
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) বিলুপ্ত করে পুলিশের অধীনে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)’ নামে বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের উদ্যোগ চূড়ান্ত করেছে সরকার। এ লক্ষ্যে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) আইন, ২০২৬’-এর খসড়ায় নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
সোমবার (১৭ আগস্ট) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এতে সভাপতিত্ব করেন।
বৈঠকে একই সঙ্গে বিদ্যমান অর্থবছরের সময়কাল (১ জুলাই-৩০ জুন) পরিবর্তন করে নতুন সময়কাল (১ এপ্রিল-৩১ মার্চ) করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগামী ২০২৮-২৯ অর্থবছর থেকে নতুন অর্থবছর (এপ্রিল-মার্চ) অনুযায়ী সরকারের সব কার্যক্রম শুরু করা হবে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, র্যাব বিলুপ্ত করে বাংলাদেশ পুলিশের আওতায় ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ নামে একটি বিশেষায়িত ইউনিট প্রতিষ্ঠা করা হবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রণীত খসড়া আইনটি লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের ভেটিংসাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
খসড়া আইনের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নতুন আইনে নাগরিকদের অভিযোগ ও এসআরবির সদস্যদের অভ্যন্তরীণ সংক্ষোভ নিষ্পত্তির জন্য একটি বহুপাক্ষিক অভিযোগ প্রতিকার কমিটি গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। এর মাধ্যমে ইউনিটের কার্যক্রমের বিষয়ে নাগরিকদের অভিযোগ ও সদস্যদের অভ্যন্তরীণ অভিযোগ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা থাকবে।
এ ছাড়া র্যাবের জনবল, আদেশ, ক্ষমতা, কর্তৃত্ব, সুবিধা, তহবিল, সম্পত্তি, হিসাব, রেকর্ড এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সম্পদ এসআরবির কাছে স্থানান্তরের বিধান রাখা হয়েছে। নতুন বিধিমালা প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত র্যাব-সংক্রান্ত বিভাগীয় কার্যধারার বিদ্যমান বিধিমালা প্রয়োজনীয় অভিযোজনসহ বহাল রাখার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে খসড়া আইনে।
অর্থবছরের সময়কাল পরিবর্তন
বিদ্যমান অর্থবছরের সময়কাল পরিবর্তন করে নতুন সময়কাল করেছে সরকার। এত দিন বাংলাদেশে অর্থবছর ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন হিসাব করা হচ্ছিল। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তা ১ এপ্রিল থেকে ৩১ মার্চ নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে আগামী ২০২৭-২৮ অর্থবছরকে ট্রানজিশনাল (রূপান্তরকালীন) অর্থবছর হিসেবে বিবেচনা করে ৯ মাসে অর্থবছর (জুলাই-মার্চ) শেষ করা এবং এরপর ২০২৮-২৯ অর্থবছর থেকে নতুন অর্থবছর (এপ্রিল-মার্চ) অনুযায়ী সরকারের সব কার্যক্রম শুরু করা হবে। মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, বাংলাদেশে অর্থবছর ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন হিসাব করা হয়। এর ফলে জুলাই-আগস্ট মাসে অর্থাৎ বর্ষাকালে অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান থাকে। ফলে বর্ষার কারণে একদিকে কাজ দীর্ঘায়িত হয়, কাজের গুণগত মানও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ ছাড়া ব্যাপক জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়। এপ্রিল-মার্চ সময়কে অর্থবছর হিসেবে ব্যবহার করা হলে বর্ষার আগেই অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। এ জন্য ১ এপ্রিল থেকে ৩১ মার্চ অর্থবছর নির্ধারণ যুক্তিযুক্ত।

র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) বিলুপ্ত করে পুলিশের অধীনে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)’ নামে বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের উদ্যোগ চূড়ান্ত করেছে সরকার। এ লক্ষ্যে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) আইন, ২০২৬’-এর খসড়ায় নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
সোমবার (১৭ আগস্ট) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এতে সভাপতিত্ব করেন।
