
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

পচা ডিম জেনেশুনে কেউ খায় না। কিন্তু এমন কোথাও খেতে বসলেন, যেখানে ভদ্রতার খাতিরে বলতেও পারছেন, ডিমটা পচা, এটা খেতে পারছি না। তখন আপনি কী করবেন?পচা ডিম জেনেশুনে কেউ খায় না। কিন্তু এমন কোথাও খেতে বসলেন, যেখানে ভদ্রতার খাতিরে বলতেও পারছেন, ডিমটা পচা, এটা খেতে পারছি না। তখন আপনি কী করবেন?
বাদ দিন, রবীন্দ্রনাথ কী করেছিল, সেটাই শুনুন।
রবীন্দ্রনাথের তখন জগৎজোড়া খ্যাতি। দেশে তো আরও বেশি। সুতরাং বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাঁর ডাক পড়ে, এমনকী ঘরোয়া নিমন্ত্রণেও রবীন্দ্রনাথকে প্রায়ই হাজিরা দিতে হয়। তবে নেহাৎ পরিচিত মানুষ ছাড়া রবীন্দ্রনাথ তো নিমন্ত্রণ রক্ষা করবেন না। একবার এক পরিচিত ভদ্রলোকের বাড়িতে দাওয়াত পড়েছিল রবীন্দ্রনাথের। সঙ্গে ছিলেন ক্ষিতিমোহন সেন। ক্ষিতিমোহন সেন কে তো চেনেন? পৌরণিক সাহিত্য গবেষণার জন্য তিনি বিশেষ খ্যাতি লাভ করেছিলেন। কিন্তু তাঁর আরও একটা বড় পরিচয় আছে। তিনি বিখ্যাত নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের নানা।
ক্ষিতিমোহন ছিলেন রবীন্দ্রনাথের বিশেষ স্নেহভাজন ছিলেন। সুতরাং কবিগুরুর সঙ্গে অনেক জায়গাতেই যেত হত ক্ষিতিমোহনকে। একবার কোলাতার কাছেই এক গ্রামে দাওয়াত পড়ল রবিঠাকুরের। কবিগুরু দাওয়াত নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে গেলেন, সঙ্গে ছিলেন ক্ষিতিমোহনও।
আমন্ত্রণকারী ভদ্রলোক হরেক পদের খাবার খেতে দিলেন তাঁদের। ছিল ডিমের কালিয়াও। ক্ষিতিমোহন কালিয়াটা খেতে গিয়েও খেলেন না। কারণ পচা গন্ধ বেরুচ্ছিল ওটা থেকে। কিন্তু অন্যের বাড়িতে মেহমান হওয়ার কিছু ঝামেলা আছে। বিশেষ করে বাঙালি সমাজে। ভদ্রতার ঝামেলা। খাবার খেতে যত খারাপই হোক, ভদ্রতা করে বলতে হয়, খাবার খুব সুস্বাদু, চমৎকার রান্না–ইত্যাদি।
ক্ষিতিমোহন পড়লেন বিপদে। ডিমটা যদি না খান, তাহলে অভদ্রতা হয়। যিঁনি নিমন্ত্রণ করছেন তিনি হয়তো অপমান বোধ করতে পারেন। তাই তিনি ব্যাপারটা ছেড়ে দিলেন রবীন্দ্রনাথের ওপর। যদি দেখেন, রবীন্দ্রনাথ খাচ্ছেন না, তাহলে তিনিও খাবেন। কবিগুরু যদি না খান, তিনিও খাবেন না।
কিছুক্ষণ পর ক্ষিতিমোহন দেখলেন অবাক কাণ্ড। রবীন্দ্রনাথ সুড়ুৎ করে একটা পচা ডিমি মুখে চালান করে সুড়ুৎ করে গিলে ফেলেছেন! কী আর করা, দেখাদেখি ক্ষিতিমোহনও চোখকান বুজে একটা ডিম কোনোমতে খেয়ে ফেললেন। সঙ্গে সঙ্গে পেটর মোচড় দিয়ে শুরু করল।
ফেরার পেথ ক্ষিতিমোহন রবীন্দ্রনাথেক জিজ্ঞেস করলেন, ‘গুরুদেব, পচা ডিম কী করে খেলেন? আমার তো খাওয়ামাত্র বমি পেয়ে গেছিল।’
‘আমি তো ও ডিম খাইনি?’ বললেন রবীন্দ্রনাথ।
ক্ষিতিমোহন বললেন, ‘সেকি! আমি যে দেখলাম আপনি ডিমটা মুখে তুলেছেন?’
রবীন্দ্রনাথ বললেন, ‘ওই ডিম আমি খেয়েছি নাকি! আমার দাড়ির ফাঁক দিয়ে একেবারে আমার জামার ভেতর চালান করে দিয়েছি। এখন এটা বার করতে পারলে বাঁচি!’

