
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত নতুন অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য জাতিসংঘের দরজা খোলা। সংস্থাটি নতুন সরকারের সঙ্গে তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে বলে জানিয়েছে। বৃহস্পতিবার জাতিসংঘে সাধারণ পরিষদ অধিবেশনের বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন মুখপাত্র মনিকা গ্রেইল।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ অধিবেশনের সভাপতি- জাতিসংঘের স্থায়ী সংবাদদাতা মুশফিকুল ফজল আনসারীর এমন প্রশ্নের জবাবে এ মন্তব্য করেন সংস্থাটির মুখপাত্র মনিকা গ্রেইলের কাছে জানতে চান- ড. ইউনূসকে নিজেদের অংশীদার মনে করে জাতিসংঘ। সেই প্রেক্ষিতে এই সরকারকে কীভাবে দেখছেন?
জবাবে তিনি বলেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ অধিবেশনের সভাপতির দরজা ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের জন্য খোলা। বাংলাদেশের জন্য তিনি (সাধারণ পরিষদ অধিবেশনের সভাপতি) অব্যাহতভাবে কাজ করে যাবেন।
অপর এক প্রশ্নে এই প্রতিবেদক নিয়মিত ব্রিফিংয়ে যোগ দিয়ে জানতে চান, সাবেক স্বৈরাচার শেখ হাসিনার দেখামাত্র গুলির নির্দেশের কারণে বাংলাদেশে ছাত্রদের বিক্ষোভে যে বর্বরতা এবং প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে তা তদন্তে আগামী সপ্তাহে ঢাকা যাচ্ছে জাতিসংঘের একটি তদন্ত দল। এ বিষয়ে মহাসচিবের অভিমত কী?
জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্থোনিও গুতেরেসের উপ-মুখপাত্র ফারহান হক বলেন, তদন্ত দলটি কী কাজ হবে তা আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে।
মুশফিক তার দ্বিতীয় প্রশ্নে জানতে চান, বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানকে জাতিসংঘ তাদের একজন অংশীদার মনে করে- এমন বিবেচনায় বাংলাদেশের স্থিতিশীলতাকে সমর্থন দিতে দেশটির সঙ্গে আরও সম্পৃক্ততা বাড়াবেন কিনা মহাসচিব? এদিকে, ভারতে অবস্থান করে বাংলাদেশের সাবেক একনায়ক ও প্রধানমন্ত্রী বিকৃত তথ্য ছড়াচ্ছেন এবং সহিংসতাকে উস্কে দিচ্ছেন।
জবাবে মুখপাত্র ফারহান হক বলেন, আপনি বাংলাদেশকে সমর্থনের যে কথা বলেছেন সে বিষয়ে আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি যে, প্রয়োজন অনুসারে বাংলাদেশের সরকার এবং জনগণকে আমরা সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত।

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত নতুন অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য জাতিসংঘের দরজা খোলা। সংস্থাটি নতুন সরকারের সঙ্গে তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে বলে জানিয়েছে। বৃহস্পতিবার জাতিসংঘে সাধারণ পরিষদ অধিবেশনের বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন মুখপাত্র মনিকা গ্রেইল।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ অধিবেশনের সভাপতি- জাতিসংঘের স্থায়ী সংবাদদাতা মুশফিকুল ফজল আনসারীর এমন প্রশ্নের জবাবে এ মন্তব্য করেন সংস্থাটির মুখপাত্র মনিকা গ্রেইলের কাছে জানতে চান- ড. ইউনূসকে নিজেদের অংশীদার মনে করে জাতিসংঘ। সেই প্রেক্ষিতে এই সরকারকে কীভাবে দেখছেন?
জবাবে তিনি বলেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ অধিবেশনের সভাপতির দরজা ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের জন্য খোলা। বাংলাদেশের জন্য তিনি (সাধারণ পরিষদ অধিবেশনের সভাপতি) অব্যাহতভাবে কাজ করে যাবেন।
অপর এক প্রশ্নে এই প্রতিবেদক নিয়মিত ব্রিফিংয়ে যোগ দিয়ে জানতে চান, সাবেক স্বৈরাচার শেখ হাসিনার দেখামাত্র গুলির নির্দেশের কারণে বাংলাদেশে ছাত্রদের বিক্ষোভে যে বর্বরতা এবং প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে তা তদন্তে আগামী সপ্তাহে ঢাকা যাচ্ছে জাতিসংঘের একটি তদন্ত দল। এ বিষয়ে মহাসচিবের অভিমত কী?
জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্থোনিও গুতেরেসের উপ-মুখপাত্র ফারহান হক বলেন, তদন্ত দলটি কী কাজ হবে তা আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে।
মুশফিক তার দ্বিতীয় প্রশ্নে জানতে চান, বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানকে জাতিসংঘ তাদের একজন অংশীদার মনে করে- এমন বিবেচনায় বাংলাদেশের স্থিতিশীলতাকে সমর্থন দিতে দেশটির সঙ্গে আরও সম্পৃক্ততা বাড়াবেন কিনা মহাসচিব? এদিকে, ভারতে অবস্থান করে বাংলাদেশের সাবেক একনায়ক ও প্রধানমন্ত্রী বিকৃত তথ্য ছড়াচ্ছেন এবং সহিংসতাকে উস্কে দিচ্ছেন।
জবাবে মুখপাত্র ফারহান হক বলেন, আপনি বাংলাদেশকে সমর্থনের যে কথা বলেছেন সে বিষয়ে আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি যে, প্রয়োজন অনুসারে বাংলাদেশের সরকার এবং জনগণকে আমরা সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত।

বৈঠকে বাংলাদেশ আশা প্রকাশ করে, ভারতে অবস্থানরত ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরত পাঠানোর প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া ভারত ত্বরান্বিত করবে। একইসঙ্গে ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে জড়িত অভিযুক্তদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে দেয়ার বিষয়েও ভারতের প্রতি অনুরোধ পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে
প্রকল্পের আওতায় অন্তর্ভুক্ত গ্রামগুলো হলো- রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার মিতিঙ্গাছড়ি, খুলনা জেলার দাকোপ উপজেলার পানখালী এবং দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার নাফানগর।
৪ ঘণ্টা আগে
মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ রাজস্থান, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত প্রসারিত। বর্তমানে মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায
৪ ঘণ্টা আগে
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে এবার দেশের ৬৬৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতভাগ পরীক্ষার্থী পাস করেছে। অর্থাৎ, এসব প্রতিষ্ঠান থেকে যতজন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল সবাই পাস করেছে। অন্যদিকে দেশের ৩১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। অর্থাৎ, এসব প্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সবাই ফেল
৪ ঘণ্টা আগে