
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

মুজিববর্ষের নামে জনগণের অর্থ অপচয় হয়েছে জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব মো. শফিকুল আলম বলেছেন, আপনারা জানেন মুজিব বর্ষকে ঘিরে কিভাবে একটা একটা উন্মাদনা হয়েছে। মুজিব বর্ষে কি ধরণের কাজ হয়েছে, কত টাকা অপচয় হয়েছে সেটা নিয়ে ডকুমেন্ট করার কথা কেবিনেটে হয়েছে। মুজিব বর্ষের নামে কোন কোন মন্ত্রণালয় কত কোটি টাকা খরচ করেছে তা নিয়ে ডকুমেন্টেশন হবে সেইগুলোর একটা লিস্ট করা হবে। মুজিব বর্ষের নামে কোন কোন মন্ত্রণালয় কি কি খাতে কত টাকা অপচয় করেছে তার একটা লিস্ট করা হবে।
বুধবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
শফিকুল আলম বলেন, আমরা যেখানে ঋণের জন্য আইএমএফ-এর কাছে হাত পাতছি। আইএমএফ-এর কাছে ৪ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার ঋণ চাচ্ছি। সেখানে মুজিব বর্ষের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা নষ্ট করছি কিছু ম্যুরাল বানিয়ে কিছু স্ট্যাচু বানিয়ে। শুধু মাত্র সরকারি কোষাগার থেকে টাকা গেছে বিষয়টা তা না। অনেক ক্ষেত্রে প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানকেও ফোর্স করা হয়েছে ফলে কেউ মুজিব কর্ণার করেছে কেউ মুজিবের ম্যুরাল বানাতে বাধ্য হয়েছেন। মুজিববাদকে সামনে রেখে টাকা খরচের যে একটা উন্মাদনা ছিল। কত টাকা অপচয় হয়েছে তা জানার জন্য ডকুমেন্টেশন করা হবে। এই সিদ্ধান্ত হয়েছে আজকের কেবিনেটে।
টাকা অপচয় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মুজিব বর্ষের নামে যা যা অপচয় হয়েছে তার একটা ডকুমেন্টেশন করা হবে। মন্ত্রণালয়গুলো সেই ডকুমেন্টেশনগুলো করবে। আমরা একটা রিপোর্ট দেখেছি সেটা যাচাই করতে পারিনি। পত্রিকাটি বলছে- চার হাজার কোটি টাকা খরচ করে ১০ হাজার মূর্তি বানানো হয়েছে। আপনারা দেখেছেন কি পরিমাণে একটা অপচয় হয়েছে। একদিকে উনারা হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে মূর্তি বানিয়েছে আবার আইএমএফ-এর কাছে টাকার জন্য হাত পেতেছেন।
মুজিববর্ষে যে সব আমলা দায়িত্ব পালন করেছেন তাদের বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেয়া হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আগে ডকুমেন্টেশন হোক তার পরে দেখা যাবে কি করা যায়। ডকুমেন্টেশনের পরে দেখতে পাবো কি পরিমাণে অপচয় হয়েছে এগুলো কিন্তু মানুষের ট্যাক্স পেয়ারের টাকা। এটা টাকা কিভাবে ব্যয় হলো অবশ্যই আমরা দেখবো। আপনারা নিশ্চয়ই দেখেছেন পদ্মাসেতুতে দুটি ম্যূরালের জন্য ১১৭ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে চিন্তা করা যায়?
