
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বঙ্গাব্দ নতুন বছরকে বরণ করে নিতে পহেলা বৈশাখে উৎসবের ‘বিশেষ নিরাপত্তা’ নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়নের (র্যাব) মহাপরিচালক (ডিজি) মো. আহসান হাবীব পলাশ।
তিনি বলেন, নববর্ষের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশব্যাপী র্যাবের ১৫টি ব্যাটালিয়ন দায়িত্ব পালন করবে। অনুষ্ঠান শেষ না হওয়া পর্যন্ত তারা থাকবে। এ ছাড়া ১৮১টি পিকাপ প্যাট্রল টিম ও ১২৭টি মোটরসাইকেল প্যাট্রল টিমসহ মোট ৩০৮টি টিম সার্বক্ষণিক টহল দেবে। সাদা পোশাকের র্যাব সদস্যরাও নরজদারি করবেন।
পহেলা বৈশাখের আগের দিন সোমবার (১৩ এপ্রিল) রাজধানীর রমনা বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা প্রস্তুতি ঘুরে দেখে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি র্যাবের এ নিরাপত্তা ব্যবস্থার কথা তুলে ধরেন।
র্যাব ডিজি বলেন, ‘গোয়েন্দা তথ্য, সাইবার মনিটরিংসহ অন্যান্য তথ্য বিশ্লেষণ করে নববর্ষ ঘিরে নাশকতার হুমকির কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। তবে যেকোনো নাশকতার পরিকল্পনা নস্যাৎ করে দিতে র্যাব প্রস্তুত রয়েছে।’
রাজধানীর রমনা বটমূল, চারুকলা, শাহবাগ, টিএসসি, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, রবীন্দ্র সরোবর, হাতিরঝিল, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও বাংলা একাডেমিসহ বিভিন্ন স্থানে বর্ষবরণের আয়োজন রয়েছে। র্যাব ডিজি জানান, এসব অনুষ্ঠানস্থলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র্যাব যথাযথ ব্যবস্থা নিয়েছে।
আহসান হাবীব পলাশ বলেন, চেকপোস্ট, টহল ও পর্যবেক্ষণ পোস্ট স্থাপন করা হয়েছে। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে র্যাবের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও ডগ স্কোয়াড সুইপিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এসব টিমকে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
‘এ ছাড়া যেকোনো ধরনের নাশকতা ও হামলা মোকাবিলায় র্যাব স্পেশাল কমান্ডো ফোর্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ব্যাটালিয়নগুলো নিজ নিজ কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে দায়িত্ব পালন করছে। এ ছাড়া র্যাব সদর দপ্তরের নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে সারা দেশে নিরাপত্তাব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে,’— বলেন র্যাবের মহাপরিচালক।
নববর্ষ ঘিরে গুজব, উসকানিমূলক তথ্য বা মিথ্যা তথ্য ছড়ানো বিষয়ে সাইবার মনিটরিং টিম নজরদারি অব্যাহত রেখেছে বলে জানা আহসান হাবীব পলাশ। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আসা নারীদের উত্ত্যক্ত করা বা যৌন হয়রানি রোধ করতেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া বলে জানিয়েছেন তিনি। কেউ কোনো ধরনের তথ্য পেলে বা হেনস্থার শিকার হলে তিনি কর্তব্যরত র্যাব বা অন্য কোনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যকে জানাতে অনুরোধ করেন।

বঙ্গাব্দ নতুন বছরকে বরণ করে নিতে পহেলা বৈশাখে উৎসবের ‘বিশেষ নিরাপত্তা’ নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়নের (র্যাব) মহাপরিচালক (ডিজি) মো. আহসান হাবীব পলাশ।
তিনি বলেন, নববর্ষের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশব্যাপী র্যাবের ১৫টি ব্যাটালিয়ন দায়িত্ব পালন করবে। অনুষ্ঠান শেষ না হওয়া পর্যন্ত তারা থাকবে। এ ছাড়া ১৮১টি পিকাপ প্যাট্রল টিম ও ১২৭টি মোটরসাইকেল প্যাট্রল টিমসহ মোট ৩০৮টি টিম সার্বক্ষণিক টহল দেবে। সাদা পোশাকের র্যাব সদস্যরাও নরজদারি করবেন।
