
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সংবিধান সংশোধনের জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে সভাপতি করে জাতীয় সংসদে ১২ সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে বিরোধী দলের প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করতে পাঁচটি সদস্যপদ খালিও রাখা হয়েছে। তবে এ কমিটি গঠনের প্রতিবাদে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছে বিরোধী দল।
সোমবার (১৩ জুলাই) জাতীয় সংসদে সংসদনেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন। প্রস্তাবটি কণ্ঠভোটে পাস হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে বিশেষ এ কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন— চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি; আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান; ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দিন; সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল; বিএনপির সংসদ সদস্য জয়নুল আবেদীন, শাকিলা ফারজানা ও মাহমুদুল হক রুবেল; গণসংহতি আন্দোলনের সংসদ সদস্য জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি; বিজেপির সংসদ সদস্য আন্দালিভ রহমান পার্থ; গণঅধিকার পরিষদের সংসদ সদস্য ও প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর; এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সংসদ সদস্য মো. অলি উল্লাহ।
কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি জানান, কমিটিতে বিরোধী দল থেকে পাঁচজন প্রতিনিধি রাখা হবে। এই পাঁচটি পদ আপাতত খালি রাখা হয়েছে। বিরোধী দল থেকে মনোনয়ন দিলে তাদের কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
তবে এ বিশেষ কমিটি গঠনের প্রতিবাদ জানিয়ে অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করেন বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্যরা। এ সংসদের যাত্রার শুরু থেকেই জামায়াতে ইসলামীর দাবি, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত হওয়ায় জুলাই সনদ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করে সংবিধান সংস্কার করতে হবে, কোনোভাবেই সংবিধান সংশোধন করা যাবে না।
অন্যদিকে সরকারি দল বিএনপির অবস্থান, সংবিধান সংশোধন করতে হলে সাংবিধানিক উপায়েই করতে হবে। সংবিধানে সাংবিধানিক সংস্কার পরিষদের উল্লেখ না থাকায় বিএনপির সংসদ সদস্যরা নির্বাচনের পর শপথ অনুষ্ঠানে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথও নেননি। ওই সময় কেবল জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির সংসদ সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেন।

সংবিধান সংশোধনের জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে সভাপতি করে জাতীয় সংসদে ১২ সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে বিরোধী দলের প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করতে পাঁচটি সদস্যপদ খালিও রাখা হয়েছে। তবে এ কমিটি গঠনের প্রতিবাদে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছে বিরোধী দল।
সোমবার (১৩ জুলাই) জাতীয় সংসদে সংসদনেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন। প্রস্তাবটি কণ্ঠভোটে পাস হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে বিশেষ এ কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন— চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি; আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান; ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দিন; সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল; বিএনপির সংসদ সদস্য জয়নুল আবেদীন, শাকিলা ফারজানা ও মাহমুদুল হক রুবেল; গণসংহতি আন্দোলনের সংসদ সদস্য জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি; বিজেপির সংসদ সদস্য আন্দালিভ রহমান পার্থ; গণঅধিকার পরিষদের সংসদ সদস্য ও প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর; এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সংসদ সদস্য মো. অলি উল্লাহ।
কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি জানান, কমিটিতে বিরোধী দল থেকে পাঁচজন প্রতিনিধি রাখা হবে। এই পাঁচটি পদ আপাতত খালি রাখা হয়েছে। বিরোধী দল থেকে মনোনয়ন দিলে তাদের কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
তবে এ বিশেষ কমিটি গঠনের প্রতিবাদ জানিয়ে অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করেন বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্যরা। এ সংসদের যাত্রার শুরু থেকেই জামায়াতে ইসলামীর দাবি, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত হওয়ায় জুলাই সনদ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করে সংবিধান সংস্কার করতে হবে, কোনোভাবেই সংবিধান সংশোধন করা যাবে না।
অন্যদিকে সরকারি দল বিএনপির অবস্থান, সংবিধান সংশোধন করতে হলে সাংবিধানিক উপায়েই করতে হবে। সংবিধানে সাংবিধানিক সংস্কার পরিষদের উল্লেখ না থাকায় বিএনপির সংসদ সদস্যরা নির্বাচনের পর শপথ অনুষ্ঠানে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথও নেননি। ওই সময় কেবল জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির সংসদ সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেন।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) তথ্য মন্ত্রণালয়ের এক তথ্য বিবরণীতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) গণমাধ্যমে জুলাই-আগস্ট গণহত্যা মামলার পলাতক আসামি ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে আগেই নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন। আইসিটির এই নিষেধাজ্ঞা জুলাই আন্দোলনের মূল চেতনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
৭ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে শুরু হওয়া সংঘর্ষে এখনও চলমান রয়েছে। সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় পক্ষের কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
১০ ঘণ্টা আগে
মালয়েশিয়ার সংবাদমাধ্যম নিউ স্ট্রেইটস টাইমস নেগরি সিমবিলান পুলিশের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, নিহত ও আহত বাংলাদেশিদের পরিচয় এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
১১ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শুরু হওয়া এ ঘটনায় উভয় পক্ষের কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে