মন খুলে গান গাওয়া যায়, নম্বর দেওয়া যায় না: শিক্ষামন্ত্রী

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ১০ আগস্ট ২০২৬, ১৫: ২৬
এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ উপলক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ছবি: সংগৃহীত

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, মন খুলে গান গাওয়া যায়, পরীক্ষার খাতায় নম্বর দেওয়া যায় না। এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ উপলক্ষ্যে সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেন।

এসএসসির ফলাফল খারাপ হয়েছে কি না প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আপনি খারাপ রেজাল্ট বলছেন কেন, রেজাল্ট তো সুন্দর হয়েছে। পরীক্ষায় ভালো করার প্রত্যাশা থাকলেও অনেক সময় শিক্ষার্থীরা আশানুরূপ ফল করতে পারে না। বোর্ডের ১৯৯৮ সালের আইনে খাতা পরিদর্শনের কোনো ব্যবস্থা ছিল না। বর্তমানে সেই ব্যবস্থা পরিবর্তন করা হয়েছে।’

উত্তরপত্র পুনঃপরীক্ষণ প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘যেসব শিক্ষার্থী পুনঃপরীক্ষণের জন্য আবেদন করবেন, তাদের খাতা সম্পূর্ণভাবে পুনঃপরীক্ষা করা হবে। কোথাও কোনো ভুলত্রুটি হয়ে থাকলে, সেগুলোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এবার গড় পাশের হার কমে দাঁড়িয়েছে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশে। এ বছর সব মিলিয়ে ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন শিক্ষার্থী এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেয়, তাদের মধ্যে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন পাস করেছে। মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে এক লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন।

প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৭১ দশমিক ৬৩ শতাংশ, রাজশাহীতে ৬৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ, কুমিল্লায় ৬৫ দশমিক ৪২ শতাংশ, যশোরে ৬৬ দশমিক ২৭ শতাংশ, চট্টগ্রামে ৫৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ, বরিশালে ৬০ দশমিক ৩৫ শতাংশ, সিলেটে ৫৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ, দিনাজপুরে ৫৮ দশমিক ০৫ শতাংশ এবং ময়মনসিংহে ৫৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ।

এ বছর এসএসসিতে সাধারণ নয়টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৬৪ দশমিক ০৫ শতাংশ। মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে যে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে, তা গত বছরের তুলনায় ৬ দশমিক ২ শতাংশ পয়েন্ট কম। গত বছর পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ।

ফলাফলের এই হার গত ১৯ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম। এর আগে ২০০৭ সালে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ৫৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ পরীক্ষার্থী পাস করেছিল। এরপর আর কোনো বছর পাবলিক এ পরীক্ষায় পাসের হার এত কম ছিল না।

এর আগে ২০০৭ সালে এসএসসিতে ফল বিপর্যয়ের পর ২০০৮ সালে পাসের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ৭২ দশমিক ১৮ শতাংশ। এরপর পাসের হার আরও বাড়তে থাকে। ২০২১ সালে দেশে রেকর্ড ৯৩ দশমিক ৬ শতাংশ শিক্ষার্থী এসএসসি পাস করেছিল।

Ad
Ad
ad
ad
ad

খবরাখবর থেকে আরও পড়ুন

রংপুর, চট্টগ্রাম ও সিলেটসহ দেশের অধিকাংশ অঞ্চলে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ রাজস্থান, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত প্রসারিত। বর্তমানে মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায

৩ ঘণ্টা আগে

এসএসসিতে ৬৬৯ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শতভাগ পাস

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে এবার দেশের ৬৬৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতভাগ পরীক্ষার্থী পাস করেছে। অর্থাৎ, এসব প্রতিষ্ঠান থেকে যতজন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল সবাই পাস করেছে। অন্যদিকে দেশের ৩১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। অর্থাৎ, এসব প্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সবাই ফেল

৩ ঘণ্টা আগে

এসএসসিতে পাসের হারে শীর্ষে ঢাকা, সর্বনিম্ন মাদরাসায়

এবার সবচেয়ে কম পাসের হার মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে। এ বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় পাসের হার ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ। আর বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি (ভোকেশনাল) ও দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ।

৩ ঘণ্টা আগে

সবচেয়ে বেশি জিপিএ-৫ ঢাকা বোর্ডে, সর্বনিম্ন বরিশালে

ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি ৩৩ হাজার ২৫৩ শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে ঢাকা বোর্ড থেকে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ রাজশাহী বোর্ডে— ১৬ হাজার ১১৩ জন। তৃতীয় সর্বোচ্চ ১৩ হাজার ৬৩৯ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড থেকে।

৩ ঘণ্টা আগে