
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রিটার্নিং কর্মকর্তার বাছাইয়ে মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণার পর নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করে বৈধতা ফিরে পেয়েছেন তাসনিম জারা। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগ করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঢাকা-৯ আসন থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন তিনি।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ইসিতে আপিল শুনানির পর তিনি বৈধ প্রার্থী হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন বলে ইসি সূত্র নিশ্চিত করেছে।
দুপুর পৌনে ১টার দিকে তাসনিম জারা তার ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, আপিল মঞ্জুর হয়েছে। মনোনয়ন বৈধ। আসন্ন নির্বাচনে ঢাকা-৯ আসনে জনগণের সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ করছি।
এর আগে শনিবার সকাল ১০টায় রিটার্নিং কর্মকর্তাদের বাছাইয়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীদের আপিল শুরু হয়েছে ইসিতে। প্রথম দিন ১ থেকে ৭০ পর্যন্ত ক্রমিকের আপিলগুলোর শুনানি হবে। শুনানি চলবে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত।
এর আগে গত ৩ জানুয়ারি বাছাইয়ে তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বাতিল করেছিলেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তিনি তার আসনের যে ১ শতাংশ ভোটারের সইসহ তালিকা জমা দিয়েছিলেন, তাতে গড়মিল পাওয়ায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়ে যায়।
রিটার্নিং কর্মকর্তার এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গত ৫ জানুয়ারি আপিল করেন তাসনিম জারা। সেদিন আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে আপিল দায়ের সংক্রান্ত কেন্দ্রের ঢাকা অঞ্চলের ৭ নম্বর বুথে তিনি এই আপিল করেন।
আপিল জমা দেওয়ার পর তাসনিম জারা সাংবাদিকদের বলেন, ‘মাত্র দেড় দিনের মাথায় প্রায় ৫ হাজার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে আমাদের সমর্থনে স্বাক্ষর দিয়েছেন। অনেক ভালোবাসা দিয়েছেন। নিজেরাই স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করেছেন। যারা স্বাক্ষর দিয়েছেন, তারা চান আমি নির্বাচনে অংশ নিই। তাদের প্রতি সম্মান জানিয়েই আমরা আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছি।’
এ সময় তাসনিম জারার আইনজীবী আরমান হোসেন জানান, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১৪ (৫) এবং নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা ২০০৮-এর বিধি ৫ অনুযায়ী তারা এই আপিল দায়ের করেছেন।
আরমান হোসেন বলেন, ‘আইনিভাবে এই আপিলে আমাদের জয়ী হওয়ার শতভাগ সম্ভাবনা রয়েছে। আমরা আশা করছি, আপিলের মাধ্যমে ডা. তাসনিম জারা পুনরায় জনগণের প্রার্থী হিসেবে ঢাকা-৯ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন।’
আইনজীবী আরমান হোসেন বলেন, ‘স্বাক্ষর সংগ্রহের সময় নির্বাচন কমিশনের সার্ভার কাজ না করায় ভোটার এলাকা যাচাই করার সুযোগ ছিল না। তাছাড়া যে ভোটারকে নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, তার জাতীয় পরিচয়পত্রে ভোটার এলাকা হিসেবে ঢাকা-৯ আসনের কথাই উল্লেখ আছে। যেহেতু এটা আমাদের ভেরিফাই করার সুযোগ ছিল না, সে জায়গা থেকে আমাদের এই সমস্যাটি ফেস করতে হয়েছে। আমরা আশাবাদী, আপিলের শুনানিতে দ্রুতই এই সমস্যার সমাধান হবে এবং লিগ্যালি আমরা এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য পারমিজিবল হবো।’
তাসনিম জারা জুলাই অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের গড়ে তোলা এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ছিলেন। দল থেকে তাকে ঢাকা-৯ আসনে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল। শেষ মুহূর্তে এনসিপি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে নির্বাচনি জোট করলে তাসনিম সে সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে দল ছেড়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হন।

রিটার্নিং কর্মকর্তার বাছাইয়ে মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণার পর নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করে বৈধতা ফিরে পেয়েছেন তাসনিম জারা। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগ করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঢাকা-৯ আসন থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন তিনি।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ইসিতে আপিল শুনানির পর তিনি বৈধ প্রার্থী হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন বলে ইসি সূত্র নিশ্চিত করেছে।
