
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিকল হয়ে যাওয়ার আগে মহেশখালীর এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) টার্মিনালটিতে আগুন লেগেছিল বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
তিনি বলেছেন, ঘটনার সময় একটি এলএনজি কার্গো টার্মিনালের খুব কাছাকাছি অবস্থান করছিল। সেটিকে দ্রুত নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেওয়া না গেলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারত এবং বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা ছিল।
সোমবার (২৭ জুলাই) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের কাছে এলএনজি টার্মিনাল বিকল হয়ে পড়ার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
সমুদ্রপথে আমদানি করা এলএনজি গ্রহণ ও সংরক্ষণ করা হয় ভাসমান টার্মিনাল বা এফএসআরইউতে (ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট)। পরে সেটিকে পুনরায় গ্যাসে রূপান্তর করে পাইপলাইনের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয়। মহেশখালীতে এ ধরনের দুটি ভাসমান টার্মিনাল রয়েছে।
গত ২১ জুলাই দুর্ঘটনার কারণে সৃষ্ট কারিগরি ত্রুটিতে মহেশখালীর একটি এফএসআরইউ বন্ধ হয়ে যায়। এর প্রভাব পড়ে সারা দেশের গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থায়।
অনিন্দ্য ইসলাম বলেন, “এফএসআরইউতে আগুন লাগার ঘটনায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারত।” তিনি জানান, ঘটনার সময় একটি এলএনজি কার্গো টার্মিনালের কাছাকাছি অবস্থান করছিল। দ্রুত সেটিকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেওয়ায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “প্রাথমিকভাবে বয়লার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরও কিছু যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকতে পারে। এ কারণেই মেরামতে সময় লাগছে।”
তিনি আরও বলেন, “এ ধরনের দুর্ঘটনা মোকাবেলার অভিজ্ঞতা এক্সিলারেট, সামিট কিংবা বাংলাদেশ সরকারের কারও ছিল না। এটা আমাদের সবার জন্য নতুন অভিজ্ঞতা।”
মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালটি পুরোপুরি সচল হতে আরও দুয়েক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে বলেও আভাস দেন প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, “আমরা আশা করছি আগামী সপ্তাহ থেকে গ্যাস সংকট কিছুটা কাটতে শুরু করবে। যদি তাদের (প্রকৌশলীদের) পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ এগোয়, তাহলে প্রথম ধাপে ২৮০ থেকে ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হবে। এর পরের সপ্তাহে শতভাগ সক্ষমতা ফিরে আসবে বলে তারা আশা করছেন।”
প্রতিমন্ত্রী জানান, দেশে বর্তমানে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট। এর বিপরীতে দেশীয় উৎপাদন ও আমদানি করা এলএনজি মিলিয়ে স্বাভাবিক সময়ে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয় প্রায় ২ হাজার ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস।
এর মধ্যে দেশীয় গ্যাসক্ষেত্র থেকে উৎপাদন হয় দৈনিক প্রায় ১ হাজার ৬০০ থেকে ১ হাজার ৬৫০ মিলিয়ন ঘনফুট। আর আমদানি করা এলএনজি থেকে পাওয়া যায় ১ হাজার থেকে ১ হাজার ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস।
দুটি এফএসআরইউর একটি বিকল হয়ে যাওয়ায় আমদানি করা এলএনজির সরবরাহ প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে বলে জানান জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

বিকল হয়ে যাওয়ার আগে মহেশখালীর এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) টার্মিনালটিতে আগুন লেগেছিল বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
তিনি বলেছেন, ঘটনার সময় একটি এলএনজি কার্গো টার্মিনালের খুব কাছাকাছি অবস্থান করছিল। সেটিকে দ্রুত নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেওয়া না গেলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারত এবং বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা ছিল।
সোমবার (২৭ জুলাই) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের কাছে এলএনজি টার্মিনাল বিকল হয়ে পড়ার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
সমুদ্রপথে আমদানি করা এলএনজি গ্রহণ ও সংরক্ষণ করা হয় ভাসমান টার্মিনাল বা এফএসআরইউতে (ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট)। পরে সেটিকে পুনরায় গ্যাসে রূপান্তর করে পাইপলাইনের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয়। মহেশখালীতে এ ধরনের দুটি ভাসমান টার্মিনাল রয়েছে।
গত ২১ জুলাই দুর্ঘটনার কারণে সৃষ্ট কারিগরি ত্রুটিতে মহেশখালীর একটি এফএসআরইউ বন্ধ হয়ে যায়। এর প্রভাব পড়ে সারা দেশের গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থায়।
অনিন্দ্য ইসলাম বলেন, “এফএসআরইউতে আগুন লাগার ঘটনায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারত।” তিনি জানান, ঘটনার সময় একটি এলএনজি কার্গো টার্মিনালের কাছাকাছি অবস্থান করছিল। দ্রুত সেটিকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেওয়ায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “প্রাথমিকভাবে বয়লার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরও কিছু যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকতে পারে। এ কারণেই মেরামতে সময় লাগছে।”
তিনি আরও বলেন, “এ ধরনের দুর্ঘটনা মোকাবেলার অভিজ্ঞতা এক্সিলারেট, সামিট কিংবা বাংলাদেশ সরকারের কারও ছিল না। এটা আমাদের সবার জন্য নতুন অভিজ্ঞতা।”
মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালটি পুরোপুরি সচল হতে আরও দুয়েক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে বলেও আভাস দেন প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, “আমরা আশা করছি আগামী সপ্তাহ থেকে গ্যাস সংকট কিছুটা কাটতে শুরু করবে। যদি তাদের (প্রকৌশলীদের) পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ এগোয়, তাহলে প্রথম ধাপে ২৮০ থেকে ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হবে। এর পরের সপ্তাহে শতভাগ সক্ষমতা ফিরে আসবে বলে তারা আশা করছেন।”
প্রতিমন্ত্রী জানান, দেশে বর্তমানে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট। এর বিপরীতে দেশীয় উৎপাদন ও আমদানি করা এলএনজি মিলিয়ে স্বাভাবিক সময়ে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয় প্রায় ২ হাজার ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস।
এর মধ্যে দেশীয় গ্যাসক্ষেত্র থেকে উৎপাদন হয় দৈনিক প্রায় ১ হাজার ৬০০ থেকে ১ হাজার ৬৫০ মিলিয়ন ঘনফুট। আর আমদানি করা এলএনজি থেকে পাওয়া যায় ১ হাজার থেকে ১ হাজার ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস।
দুটি এফএসআরইউর একটি বিকল হয়ে যাওয়ায় আমদানি করা এলএনজির সরবরাহ প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে বলে জানান জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে সাভারের ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের ভাঙ্গা ব্রিজ এলাকায় সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রম পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।
৩ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) পুরান ঢাকার বকশীবাজারে কারা অধিদপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন।
৩ ঘণ্টা আগে
সোমবার (১৭ আগস্ট) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এলএনজি আমদানির প্রস্তাবটি অনুমোদন করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার সকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় থেকে এসব তথ্য জানানো হয়। এই সরকারি সফরে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে প্রতিনিধিদলে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা, বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী প্রমুখ রয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে