
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন শেষ হয়েছে। এ অধিবেশনে ছয়টি বিল উত্থাপন হয়েছে এবং ছয়টি বিল পাসও করা হয়। আইন প্রণয়নের পাশাপাশি এ অধিবেশনে ৩৫টি সংসদীয় কমিটি গঠন ও পুনর্গঠন করা হয়। এ ছাড়া একটি বিশেষ কমিটিও পুনর্গঠন করা হয়।
রাষ্ট্রপতির সই করা অধিবেশন সমাপ্তির আদেশ পাঠের মাধ্যমে বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ অধিবেশনের সমাপ্তি ঘোষণা করেন। গত ২৭ আগস্ট এ অধিবেশন শুরু হয়েছিল।
অধিবেশনের সমাপনী দিনে সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সমাপনী বক্তব্য দেন। রেওয়াজ অনুযায়ী এর আগে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানও বক্তব্য দেন।
রাষ্ট্রপতির অধিবেশন সমাপ্তির আদেশ পাঠের আগে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ অধিবেশন সুষ্ঠু ও সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় এবং জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা ও সংসদীয় কার্যক্রম এগিয়ে নিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সহযোগিতার সংসদ সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
স্পিকার বলেন, গণতান্ত্রিক সংসদীয় ব্যবস্থায় মতপার্থক্য একটি স্বাভাবিক বিষয়। ভিন্নমত প্রকাশের সময় সংসদ সদস্যদের পারস্পরিক সম্মান বজায় রাখা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এ ধরনের চর্চা গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিকে শক্তিশালী করে।
সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী সব পক্ষকে গালিগালাজের সংস্কৃতি থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছিলেন তার সমাপনী বক্তব্যে। এ প্রসঙ্গটি উল্লেখ করে স্পিকার আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যৎ অধিবেশনগুলোতে সব সদস্য সংসদীয় বিধি, রীতি ও চর্চা যথাযথভাবে অনুসরণ করবেন। তিনি বলেন, সব সংসদ সদস্যের উচিত দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা।
সংসদের এ অধিবেশনের কার্যক্রম তুলে ধরে স্পিকার বলেন, সংসদ সদস্যরা কার্যপ্রণালি বিধির বিভিন্ন বিধানের অধীনে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নোটিশ দেন এবং বিধি অনুযায়ী এসব নোটিশ নিষ্পত্তি করা হয়। এ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীকে উত্তর দেওয়ার জন্য সংসদ সদস্যরা মোট ১৪৪টি প্রশ্ন জমা দেন। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী ১৫টি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন।
স্পিকার আরও জানান, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীদের উত্তর দেওয়ার জন্য মোট দুই হাজার ৬৭৬টি প্রশ্ন জমা দেওয়া হয়। এর মধ্যে অধিবেশন চলাকালে মন্ত্রীরা এক হাজার ৬৭৮টি প্রশ্নের উত্তর দেন।
সংসদীয় কার্যক্রম পরিচালনায় সর্বাত্মক সহযোগিতার জন্য সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানান স্পিকার। তিনি বিরোধীদলীয় নেতা, মন্ত্রিসভার সদস্য, চিফ হুইপ, বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ এবং সংসদ সদস্যদেরও ধন্যবাদ জানান। ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ও প্যানেল অব চেয়ারম্যানের সব সদস্যকে ধন্যবাদ জানিয়ে স্পিকার বলেন, তাদের প্রজ্ঞা, অভিজ্ঞতা ও সহযোগিতার কারণে অধিবেশন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হয়েছে।
সংসদীয় গণতন্ত্রের উন্নয়ন ও সুসংহত করতে সম্মিলিত দায়িত্বশীলতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে স্পিকার পারস্পরিক সম্মান, সহনশীলতা ও সৌহার্দ্য বজায় রেখে এবং সংসদীয় কার্যপ্রণালি অনুসরণ করে সংসদ সদস্যরা জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন শেষ হয়েছে। এ অধিবেশনে ছয়টি বিল উত্থাপন হয়েছে এবং ছয়টি বিল পাসও করা হয়। আইন প্রণয়নের পাশাপাশি এ অধিবেশনে ৩৫টি সংসদীয় কমিটি গঠন ও পুনর্গঠন করা হয়। এ ছাড়া একটি বিশেষ কমিটিও পুনর্গঠন করা হয়।
রাষ্ট্রপতির সই করা অধিবেশন সমাপ্তির আদেশ পাঠের মাধ্যমে বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ অধিবেশনের সমাপ্তি ঘোষণা করেন। গত ২৭ আগস্ট এ অধিবেশন শুরু হয়েছিল।
অধিবেশনের সমাপনী দিনে সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সমাপনী বক্তব্য দেন। রেওয়াজ অনুযায়ী এর আগে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানও বক্তব্য দেন।
