
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বজ্রপাতে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছেন আরও চারজন। শনিবার (১৮ মে) সকাল ৯টার দিকে কালিহাতী উপজেলার বীর বাসিন্দা ইউনিয়নের নুয়াবাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
মৃতরা হলেন- আফজাল হোসেন ও আমির হোসেন। তাদের বাড়ি দিনাজপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায়। সম্পর্কে তারা খালাতো ভাই।
বীর বাসিন্দা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন বলেন, সকালে কয়েকজন শ্রমিক হযরত আলীর ক্ষেতে ধান কাটতে যান। এ সময় গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত হয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুইজনের মৃত্যু হয়। আহত হন আরও ৪ জন। তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বজ্রপাতে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছেন আরও চারজন। শনিবার (১৮ মে) সকাল ৯টার দিকে কালিহাতী উপজেলার বীর বাসিন্দা ইউনিয়নের নুয়াবাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
মৃতরা হলেন- আফজাল হোসেন ও আমির হোসেন। তাদের বাড়ি দিনাজপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায়। সম্পর্কে তারা খালাতো ভাই।
বীর বাসিন্দা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন বলেন, সকালে কয়েকজন শ্রমিক হযরত আলীর ক্ষেতে ধান কাটতে যান। এ সময় গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত হয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুইজনের মৃত্যু হয়। আহত হন আরও ৪ জন। তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

উদ্বোধনকালে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরে তিনি মোনাজাতে অংশ নেন এবং বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে ভবনটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
১৫ ঘণ্টা আগে
হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হাসপাতালের নতুন ভবনের নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। অধিকাংশ যন্ত্রপাতি স্থাপনের কাজও শেষ হয়েছে। এতে হাসপাতালটির মোট শয্যা সংখ্যা বেড়ে এক হাজারে দাঁড়ায়। এর ফলে এটি দেশের বৃহত্তম বিশেষায়িত স্নায়ুরোগ চিকিৎসা কেন্দ্রে পরিণত হয়।
১৬ ঘণ্টা আগে
আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল হামিদ মিয়ার সই করা পূর্বাভাসে বলা হয়, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।
১৭ ঘণ্টা আগে
অনুষ্ঠানে 'আলী আলী মওলা আলী', 'পর্দা হ্যায় পর্দা', 'আমার দেহ মন বলে নবী নবী', 'ইশ্কে নবী দিল মে পয়দা করো', 'দমাদম মাস্ত কালান্দর' ও 'খাজা বাবা খাজা বাবা মারহাবা মারহাবা'-সহ জনপ্রিয় বেশ কিছু উর্দু, হিন্দি ও বাংলা কাওয়ালী পরিবেশন করা হয়।
১ দিন আগে