বৈঠকে একই সঙ্গে বিদ্যমান অর্থবছরের সময়কাল (১ জুলাই-৩০ জুন) পরিবর্তন করে নতুন সময়কাল (১ এপ্রিল-৩১ মার্চ) করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগামী ২০২৮-২৯ অর্থবছর থেকে নতুন অর্থবছর (এপ্রিল-মার্চ) অনুযায়ী সরকারের সব কার্যক্রম শুরু করা হবে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, র্যাব বিলুপ্ত করে বাংলাদেশ পুলিশের আওতায় ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ নামে একটি বিশেষায়িত ইউনিট প্রতিষ্ঠা করা হবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রণীত খসড়া আইনটি লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের ভেটিংসাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
খসড়া আইনের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নতুন আইনে নাগরিকদের অভিযোগ ও এসআরবির সদস্যদের অভ্যন্তরীণ সংক্ষোভ নিষ্পত্তির জন্য একটি বহুপাক্ষিক অভিযোগ প্রতিকার কমিটি গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। এর মাধ্যমে ইউনিটের কার্যক্রমের বিষয়ে নাগরিকদের অভিযোগ ও সদস্যদের অভ্যন্তরীণ অভিযোগ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা থাকবে।
এ ছাড়া র্যাবের জনবল, আদেশ, ক্ষমতা, কর্তৃত্ব, সুবিধা, তহবিল, সম্পত্তি, হিসাব, রেকর্ড এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সম্পদ এসআরবির কাছে স্থানান্তরের বিধান রাখা হয়েছে। নতুন বিধিমালা প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত র্যাব-সংক্রান্ত বিভাগীয় কার্যধারার বিদ্যমান বিধিমালা প্রয়োজনীয় অভিযোজনসহ বহাল রাখার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে খসড়া আইনে।
অর্থবছরের সময়কাল পরিবর্তন
বিদ্যমান অর্থবছরের সময়কাল পরিবর্তন করে নতুন সময়কাল করেছে সরকার। এত দিন বাংলাদেশে অর্থবছর ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন হিসাব করা হচ্ছিল। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তা ১ এপ্রিল থেকে ৩১ মার্চ নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে আগামী ২০২৭-২৮ অর্থবছরকে ট্রানজিশনাল (রূপান্তরকালীন) অর্থবছর হিসেবে বিবেচনা করে ৯ মাসে অর্থবছর (জুলাই-মার্চ) শেষ করা এবং এরপর ২০২৮-২৯ অর্থবছর থেকে নতুন অর্থবছর (এপ্রিল-মার্চ) অনুযায়ী সরকারের সব কার্যক্রম শুরু করা হবে। মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, বাংলাদেশে অর্থবছর ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন হিসাব করা হয়। এর ফলে জুলাই-আগস্ট মাসে অর্থাৎ বর্ষাকালে অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান থাকে। ফলে বর্ষার কারণে একদিকে কাজ দীর্ঘায়িত হয়, কাজের গুণগত মানও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ ছাড়া ব্যাপক জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়। এপ্রিল-মার্চ সময়কে অর্থবছর হিসেবে ব্যবহার করা হলে বর্ষার আগেই অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। এ জন্য ১ এপ্রিল থেকে ৩১ মার্চ অর্থবছর নির্ধারণ যুক্তিযুক্ত।

চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের বিরুদ্ধে বর্তমানে মোট আটটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলাটি চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন। হাইকোর্ট থেকে চারটি মামলায় জামিন পেলেও অন্য মামলাগুলোতে গ্রেপ্তার থাকায় তিনি কারাগারে রয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রামের ইসকন প্রবর্তক শ্রীকৃষ্ণ মন্দিরের সহসভাপতি স্বতন্ত্র গৌরাঙ্গ দাশ ব্রহ্মচারী বলেন, ‘মাতাজির শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী পুণ্ডরীক ধামে তার শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হবে। এ জন্য তার পরিবারের পক্ষ থেকে চিন্ময় ব্রহ্মচারীকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়ার আবেদন করা হচ্ছে।’
৫ ঘণ্টা আগে
মৃত্তিকাবিজ্ঞানী সিরাজুল হক মারা গেছেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে অবসর গ্রহণ করেছিলেন। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন জার্নালে তার ১৭০টি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
গত ৩০ জুলাই উত্তরা পশ্চিম থানায় দায়ের করা জুলাই আন্দোলনের একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। সম্প্রতি ওই মামলাতেও জামিন পান তিনি। এরপর নতুন করে তরিকুল ইসলাম রুবেল হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হলো।
৬ ঘণ্টা আগে