
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলায় রাস্তার কাজ না করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) যোগসাজশে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) টাঙ্গাইল জেলা শাখার উপসহকারী পরিচালক বাসেদ আলী বাদী হয়ে দুটি মামলা করেছেন।
রোববার (২৭ এপ্রিল) দায়ের করা দুটি মামলায় টাঙ্গাইল জেলার এলজিইডির সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী ও বর্তমানে প্রধান কার্যালয়ের মনিটরিং ও মূল্যায়ন শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম, নাগরপুর উপজেলার সাবেক প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান, নাগরপুরের উপসহকারী প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম, সাবেক উপসহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মাইনুল হক, মেসার্স ফ্রেন্ডস কনস্ট্রাকশনের স্বত্বাধিকারী শহীদুর রহমান খান এবং মেসার্স সৈয়দ মজিবর রহমান অ্যান্ড অ্যান্ড অবনী এন্টারপ্রাইজের স্বত্ত্বাধিকারী সৈয়দ মজিবর রহমানকে আসামি করা হয়েছে।
দুদকের মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, এলজিইডির কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগসাজশে ঠিকাদার কাজ না করেই ৫২ লাখ ৫৯ হাজার ১০৭ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।
জানা যায়, নাগরপুর উপজেলার গয়হাটা ও দপ্তিয়র ইউনিয়নের দুটি কাজ শেষ না করেই উধাও হয়ে যান ঠিকাদার ও প্রকৌশলী। তবে কাজ শেষ না করেও পুরো কাজের বিল তুলে নেন ঠিকাদাররা। বিষয়টি নিয়ে দুদক তদন্ত করে। তদন্তে প্রাথমিকভাবে সত্যতা পাওয়ায় দুদক মামলা করে।
স্থানীয়রা জানান, টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলায় এমআরআরআই ডিপি প্রকল্পের অধীনে দপ্তিয়ার ইউনিয়ন পরিষদ থেকে তেবাড়িয়া রাস্তার ১৬০০ মিটার বিটুমিন/ পিচ ঢালাই (বিসি) ও তিনটি বক্স কালভার্ট নির্মাণের জন্য ২০১৯ সালের আগস্ট মাসে কাজ শুরু করে এক বছরে শেষ করার জন্য দুই কোটি ২০ লাখ টাকা নির্ধারণ করে এলজিইডির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয় টাঙ্গাইল শহরের পাড়দিঘুলিয়ার ফ্রেন্ডস কনস্ট্রাকশন।
কয়েক দফায় নামমাত্র কিছু নিম্নমানের খোয়া ফেলে ঠিকাদার আর সেখানে যায়নি। রাস্তার কাজও শেষ করেনি। এ কাজে পারস্পরিক যোগসাজশে রাস্তার কাজ না করেই ৩১ লাখ এক হাজার ৫৯১ টাকা আত্মসাৎ করেন অভিযুক্তরা।
অন্যদিকে নাগরপুর-দেলদুয়ার উপজেলায় সাবেক সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটুর নিজ ইউনিয়ন ও মামার বাড়ি গয়হাটা ইউনিয়নে একই প্রকল্পের অধীনে ৩ দশমিক ৬২ কিলোমিটার রাস্তার কাজ অসমাপ্ত রেখেই উধাও হয়ে যান ঠিকাদার।
গয়হাটা থেকে ভারড়া রাস্তায় পিচ ঢালাই (বিসি) করার জন্য ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে শুরু করে এক বছরে শেষ করার জন্য চার কোটি ৪০ লাখ টাকায় এলজিডির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয় সৈয়দ মুজিবুর রহমান অ্যান্ড অবনী এন্টারপ্রাইজ। এ কাজে ২১ লাখ ৫৭ হাজার ৫১৬ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।
এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, এই দুটি কাজের বিল ২০২৩ সালের জুন মাসে দিয়ে দেওয়া হয়েছে। দপ্তিয়রের রাস্তার চূড়ান্ত বিল ও পারফরম্যান্স সিকিউরিটিও ফেরত দেওয়া হয়েছে।
দুদক সূত্র আরও জানিয়েছে, প্রকল্পের কাজ আংশিক বাস্তবায়ন করে কাজের চূড়ান্ত বিল তুলে নেওয়ার পাশাপাশি আংশিক সম্পন্ন করা কাজও অত্যন্ত নিম্নমানের পাওয়া গেছে। একটি প্রকল্পে আংশিক কাজ করে বিধিবহির্ভূতভাবে অতিরিক্ত বিল দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে।
অভিযোগ রয়েছে, জেলার এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী থাকা অবস্থায় রফিকুল ইসলাম ঠিকাদার ও ইঞ্জিনিয়ারদের সঙ্গে যোগসাজশে এসব টাকা আত্মসাৎ করেন। রফিকুল ইসলাম বর্তমানে এলজিইডি প্রধান কার্যালয়ের মনিটরিং ও মূল্যায়ন শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী।
টাঙ্গাইল জেলা দুদকের সহকারী পরিচালক মো. নূর আলম মামলার তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, দ্রুতই মামলার অভিযোগপত্র দেওয়া হবে।

টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলায় রাস্তার কাজ না করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) যোগসাজশে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) টাঙ্গাইল জেলা শাখার উপসহকারী পরিচালক বাসেদ আলী বাদী হয়ে দুটি মামলা করেছেন।
