
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দ্বিতীয় ধাপে ১৫৬টি উপজেলায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামীকাল মঙ্গলবার। এ দিন ভোটগ্রহণ শুরু হবে সকাল ৮টায়। ভোট ঘিরে এরই মধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতিও সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন। ১৫৬ উপজেলার নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে মোতায়েন থাকছে র্যাব, পুলিশ, আনসার ও বিজিবি সদস্যরা। এরই মধ্যে কেন্দ্রগুলোতে পাঠানো হয়েছে নির্বাচনী সরঞ্জাম।
ইসির নির্বাচন পরিচালনা শাখার উপসচিব আতিয়ার রহমান জানান, দ্বিতীয় ধাপে ১৫৬ উপজেলায় বিভিন্ন পদে মোট এক হাজার ৮২৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাদের মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ৬০৩ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬৯৩ জন ও নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫৯৮ জন প্রার্থী রয়েছেন।
উপজেলা পরিষদ নির্বাচন আইন অনুযায়ী, প্রচার শেষ করতে হয় ভোটগ্রহণ শুরুর ৩২ ঘণ্টা আগে। একই সময় থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার জন্য নির্বাচনী এলাকায় মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকবে।
ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভোটের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে মাঠে অবস্থান নিয়েছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা৷ কেন্দ্রে কেন্দ্রে অবস্থায় নিয়েছেন পুলিশ, আনসার ও গ্রাম পুলিশ সদস্যরা।
নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালনের জন্য মাঠে রয়েছে প্রতি ইউনিয়নে একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। এছাড়া নির্বাচনী অপরাধ আমলে নিয়ে সংক্ষিপ্ত বিচারকাজ সম্পন্ন করতে নিয়োজিত রয়েছেন ১৫৭ জন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট।
এ নিয়ে নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর বলেছেন, আমরা আশা করি, আমাদের দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হবে। ছোটখাটো যেসব সমস্যা হয়েছে, সেগুলো যেন না হয়, সেজন্য প্রশাসন ও পুলিশ অত্যন্ত সতর্ক রয়েছে। দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচন প্রথম ধাপের নির্বাচনের চেয়েও সুষ্ঠু হবে।
ইসি ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, গত ৮ মে প্রথম ধাপের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচন ২১ মে, ২৯ মে তৃতীয় ও ৫ জুন হবে চতুর্থ ধাপের উপজেলা নির্বাচনের ভোট।

দ্বিতীয় ধাপে ১৫৬টি উপজেলায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামীকাল মঙ্গলবার। এ দিন ভোটগ্রহণ শুরু হবে সকাল ৮টায়। ভোট ঘিরে এরই মধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতিও সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন। ১৫৬ উপজেলার নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে মোতায়েন থাকছে র্যাব, পুলিশ, আনসার ও বিজিবি সদস্যরা। এরই মধ্যে কেন্দ্রগুলোতে পাঠানো হয়েছে নির্বাচনী সরঞ্জাম।
ইসির নির্বাচন পরিচালনা শাখার উপসচিব আতিয়ার রহমান জানান, দ্বিতীয় ধাপে ১৫৬ উপজেলায় বিভিন্ন পদে মোট এক হাজার ৮২৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাদের মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ৬০৩ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬৯৩ জন ও নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫৯৮ জন প্রার্থী রয়েছেন।
উপজেলা পরিষদ নির্বাচন আইন অনুযায়ী, প্রচার শেষ করতে হয় ভোটগ্রহণ শুরুর ৩২ ঘণ্টা আগে। একই সময় থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার জন্য নির্বাচনী এলাকায় মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকবে।
ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভোটের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে মাঠে অবস্থান নিয়েছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা৷ কেন্দ্রে কেন্দ্রে অবস্থায় নিয়েছেন পুলিশ, আনসার ও গ্রাম পুলিশ সদস্যরা।
নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালনের জন্য মাঠে রয়েছে প্রতি ইউনিয়নে একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। এছাড়া নির্বাচনী অপরাধ আমলে নিয়ে সংক্ষিপ্ত বিচারকাজ সম্পন্ন করতে নিয়োজিত রয়েছেন ১৫৭ জন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট।
এ নিয়ে নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর বলেছেন, আমরা আশা করি, আমাদের দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হবে। ছোটখাটো যেসব সমস্যা হয়েছে, সেগুলো যেন না হয়, সেজন্য প্রশাসন ও পুলিশ অত্যন্ত সতর্ক রয়েছে। দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচন প্রথম ধাপের নির্বাচনের চেয়েও সুষ্ঠু হবে।
ইসি ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, গত ৮ মে প্রথম ধাপের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচন ২১ মে, ২৯ মে তৃতীয় ও ৫ জুন হবে চতুর্থ ধাপের উপজেলা নির্বাচনের ভোট।

উদ্বোধনকালে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরে তিনি মোনাজাতে অংশ নেন এবং বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে ভবনটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
১২ ঘণ্টা আগে
হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হাসপাতালের নতুন ভবনের নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। অধিকাংশ যন্ত্রপাতি স্থাপনের কাজও শেষ হয়েছে। এতে হাসপাতালটির মোট শয্যা সংখ্যা বেড়ে এক হাজারে দাঁড়ায়। এর ফলে এটি দেশের বৃহত্তম বিশেষায়িত স্নায়ুরোগ চিকিৎসা কেন্দ্রে পরিণত হয়।
১৩ ঘণ্টা আগে
আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল হামিদ মিয়ার সই করা পূর্বাভাসে বলা হয়, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।
১৪ ঘণ্টা আগে
অনুষ্ঠানে 'আলী আলী মওলা আলী', 'পর্দা হ্যায় পর্দা', 'আমার দেহ মন বলে নবী নবী', 'ইশ্কে নবী দিল মে পয়দা করো', 'দমাদম মাস্ত কালান্দর' ও 'খাজা বাবা খাজা বাবা মারহাবা মারহাবা'-সহ জনপ্রিয় বেশ কিছু উর্দু, হিন্দি ও বাংলা কাওয়ালী পরিবেশন করা হয়।
১ দিন আগে