রাষ্ট্রপতির অধিবেশন সমাপ্তির আদেশ পাঠের আগে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ অধিবেশন সুষ্ঠু ও সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় এবং জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা ও সংসদীয় কার্যক্রম এগিয়ে নিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সহযোগিতার সংসদ সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
স্পিকার বলেন, গণতান্ত্রিক সংসদীয় ব্যবস্থায় মতপার্থক্য একটি স্বাভাবিক বিষয়। ভিন্নমত প্রকাশের সময় সংসদ সদস্যদের পারস্পরিক সম্মান বজায় রাখা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এ ধরনের চর্চা গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিকে শক্তিশালী করে।
সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী সব পক্ষকে গালিগালাজের সংস্কৃতি থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছিলেন তার সমাপনী বক্তব্যে। এ প্রসঙ্গটি উল্লেখ করে স্পিকার আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যৎ অধিবেশনগুলোতে সব সদস্য সংসদীয় বিধি, রীতি ও চর্চা যথাযথভাবে অনুসরণ করবেন। তিনি বলেন, সব সংসদ সদস্যের উচিত দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা।
সংসদের এ অধিবেশনের কার্যক্রম তুলে ধরে স্পিকার বলেন, সংসদ সদস্যরা কার্যপ্রণালি বিধির বিভিন্ন বিধানের অধীনে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নোটিশ দেন এবং বিধি অনুযায়ী এসব নোটিশ নিষ্পত্তি করা হয়। এ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীকে উত্তর দেওয়ার জন্য সংসদ সদস্যরা মোট ১৪৪টি প্রশ্ন জমা দেন। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী ১৫টি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন।
স্পিকার আরও জানান, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীদের উত্তর দেওয়ার জন্য মোট দুই হাজার ৬৭৬টি প্রশ্ন জমা দেওয়া হয়। এর মধ্যে অধিবেশন চলাকালে মন্ত্রীরা এক হাজার ৬৭৮টি প্রশ্নের উত্তর দেন।
সংসদীয় কার্যক্রম পরিচালনায় সর্বাত্মক সহযোগিতার জন্য সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানান স্পিকার। তিনি বিরোধীদলীয় নেতা, মন্ত্রিসভার সদস্য, চিফ হুইপ, বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ এবং সংসদ সদস্যদেরও ধন্যবাদ জানান। ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ও প্যানেল অব চেয়ারম্যানের সব সদস্যকে ধন্যবাদ জানিয়ে স্পিকার বলেন, তাদের প্রজ্ঞা, অভিজ্ঞতা ও সহযোগিতার কারণে অধিবেশন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হয়েছে।
সংসদীয় গণতন্ত্রের উন্নয়ন ও সুসংহত করতে সম্মিলিত দায়িত্বশীলতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে স্পিকার পারস্পরিক সম্মান, সহনশীলতা ও সৌহার্দ্য বজায় রেখে এবং সংসদীয় কার্যপ্রণালি অনুসরণ করে সংসদ সদস্যরা জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।

সংকট উত্তরণে সৌরবিদ্যুতের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এতদিন আমরা আমদানিনির্ভর উৎস থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের গ্রাহক ছিলাম। বর্তমান সরকার সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের যে পরিকল্পনা গ্রহণ করতে যাচ্ছে, তা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে পারলে আমরা কেবল গ্রাহক থাকব না, বরং সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদক হব।’
৩ ঘণ্টা আগে
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে জেজেইউ আহ্বায়ক সাইফুর সাগর বলেন, অভ্যুত্থানের আড়াই বছরেও এমন সংগঠন হয়নি। এখন কেন হয়েছে? হয়েছে সময়ের প্রয়োজনে। জুলাইপন্থি সব সাংবাদিকের জন্য এটি উন্মুক্ত। গণমাধ্যমকে সঠিক পথে রাখতে জুলাইয়ের সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাবে।
৩ ঘণ্টা আগে
আওয়ামী লীগ নেতারা স্থানীয় নির্বাচনে এলে বিএনপির অবস্থান কী হবে— সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম বলেন, এখানে তো আওয়ামী লীগ হিসেবে নির্বাচন করছে না। দলীয়ভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগই নেই।
৪ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে বিলটি পাসের জন্য উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দীন আহমদ। স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এ দিন বিরোধী দলের আপত্তির মধ্যেই কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়।
৭ ঘণ্টা আগে