এ সময় প্রধান উপদেষ্টা উপ প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদমজুমদার ও অপূর্ব জাহাঙ্গীর উপস্থিত ছিলেন।

মুজিববর্ষের নামে জনগণের অর্থ অপচয় হয়েছে জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব মো. শফিকুল আলম বলেছেন, আপনারা জানেন মুজিব বর্ষকে ঘিরে কিভাবে একটা একটা উন্মাদনা হয়েছে। মুজিব বর্ষে কি ধরণের কাজ হয়েছে, কত টাকা অপচয় হয়েছে সেটা নিয়ে ডকুমেন্ট করার কথা কেবিনেটে হয়েছে। মুজিব বর্ষের নামে কোন কোন মন্ত্রণালয় কত কোটি টাকা খরচ করেছে তা নিয়ে ডকুমেন্টেশন হবে সেইগুলোর একটা লিস্ট করা হবে। মুজিব বর্ষের নামে কোন কোন মন্ত্রণালয় কি কি খাতে কত টাকা অপচয় করেছে তার একটা লিস্ট করা হবে।
বুধবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
শফিকুল আলম বলেন, আমরা যেখানে ঋণের জন্য আইএমএফ-এর কাছে হাত পাতছি। আইএমএফ-এর কাছে ৪ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার ঋণ চাচ্ছি। সেখানে মুজিব বর্ষের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা নষ্ট করছি কিছু ম্যুরাল বানিয়ে কিছু স্ট্যাচু বানিয়ে। শুধু মাত্র সরকারি কোষাগার থেকে টাকা গেছে বিষয়টা তা না। অনেক ক্ষেত্রে প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানকেও ফোর্স করা হয়েছে ফলে কেউ মুজিব কর্ণার করেছে কেউ মুজিবের ম্যুরাল বানাতে বাধ্য হয়েছেন। মুজিববাদকে সামনে রেখে টাকা খরচের যে একটা উন্মাদনা ছিল। কত টাকা অপচয় হয়েছে তা জানার জন্য ডকুমেন্টেশন করা হবে। এই সিদ্ধান্ত হয়েছে আজকের কেবিনেটে।
টাকা অপচয় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মুজিব বর্ষের নামে যা যা অপচয় হয়েছে তার একটা ডকুমেন্টেশন করা হবে। মন্ত্রণালয়গুলো সেই ডকুমেন্টেশনগুলো করবে। আমরা একটা রিপোর্ট দেখেছি সেটা যাচাই করতে পারিনি। পত্রিকাটি বলছে- চার হাজার কোটি টাকা খরচ করে ১০ হাজার মূর্তি বানানো হয়েছে। আপনারা দেখেছেন কি পরিমাণে একটা অপচয় হয়েছে। একদিকে উনারা হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে মূর্তি বানিয়েছে আবার আইএমএফ-এর কাছে টাকার জন্য হাত পেতেছেন।
মুজিববর্ষে যে সব আমলা দায়িত্ব পালন করেছেন তাদের বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেয়া হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আগে ডকুমেন্টেশন হোক তার পরে দেখা যাবে কি করা যায়। ডকুমেন্টেশনের পরে দেখতে পাবো কি পরিমাণে অপচয় হয়েছে এগুলো কিন্তু মানুষের ট্যাক্স পেয়ারের টাকা। এটা টাকা কিভাবে ব্যয় হলো অবশ্যই আমরা দেখবো। আপনারা নিশ্চয়ই দেখেছেন পদ্মাসেতুতে দুটি ম্যূরালের জন্য ১১৭ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে চিন্তা করা যায়?
এ সময় প্রধান উপদেষ্টা উপ প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদমজুমদার ও অপূর্ব জাহাঙ্গীর উপস্থিত ছিলেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— রাহুল (২৩), মো. ডায়মন্ড (২০), আফসার উদ্দিন অনিম (২২), পারভেজ হক পলাশ (২৫), মিনহাজ ওরফে মিনহাজ আবেদীন (২১) এবং মিনহাজ ওরফে বাবু ওরফে মিনহাজ বাবু (২৪)।
৩ ঘণ্টা আগে
নোটিশে বলা হয়, গত ১ আগস্ট কক্সবাজারের হিমছড়ি দরিয়ানগর সৈকতে প্যারাসেইলিং করার সময় ছিটকে পড়ে এক পর্যটকের মৃত্যু হয়। এই মর্মান্তিক ঘটনা পর্যটকদের নিরাপত্তায় বড় ধরনের প্রশাসনিক ব্যর্থতার ইঙ্গিত দেয়। অভিযোগ করা হয়, কক্সবাজারে কোনো প্রকার মানসম্মত যন্ত্রপাতি, প্রশিক্ষিত অপারেটর বা প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ছ
৩ ঘণ্টা আগে
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, "আইন অনুযায়ীই বর্তমানে পলাতক আসামিদের বিচারপ্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে। তবে পলাতকদের গ্রেপ্তার না করা পর্যন্ত আদালতের দেওয়া রায় কার্যকর করার সুযোগ নেই। এ ছাড়া আসামিদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ও জরিমানাসংক্রান্ত নির্দেশনাসমূহ দ্রুত বাস্তবায়নের কাজ শুরু করা হচ্ছে।"
৪ ঘণ্টা আগে
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, সরকার শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে আইনের আওতায় আনতে চায়। এ ক্ষেত্রে তাঁর সব আইনগত অধিকার নিশ্চিত করা হবে এবং আদালতের রায় সরকার মেনে চলবে।
৪ ঘণ্টা আগে