
নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনায় একটি যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় থাকা মা-মেয়েসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। একই দুর্ঘটনায় নিহত দুই মেয়ের বাবা গুরুতর আহত হয়েছেন। ওই অটোরিকশার চালকসহ আহত হন আরও চারজন।
রোববার (৩১ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নেত্রকোনা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের চল্লিশা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— নূরজাহান (৪৫) এবং তার দুই মেউএ স্মৃতি আক্তার (১৫) ও ইতি আক্তার (১০)। তাদের বাড়ি নেত্রকোনা সদর উপজেলার রৌহা ইউনিয়নের আমলি কেশবপুর গ্রামে।
দুর্ঘটনায় নুরজাহানের স্বামী আইনল হক (৫৫) গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া আহত হৃদয় (৪০) ও মুস্তাকিম (২৮) নেত্রকোনা জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আহত বাকি দুজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ময়মনসিংহ থেকে নেত্রকোনার দিকে আসা একটি বাস চল্লিশা বাইপাস মোড়ে পৌঁছালে একটি অটোরিকশাকে সরাসরি ধাক্কা দেয়। এতে দুর্ঘটনাস্থলেই এক মেয়ের মৃত্যু হয়। আরেক মেয়ে ও মাকে নেত্রকোনা জেলা সদর হাসপাতাল নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ সময় নূরজাহানের স্বামী আইনুল হকসহ গুরুতর আহতদের প্রথমে নেত্রকোনা জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে শারীরিক অবস্থা ল্র অবনতি ঘটলে আইনুলকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা) হাফিজুল ইসলাম দুর্ঘটনা ও হতাহতের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নেত্রকোনা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল মামুন সরকার জানান, নিহতদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এদিকে দুর্ঘটনার পর উত্তেজিত জনতা রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করে। খবর পেয়ে নেত্রকোনা সদরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল বাকিউল বারি ও মডেল থানার ওসি আল মামুন সরকার সেখানে যান। তারা দুর্ঘটনাস্থলের সড়কে স্পিডব্রেকারসহ গোল চত্বর নির্মাণের আশ্বাস দিলে স্থানীয়রা অবরোধ তুলে নেয়। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নেত্রকোনায় একটি যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় থাকা মা-মেয়েসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। একই দুর্ঘটনায় নিহত দুই মেয়ের বাবা গুরুতর আহত হয়েছেন। ওই অটোরিকশার চালকসহ আহত হন আরও চারজন।
রোববার (৩১ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নেত্রকোনা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের চল্লিশা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— নূরজাহান (৪৫) এবং তার দুই মেউএ স্মৃতি আক্তার (১৫) ও ইতি আক্তার (১০)। তাদের বাড়ি নেত্রকোনা সদর উপজেলার রৌহা ইউনিয়নের আমলি কেশবপুর গ্রামে।
দুর্ঘটনায় নুরজাহানের স্বামী আইনল হক (৫৫) গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া আহত হৃদয় (৪০) ও মুস্তাকিম (২৮) নেত্রকোনা জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আহত বাকি দুজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ময়মনসিংহ থেকে নেত্রকোনার দিকে আসা একটি বাস চল্লিশা বাইপাস মোড়ে পৌঁছালে একটি অটোরিকশাকে সরাসরি ধাক্কা দেয়। এতে দুর্ঘটনাস্থলেই এক মেয়ের মৃত্যু হয়। আরেক মেয়ে ও মাকে নেত্রকোনা জেলা সদর হাসপাতাল নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ সময় নূরজাহানের স্বামী আইনুল হকসহ গুরুতর আহতদের প্রথমে নেত্রকোনা জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে শারীরিক অবস্থা ল্র অবনতি ঘটলে আইনুলকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা) হাফিজুল ইসলাম দুর্ঘটনা ও হতাহতের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নেত্রকোনা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল মামুন সরকার জানান, নিহতদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এদিকে দুর্ঘটনার পর উত্তেজিত জনতা রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করে। খবর পেয়ে নেত্রকোনা সদরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল বাকিউল বারি ও মডেল থানার ওসি আল মামুন সরকার সেখানে যান। তারা দুর্ঘটনাস্থলের সড়কে স্পিডব্রেকারসহ গোল চত্বর নির্মাণের আশ্বাস দিলে স্থানীয়রা অবরোধ তুলে নেয়। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নিহতরা হলেন, উপজেলার নয়ালাভাঙ্গা ইউনিয়নের সাবেক লাভাঙ্গা ফুদকিটোলা গ্রামের জালাল উদ্দিনের ছেলে সাফি (১৪) এবং কামাল উদ্দিনের ছেলে জুবায়ের (১৪)। দুজনেই অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। সাফি রানিহাটি উচ্চ বিদ্যালয়ে এবং জুবায়ের দিনাজপুরের একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ছিল।
১৮ ঘণ্টা আগে
সিলেটের ওসমানীনগরে মহাসড়কে দাঁড়িয়ে থাকা একটি যাত্রীবাহী বাসকে পেছন থেকে আরেকটি বাস ধাক্কা দিলে দুর্ঘটনাস্থলেই প্রথম বাসের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন।
২১ ঘণ্টা আগে
মানিকগঞ্জ সদর উপজেলায় শতাধিক মানুষ সংঘবদ্ধ হামলা চালিয়ে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নিহত মো. সজিব মিয়া (২৯) উত্তর পুটাইল গ্রামের মুনসের আলীর ছেলে।
১ দিন আগে
মানিকগঞ্জের দৌলতপুরে হাতুড়ি-দা দিয়ে কুপিয়ে ভাবি ও ভাতিজাকে হত্যার পর বড় ভাইকেও গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে ইউসুফ নামে এক তরুণের বিরুদ্ধে। গতকাল শনিবার রাতে ১০টার দিকে উপজেলায় বাঁচামারা ইউনিয়নের কাচারীপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন দৌলতপুর থানার ওসি স্বপন কুমার সরকার।
১ দিন আগে