রোববার (২৭ এপ্রিল) দায়ের করা দুটি মামলায় টাঙ্গাইল জেলার এলজিইডির সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী ও বর্তমানে প্রধান কার্যালয়ের মনিটরিং ও মূল্যায়ন শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম, নাগরপুর উপজেলার সাবেক প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান, নাগরপুরের উপসহকারী প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম, সাবেক উপসহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মাইনুল হক, মেসার্স ফ্রেন্ডস কনস্ট্রাকশনের স্বত্বাধিকারী শহীদুর রহমান খান এবং মেসার্স সৈয়দ মজিবর রহমান অ্যান্ড অ্যান্ড অবনী এন্টারপ্রাইজের স্বত্ত্বাধিকারী সৈয়দ মজিবর রহমানকে আসামি করা হয়েছে।
দুদকের মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, এলজিইডির কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগসাজশে ঠিকাদার কাজ না করেই ৫২ লাখ ৫৯ হাজার ১০৭ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।
জানা যায়, নাগরপুর উপজেলার গয়হাটা ও দপ্তিয়র ইউনিয়নের দুটি কাজ শেষ না করেই উধাও হয়ে যান ঠিকাদার ও প্রকৌশলী। তবে কাজ শেষ না করেও পুরো কাজের বিল তুলে নেন ঠিকাদাররা। বিষয়টি নিয়ে দুদক তদন্ত করে। তদন্তে প্রাথমিকভাবে সত্যতা পাওয়ায় দুদক মামলা করে।
স্থানীয়রা জানান, টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলায় এমআরআরআই ডিপি প্রকল্পের অধীনে দপ্তিয়ার ইউনিয়ন পরিষদ থেকে তেবাড়িয়া রাস্তার ১৬০০ মিটার বিটুমিন/ পিচ ঢালাই (বিসি) ও তিনটি বক্স কালভার্ট নির্মাণের জন্য ২০১৯ সালের আগস্ট মাসে কাজ শুরু করে এক বছরে শেষ করার জন্য দুই কোটি ২০ লাখ টাকা নির্ধারণ করে এলজিইডির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয় টাঙ্গাইল শহরের পাড়দিঘুলিয়ার ফ্রেন্ডস কনস্ট্রাকশন।
কয়েক দফায় নামমাত্র কিছু নিম্নমানের খোয়া ফেলে ঠিকাদার আর সেখানে যায়নি। রাস্তার কাজও শেষ করেনি। এ কাজে পারস্পরিক যোগসাজশে রাস্তার কাজ না করেই ৩১ লাখ এক হাজার ৫৯১ টাকা আত্মসাৎ করেন অভিযুক্তরা।
অন্যদিকে নাগরপুর-দেলদুয়ার উপজেলায় সাবেক সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটুর নিজ ইউনিয়ন ও মামার বাড়ি গয়হাটা ইউনিয়নে একই প্রকল্পের অধীনে ৩ দশমিক ৬২ কিলোমিটার রাস্তার কাজ অসমাপ্ত রেখেই উধাও হয়ে যান ঠিকাদার।
গয়হাটা থেকে ভারড়া রাস্তায় পিচ ঢালাই (বিসি) করার জন্য ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে শুরু করে এক বছরে শেষ করার জন্য চার কোটি ৪০ লাখ টাকায় এলজিডির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয় সৈয়দ মুজিবুর রহমান অ্যান্ড অবনী এন্টারপ্রাইজ। এ কাজে ২১ লাখ ৫৭ হাজার ৫১৬ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।
এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, এই দুটি কাজের বিল ২০২৩ সালের জুন মাসে দিয়ে দেওয়া হয়েছে। দপ্তিয়রের রাস্তার চূড়ান্ত বিল ও পারফরম্যান্স সিকিউরিটিও ফেরত দেওয়া হয়েছে।
দুদক সূত্র আরও জানিয়েছে, প্রকল্পের কাজ আংশিক বাস্তবায়ন করে কাজের চূড়ান্ত বিল তুলে নেওয়ার পাশাপাশি আংশিক সম্পন্ন করা কাজও অত্যন্ত নিম্নমানের পাওয়া গেছে। একটি প্রকল্পে আংশিক কাজ করে বিধিবহির্ভূতভাবে অতিরিক্ত বিল দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে।
অভিযোগ রয়েছে, জেলার এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী থাকা অবস্থায় রফিকুল ইসলাম ঠিকাদার ও ইঞ্জিনিয়ারদের সঙ্গে যোগসাজশে এসব টাকা আত্মসাৎ করেন। রফিকুল ইসলাম বর্তমানে এলজিইডি প্রধান কার্যালয়ের মনিটরিং ও মূল্যায়ন শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী।
টাঙ্গাইল জেলা দুদকের সহকারী পরিচালক মো. নূর আলম মামলার তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, দ্রুতই মামলার অভিযোগপত্র দেওয়া হবে।

সংবিধান অনুযায়ী যেহেতু রাষ্ট্রপতিকে পদত্যাগ করতে হলে স্পিকার বরাবরই পদত্যাগপত্র দিতে হয় এবং রাষ্ট্রপতির পদত্যাগে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্বও পালন করতে হয় সেই স্পিকারকেই, এ অবস্থায় চিকিৎসা-সফর সংক্ষিপ্ত করে স্পিকার হাফিজ উদ্দিনের তড়িঘড়ি করে দেশে ফেরার খবরে দুইয়ে দুইয়ে চার মেলাচ্ছেন অনেকেই।
১১ ঘণ্টা আগে
সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতিকে পদত্যাগ করতে হলে স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিতে হয়। এ ছাড়া নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগ পর্যন্ত স্পিকারকেই অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্বও পালন করতে হয়। ফলে স্পিকারের তড়িঘড়ি করে দেশে ফেরার সঙ্গে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন আরও জোরালো হয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
১৬ ঘণ্টা আগে
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বঙ্গভবনের এক কর্মকর্তা বলেন, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের প্রস্তুতি নিয়েছেন এবং পরে চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে পারেন।
১৮ ঘণ্টা আগে