পহেলা বৈশাখের আগের দিন সোমবার (১৩ এপ্রিল) রাজধানীর রমনা বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা প্রস্তুতি ঘুরে দেখে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি র্যাবের এ নিরাপত্তা ব্যবস্থার কথা তুলে ধরেন।
র্যাব ডিজি বলেন, ‘গোয়েন্দা তথ্য, সাইবার মনিটরিংসহ অন্যান্য তথ্য বিশ্লেষণ করে নববর্ষ ঘিরে নাশকতার হুমকির কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। তবে যেকোনো নাশকতার পরিকল্পনা নস্যাৎ করে দিতে র্যাব প্রস্তুত রয়েছে।’
রাজধানীর রমনা বটমূল, চারুকলা, শাহবাগ, টিএসসি, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, রবীন্দ্র সরোবর, হাতিরঝিল, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও বাংলা একাডেমিসহ বিভিন্ন স্থানে বর্ষবরণের আয়োজন রয়েছে। র্যাব ডিজি জানান, এসব অনুষ্ঠানস্থলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র্যাব যথাযথ ব্যবস্থা নিয়েছে।
আহসান হাবীব পলাশ বলেন, চেকপোস্ট, টহল ও পর্যবেক্ষণ পোস্ট স্থাপন করা হয়েছে। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে র্যাবের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও ডগ স্কোয়াড সুইপিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এসব টিমকে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
‘এ ছাড়া যেকোনো ধরনের নাশকতা ও হামলা মোকাবিলায় র্যাব স্পেশাল কমান্ডো ফোর্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ব্যাটালিয়নগুলো নিজ নিজ কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে দায়িত্ব পালন করছে। এ ছাড়া র্যাব সদর দপ্তরের নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে সারা দেশে নিরাপত্তাব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে,’— বলেন র্যাবের মহাপরিচালক।
নববর্ষ ঘিরে গুজব, উসকানিমূলক তথ্য বা মিথ্যা তথ্য ছড়ানো বিষয়ে সাইবার মনিটরিং টিম নজরদারি অব্যাহত রেখেছে বলে জানা আহসান হাবীব পলাশ। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আসা নারীদের উত্ত্যক্ত করা বা যৌন হয়রানি রোধ করতেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া বলে জানিয়েছেন তিনি। কেউ কোনো ধরনের তথ্য পেলে বা হেনস্থার শিকার হলে তিনি কর্তব্যরত র্যাব বা অন্য কোনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যকে জানাতে অনুরোধ করেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ১০ শিশুর মধ্যে আটজনের মৃত্যু হয়েছে হামের উপসর্গ নিয়ে। বাকি দুই শিশুর শরীরে নিশ্চিতভাবে হামের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে।
২১ ঘণ্টা আগে
মুনির-উজ-জামানের মৃত্যুতে দেশ একজন দেশপ্রেমিক ও প্রজ্ঞাবান আমলা এবং কূটনীতিককে হারাল। দীর্ঘ কর্মজীবনে দেশের প্রশাসন ও কূটনৈতিক অঙ্গনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন।
১ দিন আগে
ঘটনার পর জেফ বেজোস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, কোম্পানির সব কর্মী নিরাপদ আছেন এবং কেউ আহত হননি। তবে তিনি একে ‘খুব কঠিন দিন’ বলে উল্লেখ করেন।
১ দিন আগে
অভিযোগ রয়েছে, এমন সংকটময় পরিস্থিতির মধ্যেও পর্যাপ্ত জরুরি চিকিৎসা, সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ ও তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করা হয়নি। দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসা কর্মীদের উপস্থিতি ও তৎপরতা পর্যাপ্ত ছিল না এবং সংকটাপন্ন নবজাতকদের দ্রুত উন্নত চিকিৎসা বা উপযুক্ত চিকিৎসা কেন্দ্রে স্থানান্তরেও দেরি হয়।
১ দিন আগে