দুপুর পৌনে ১টার দিকে তাসনিম জারা তার ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, আপিল মঞ্জুর হয়েছে। মনোনয়ন বৈধ। আসন্ন নির্বাচনে ঢাকা-৯ আসনে জনগণের সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ করছি।
এর আগে শনিবার সকাল ১০টায় রিটার্নিং কর্মকর্তাদের বাছাইয়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীদের আপিল শুরু হয়েছে ইসিতে। প্রথম দিন ১ থেকে ৭০ পর্যন্ত ক্রমিকের আপিলগুলোর শুনানি হবে। শুনানি চলবে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত।
এর আগে গত ৩ জানুয়ারি বাছাইয়ে তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বাতিল করেছিলেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তিনি তার আসনের যে ১ শতাংশ ভোটারের সইসহ তালিকা জমা দিয়েছিলেন, তাতে গড়মিল পাওয়ায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়ে যায়।
রিটার্নিং কর্মকর্তার এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গত ৫ জানুয়ারি আপিল করেন তাসনিম জারা। সেদিন আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে আপিল দায়ের সংক্রান্ত কেন্দ্রের ঢাকা অঞ্চলের ৭ নম্বর বুথে তিনি এই আপিল করেন।
আপিল জমা দেওয়ার পর তাসনিম জারা সাংবাদিকদের বলেন, ‘মাত্র দেড় দিনের মাথায় প্রায় ৫ হাজার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে আমাদের সমর্থনে স্বাক্ষর দিয়েছেন। অনেক ভালোবাসা দিয়েছেন। নিজেরাই স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করেছেন। যারা স্বাক্ষর দিয়েছেন, তারা চান আমি নির্বাচনে অংশ নিই। তাদের প্রতি সম্মান জানিয়েই আমরা আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছি।’
এ সময় তাসনিম জারার আইনজীবী আরমান হোসেন জানান, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১৪ (৫) এবং নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা ২০০৮-এর বিধি ৫ অনুযায়ী তারা এই আপিল দায়ের করেছেন।
আরমান হোসেন বলেন, ‘আইনিভাবে এই আপিলে আমাদের জয়ী হওয়ার শতভাগ সম্ভাবনা রয়েছে। আমরা আশা করছি, আপিলের মাধ্যমে ডা. তাসনিম জারা পুনরায় জনগণের প্রার্থী হিসেবে ঢাকা-৯ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন।’
আইনজীবী আরমান হোসেন বলেন, ‘স্বাক্ষর সংগ্রহের সময় নির্বাচন কমিশনের সার্ভার কাজ না করায় ভোটার এলাকা যাচাই করার সুযোগ ছিল না। তাছাড়া যে ভোটারকে নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, তার জাতীয় পরিচয়পত্রে ভোটার এলাকা হিসেবে ঢাকা-৯ আসনের কথাই উল্লেখ আছে। যেহেতু এটা আমাদের ভেরিফাই করার সুযোগ ছিল না, সে জায়গা থেকে আমাদের এই সমস্যাটি ফেস করতে হয়েছে। আমরা আশাবাদী, আপিলের শুনানিতে দ্রুতই এই সমস্যার সমাধান হবে এবং লিগ্যালি আমরা এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য পারমিজিবল হবো।’
তাসনিম জারা জুলাই অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের গড়ে তোলা এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ছিলেন। দল থেকে তাকে ঢাকা-৯ আসনে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল। শেষ মুহূর্তে এনসিপি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে নির্বাচনি জোট করলে তাসনিম সে সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে দল ছেড়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হন।

ফরিদের ছোট ভাই স্থানীয় একটি মসজিদের ইমাম সৈয়দ আলম বলেন, “আমরা ধরে নিয়েছিলাম, ফরিদ ভাই আর বেঁচে নেই। কিন্তু এত বছর পর তাকে ফিরে পেয়ে আমরা ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না। কক্সবাজারে আমাদের বৃদ্ধ মা বড় ছেলের অপেক্ষায় আছেন। আমরা গরিব মানুষ। জানি না কী হবে। তবে আমরা আমাদের ভাইকে নিয়ে থাকব।”
১ দিন আগে
সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, সাচিং প্রু জেরীকে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়কমন্ত্রী এবং মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকনকে ধর্মবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। এ বিষয়ে যেকোনো সময় প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।
১ দিন আগে
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা নির্বাচনী কর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের তত্ত্বাবধানে ভোট গ্রহণ চলছে। দুপুর ২টা থেকে শুরু হওয়া ভোট গ্রহণ চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। এরপরই ভোট গণনা করে ফল ঘোষণা করা হবে।
২ দিন আগে
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নগর ভবন অডিটোরিয়ামে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
২ দিন আগে