পচা ডিম জেনেশুনে কেউ খায় না। কিন্তু এমন কোথাও খেতে বসলেন, যেখানে ভদ্রতার খাতিরে বলতেও পারছেন, ডিমটা পচা, এটা খেতে পারছি না। তখন আপনি কী করবেন?পচা ডিম জেনেশুনে কেউ খায় না। কিন্তু এমন কোথাও খেতে বসলেন, যেখানে ভদ্রতার খাতিরে বলতেও পারছেন, ডিমটা পচা, এটা খেতে পারছি না। তখন আপনি কী করবেন?
বাদ দিন, রবীন্দ্রনাথ কী করেছিল, সেটাই শুনুন।
রবীন্দ্রনাথের তখন জগৎজোড়া খ্যাতি। দেশে তো আরও বেশি। সুতরাং বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাঁর ডাক পড়ে, এমনকী ঘরোয়া নিমন্ত্রণেও রবীন্দ্রনাথকে প্রায়ই হাজিরা দিতে হয়। তবে নেহাৎ পরিচিত মানুষ ছাড়া রবীন্দ্রনাথ তো নিমন্ত্রণ রক্ষা করবেন না। একবার এক পরিচিত ভদ্রলোকের বাড়িতে দাওয়াত পড়েছিল রবীন্দ্রনাথের। সঙ্গে ছিলেন ক্ষিতিমোহন সেন। ক্ষিতিমোহন সেন কে তো চেনেন? পৌরণিক সাহিত্য গবেষণার জন্য তিনি বিশেষ খ্যাতি লাভ করেছিলেন। কিন্তু তাঁর আরও একটা বড় পরিচয় আছে। তিনি বিখ্যাত নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের নানা।
ক্ষিতিমোহন ছিলেন রবীন্দ্রনাথের বিশেষ স্নেহভাজন ছিলেন। সুতরাং কবিগুরুর সঙ্গে অনেক জায়গাতেই যেত হত ক্ষিতিমোহনকে। একবার কোলাতার কাছেই এক গ্রামে দাওয়াত পড়ল রবিঠাকুরের। কবিগুরু দাওয়াত নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে গেলেন, সঙ্গে ছিলেন ক্ষিতিমোহনও।
আমন্ত্রণকারী ভদ্রলোক হরেক পদের খাবার খেতে দিলেন তাঁদের। ছিল ডিমের কালিয়াও। ক্ষিতিমোহন কালিয়াটা খেতে গিয়েও খেলেন না। কারণ পচা গন্ধ বেরুচ্ছিল ওটা থেকে। কিন্তু অন্যের বাড়িতে মেহমান হওয়ার কিছু ঝামেলা আছে। বিশেষ করে বাঙালি সমাজে। ভদ্রতার ঝামেলা। খাবার খেতে যত খারাপই হোক, ভদ্রতা করে বলতে হয়, খাবার খুব সুস্বাদু, চমৎকার রান্না–ইত্যাদি।
ক্ষিতিমোহন পড়লেন বিপদে। ডিমটা যদি না খান, তাহলে অভদ্রতা হয়। যিঁনি নিমন্ত্রণ করছেন তিনি হয়তো অপমান বোধ করতে পারেন। তাই তিনি ব্যাপারটা ছেড়ে দিলেন রবীন্দ্রনাথের ওপর। যদি দেখেন, রবীন্দ্রনাথ খাচ্ছেন না, তাহলে তিনিও খাবেন। কবিগুরু যদি না খান, তিনিও খাবেন না।
কিছুক্ষণ পর ক্ষিতিমোহন দেখলেন অবাক কাণ্ড। রবীন্দ্রনাথ সুড়ুৎ করে একটা পচা ডিমি মুখে চালান করে সুড়ুৎ করে গিলে ফেলেছেন! কী আর করা, দেখাদেখি ক্ষিতিমোহনও চোখকান বুজে একটা ডিম কোনোমতে খেয়ে ফেললেন। সঙ্গে সঙ্গে পেটর মোচড় দিয়ে শুরু করল।
ফেরার পেথ ক্ষিতিমোহন রবীন্দ্রনাথেক জিজ্ঞেস করলেন, ‘গুরুদেব, পচা ডিম কী করে খেলেন? আমার তো খাওয়ামাত্র বমি পেয়ে গেছিল।’
‘আমি তো ও ডিম খাইনি?’ বললেন রবীন্দ্রনাথ।
ক্ষিতিমোহন বললেন, ‘সেকি! আমি যে দেখলাম আপনি ডিমটা মুখে তুলেছেন?’
রবীন্দ্রনাথ বললেন, ‘ওই ডিম আমি খেয়েছি নাকি! আমার দাড়ির ফাঁক দিয়ে একেবারে আমার জামার ভেতর চালান করে দিয়েছি। এখন এটা বার করতে পারলে বাঁচি!’

বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে হান্নান মাসউদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী এখানে নেই। কিন্তু উনি যখন বিভিন্ন ভাষণে অসত্য তথ্য দিয়ে বলেন— বিরোধী দল মিছিল করতেছে মদের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে বা সিগারেটের দাম বৃদ্ধি করার কারণে— এমন অসত্য তথ্য দিয়ে যখন প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য দেন, আমরা খুবই আশাহত হই।
১২ ঘণ্টা আগে
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে সরকারি সফরে দেশটির রাজধানী কুয়ালালামপুরে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রীকে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়, দেওয়া হয় গার্ড অব অনার। সুসজ্জিত বাহিনীর দেওয়া গার্ড অব অনারের সময়ে দুদেশের জাত
১৪ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে বাসা থেকে বের হয়ে একসঙ্গে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন ওই পাঁচজন। পথেই তাদের বহনকারী গাড়িটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান তারা।
১৬ ঘণ্টা আগে
রোববার (২১ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি ঘটনার নিরপেক্ষ বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেছে। আসক বলেছে, রাষ্ট্রীয় হেফাজতে থাকা অবস্থায় একজন তরুণের মৃত্যু জনমনে গুরুতর প্রশ্নের জন্ম দেয়। তাই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।
১৬ ঘণ্টা আগে