে। ওই সড়কে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা থেকে জোরপূর্বক ১০ টাকা করে টোল আদায় করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। এতে একদিকে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে, অন্যদিকে অটোরিকশার ভাড়া বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের যাতায়াত ব্যয়ও বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও যাত্রীরা।
এ বিষয়ে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ‘কুমিল্লার কাগজে’র ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে একটি ভিডিও প্রতিবেদন প্রচার হলে বিষয়টি নজরে আসে জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসানের। তিনি এ বিষয়ে দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাবেয়া আসফার সায়মাকে নির্দেশ দিয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবছর শাসনগাছা বাসটার্মিনাল দরপত্রের মাধ্যমে ইজারা দেওয়া হয়। গত বছরের ৩০ জুন থেকে চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত এক বছরের জন্য ৩৫ লাখ ৬৪ হাজার ৮৬৪ টাকায় মৃত রেশত আলীর ছেলে মো. কামাল উদ্দিনকে টার্মিনালটি ইজারা দেওয়া হয়। চুক্তিপত্র অনুযায়ী, জেলা পরিষদের মালিকানাধীন টার্মিনালের ভেতরে চলাচলকারী বাস ও মিনিবাস থেকে প্রতি ট্রিপে ২০ থেকে ৩০ টাকা এবং সিএনজি চালিত অটোরিকশা থেকে ১৫ টাকা আদায়ের শর্ত রয়েছে। পাশাপাশি নির্ধারিত চৌহদ্দির মধ্যে বিভিন্ন যানবাহন থেকে টোল আদায়ের কথা উল্লেখ রয়েছে।
তবে অভিযোগ উঠেছে, চুক্তিপত্রে যেসব সড়ককে চৌহদ্দির মধ্যে দেখানো হয়েছে, সেগুলো জেলা পরিষদের অধীন নয়; বরং সড়ক ও জনপথ বিভাগের আওতাধীন। শুধুমাত্র বাসটার্মিনালের ভূমি জেলা পরিষদের মালিকানাধীন। অথচ ইজারাদার ওই চৌহদ্দির অজুহাতে সড়ক ও জনপথ বিভাগের সড়কে ছাপা রশিদ দিয়ে জোরপূর্বক টোল আদায় করছেন। এমনকি চৌহদ্দির বাইরেও শাসনগাছা রেলগেইট এলাকায় ৪-৫ জন মিলে অটোরিকশা থামিয়ে ১০ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে ওই এলাকায় প্রায়ই যানজট তৈরি হচ্ছে এবং যাত্রীদের গুনতে হচ্ছে বাড়তি ভাড়া।
সূত্র জানায়, জেলা পরিষদ থেকে মৌখিকভাবে কেবল বাসটার্মিনালের ভেতরে টোল আদায়ের নির্দেশ থাকলেও ইজারাদার লোকসানের অজুহাতে সড়ক থেকেও টোল আদায় করছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যবস্থা নিতে গেলে চুক্তিপত্রে উল্লেখিত চৌহদ্দির কথা তুলে ধরা হলেও ওই সড়কে জেলা পরিষদের টোল আদায়ের ক্ষমতা আছে কি না— তা খতিয়ে দেখা হয় না।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে টার্মিনালের ইজারাদার মো. কামাল হোসেন বলেন, চুক্তিপত্রে নির্ধারিত চৌহদ্দি অনুযায়ীই তিনি টোল আদায় করছেন। চৌহদ্দির বাইরে কেউ টোল তুললে তা ভুল করে তুলেছেন।
অটোরিকশা চালক গাজীউল হক বলেন, প্রতিদিন একই সড়কে চলাচল করতে গিয়ে অতিরিক্ত টাকা দিতে হচ্ছে। এতে ভাড়া বাড়ানোর চাপ তৈরি হচ্ছে, যার প্রভাব পড়ছে সাধারণ যাত্রীদের ওপর। এ ছাড়া দ্রুত তদন্ত করে অবৈধ ইজারা বাতিল এবং জোরপূর্বক টোল আদায় বন্ধের দাবি জানিয়েছেন যাত্রী এবং স্থানীয়রা।
কুমিল্লা জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাবেয়া আসফার সায়মা বলেন, বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসক তদন্ত প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিয়েছেন। জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে বিস্তারিত যাচাই করে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। এরপর জেলা প্রশাসক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।

কুমিল্লা শহরের শাসনগাছা বাসটার্মিনাল ইজারার নামে এখতিয়ারবহির্ভূতভাবে সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) সড়ক ইজারা দিয়ে টোল আদায় করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে কুমিল্লা জেলা পরিষদের বিরুদ্ধে। ওই সড়কে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা থেকে জোরপূর্বক ১০ টাকা করে টোল আদায় করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। এতে একদিকে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে, অন্যদিকে অটোরিকশার ভাড়া বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের যাতায়াত ব্যয়ও বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও যাত্রীরা।
