
কুমিল্লা প্রতিনিধি

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে যাত্রীবাহী বাসচাপায় বিল্লাল হোসেন (৪৮) নামের হাসপাতালের নিরাপত্তাকর্মী নিহত হয়েছেন। তিনি হাজীগঞ্জ বাজারের ডক্টরস সিটি স্ক্যান হাসপাতালের নিরাপত্তাকর্মী ছিলেন।
আজ রোববার সকাল ৮টার দিকে চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক সড়কের হাজীগঞ্জ টোরাগড় মনির ফিলিং স্টেশনের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত বিল্লাল শাহরাস্তি উপজেলার টামটা উত্তর ইউনিয়নের মুড়াগাঁও গ্রামের ভূঁইয়া বাড়ির সাহেব আলী ভূঁইয়ার ছেলে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সকালে কুমিল্লা থেকে আইদি পরিবহনের যাত্রীবাহী একটি বাস চাঁদপুরের দিকে যাচ্ছিল। বাসটির পেছনে ছিল বোগদাদ পরিবহনের আরেকটি বাস। এ সময় আইদি পরিবহনের বাসটিকে অতিক্রম করতে চেয়েছিল বোগদাদ পরিবহনের বাসটি।
কিন্তু আইদির বাস বোগদাদকে সেই সুযোগ দেয়নি। তখন বোগদাদ বাসটি ভুল পথে (রং সাইডে) ঢুকে পড়ে সড়কের পাশে থাকা বিল্লাল হোসেনকে চাপা দেয়। এতে তিনি মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।
সেন্টু নামের স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, ‘দুই বাসের অসুস্থ প্রতিযোগিতার কারণে অসহায় ও দরিদ্র লোকটির মৃত্যু হয়েছে। এটি তারা ইচ্ছাকৃতভাবে করেছে। ঘটনার পরই বাস দুটি রেখে চালক ও সুপারভাইজার পালিয়ে যান।’
নিহত বিল্লাল হোসেনের চাচা আবদুল মান্নান ভূঁইয়া বলেন, তার তিন সন্তান রয়েছে। বাড়ি থেকে প্রতিদিন হাসপাতালে এসে কাজ করতেন।
হাজীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মান্নান বলেন, দুর্ঘটনায় জড়িত বোগদাদ ও আইদি পরিবহনের বাস দুটি জব্দ করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে যাত্রীবাহী বাসচাপায় বিল্লাল হোসেন (৪৮) নামের হাসপাতালের নিরাপত্তাকর্মী নিহত হয়েছেন। তিনি হাজীগঞ্জ বাজারের ডক্টরস সিটি স্ক্যান হাসপাতালের নিরাপত্তাকর্মী ছিলেন।
আজ রোববার সকাল ৮টার দিকে চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক সড়কের হাজীগঞ্জ টোরাগড় মনির ফিলিং স্টেশনের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত বিল্লাল শাহরাস্তি উপজেলার টামটা উত্তর ইউনিয়নের মুড়াগাঁও গ্রামের ভূঁইয়া বাড়ির সাহেব আলী ভূঁইয়ার ছেলে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সকালে কুমিল্লা থেকে আইদি পরিবহনের যাত্রীবাহী একটি বাস চাঁদপুরের দিকে যাচ্ছিল। বাসটির পেছনে ছিল বোগদাদ পরিবহনের আরেকটি বাস। এ সময় আইদি পরিবহনের বাসটিকে অতিক্রম করতে চেয়েছিল বোগদাদ পরিবহনের বাসটি।
কিন্তু আইদির বাস বোগদাদকে সেই সুযোগ দেয়নি। তখন বোগদাদ বাসটি ভুল পথে (রং সাইডে) ঢুকে পড়ে সড়কের পাশে থাকা বিল্লাল হোসেনকে চাপা দেয়। এতে তিনি মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।
সেন্টু নামের স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, ‘দুই বাসের অসুস্থ প্রতিযোগিতার কারণে অসহায় ও দরিদ্র লোকটির মৃত্যু হয়েছে। এটি তারা ইচ্ছাকৃতভাবে করেছে। ঘটনার পরই বাস দুটি রেখে চালক ও সুপারভাইজার পালিয়ে যান।’
নিহত বিল্লাল হোসেনের চাচা আবদুল মান্নান ভূঁইয়া বলেন, তার তিন সন্তান রয়েছে। বাড়ি থেকে প্রতিদিন হাসপাতালে এসে কাজ করতেন।
হাজীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মান্নান বলেন, দুর্ঘটনায় জড়িত বোগদাদ ও আইদি পরিবহনের বাস দুটি জব্দ করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কেন আমাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে? আমরা হবিগঞ্জে যেতে চাই। সেখানে গিয়ে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব।’
১ দিন আগে
জব্দ করা দুটি ট্রলার রাজীবপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াদুদ জামান মানিক ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন এবং উচাখিলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাদীউল বাশার সুমনের জিম্মায় দিয়েছিল প্রশাসন। ট্রলারে ছিলেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার এএসআই জীবন চন্দ্র বৈশ্য, কনস্টেবল বিমল চন্দ্র পাল এবং গ্রাম পুলিশ উজ্জ্বল ও
১ দিন আগে
একপর্যায়ে হাসনাত বলেন, তিনি নিজেসহ আরও দুই সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম ও মাহমুদা মিতু (সংরক্ষিত আসনে) এবং এনসিপির দুজন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য কেবল মামলা করতে যাবেন। প্রয়োজনে তারা গাড়ির চালককেও নেবেন না। পুলিশ চালক দিলে তাকে নিয়েই যাবেন তারা। তবে পুলিশ সে প্রস্তাবও মানেনি। পরে এনসিপি নেতারা ব্যারিক
১ দিন আগে
বুধবার (২২ জুলাই) পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদী হিসেবে মামলাটি দায়ের করেন ওই বিধবা। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার রেকর্ড করে আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
১ দিন আগে