এ বিষয়ে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ‘কুমিল্লার কাগজে’র ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে একটি ভিডিও প্রতিবেদন প্রচার হলে বিষয়টি নজরে আসে জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসানের। তিনি এ বিষয়ে দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাবেয়া আসফার সায়মাকে নির্দেশ দিয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবছর শাসনগাছা বাসটার্মিনাল দরপত্রের মাধ্যমে ইজারা দেওয়া হয়। গত বছরের ৩০ জুন থেকে চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত এক বছরের জন্য ৩৫ লাখ ৬৪ হাজার ৮৬৪ টাকায় মৃত রেশত আলীর ছেলে মো. কামাল উদ্দিনকে টার্মিনালটি ইজারা দেওয়া হয়। চুক্তিপত্র অনুযায়ী, জেলা পরিষদের মালিকানাধীন টার্মিনালের ভেতরে চলাচলকারী বাস ও মিনিবাস থেকে প্রতি ট্রিপে ২০ থেকে ৩০ টাকা এবং সিএনজি চালিত অটোরিকশা থেকে ১৫ টাকা আদায়ের শর্ত রয়েছে। পাশাপাশি নির্ধারিত চৌহদ্দির মধ্যে বিভিন্ন যানবাহন থেকে টোল আদায়ের কথা উল্লেখ রয়েছে।
তবে অভিযোগ উঠেছে, চুক্তিপত্রে যেসব সড়ককে চৌহদ্দির মধ্যে দেখানো হয়েছে, সেগুলো জেলা পরিষদের অধীন নয়; বরং সড়ক ও জনপথ বিভাগের আওতাধীন। শুধুমাত্র বাসটার্মিনালের ভূমি জেলা পরিষদের মালিকানাধীন। অথচ ইজারাদার ওই চৌহদ্দির অজুহাতে সড়ক ও জনপথ বিভাগের সড়কে ছাপা রশিদ দিয়ে জোরপূর্বক টোল আদায় করছেন। এমনকি চৌহদ্দির বাইরেও শাসনগাছা রেলগেইট এলাকায় ৪-৫ জন মিলে অটোরিকশা থামিয়ে ১০ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে ওই এলাকায় প্রায়ই যানজট তৈরি হচ্ছে এবং যাত্রীদের গুনতে হচ্ছে বাড়তি ভাড়া।
সূত্র জানায়, জেলা পরিষদ থেকে মৌখিকভাবে কেবল বাসটার্মিনালের ভেতরে টোল আদায়ের নির্দেশ থাকলেও ইজারাদার লোকসানের অজুহাতে সড়ক থেকেও টোল আদায় করছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যবস্থা নিতে গেলে চুক্তিপত্রে উল্লেখিত চৌহদ্দির কথা তুলে ধরা হলেও ওই সড়কে জেলা পরিষদের টোল আদায়ের ক্ষমতা আছে কি না— তা খতিয়ে দেখা হয় না।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে টার্মিনালের ইজারাদার মো. কামাল হোসেন বলেন, চুক্তিপত্রে নির্ধারিত চৌহদ্দি অনুযায়ীই তিনি টোল আদায় করছেন। চৌহদ্দির বাইরে কেউ টোল তুললে তা ভুল করে তুলেছেন।
অটোরিকশা চালক গাজীউল হক বলেন, প্রতিদিন একই সড়কে চলাচল করতে গিয়ে অতিরিক্ত টাকা দিতে হচ্ছে। এতে ভাড়া বাড়ানোর চাপ তৈরি হচ্ছে, যার প্রভাব পড়ছে সাধারণ যাত্রীদের ওপর। এ ছাড়া দ্রুত তদন্ত করে অবৈধ ইজারা বাতিল এবং জোরপূর্বক টোল আদায় বন্ধের দাবি জানিয়েছেন যাত্রী এবং স্থানীয়রা।
কুমিল্লা জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাবেয়া আসফার সায়মা বলেন, বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসক তদন্ত প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিয়েছেন। জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে বিস্তারিত যাচাই করে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। এরপর জেলা প্রশাসক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কেন আমাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে? আমরা হবিগঞ্জে যেতে চাই। সেখানে গিয়ে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব।’
১ দিন আগে
জব্দ করা দুটি ট্রলার রাজীবপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াদুদ জামান মানিক ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন এবং উচাখিলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাদীউল বাশার সুমনের জিম্মায় দিয়েছিল প্রশাসন। ট্রলারে ছিলেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার এএসআই জীবন চন্দ্র বৈশ্য, কনস্টেবল বিমল চন্দ্র পাল এবং গ্রাম পুলিশ উজ্জ্বল ও
১ দিন আগে
একপর্যায়ে হাসনাত বলেন, তিনি নিজেসহ আরও দুই সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম ও মাহমুদা মিতু (সংরক্ষিত আসনে) এবং এনসিপির দুজন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য কেবল মামলা করতে যাবেন। প্রয়োজনে তারা গাড়ির চালককেও নেবেন না। পুলিশ চালক দিলে তাকে নিয়েই যাবেন তারা। তবে পুলিশ সে প্রস্তাবও মানেনি। পরে এনসিপি নেতারা ব্যারিক
১ দিন আগে
বুধবার (২২ জুলাই) পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদী হিসেবে মামলাটি দায়ের করেন ওই বিধবা। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার রেকর্ড করে আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
২ দিন আগে