
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিবের স্বাক্ষর নকল করে অফিস সহায়ক পদে ভুয়া নিয়োগপত্র দিয়েছে একটি প্রতারক চক্র। এমন একটি জাল অফিস আদেশ নজরে আসার পর চাকরিপ্রার্থীদের সতর্ক করেছে মন্ত্রণালয়টি।
সোমবার (১৭ আগস্ট) এক বিবৃতিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় জানায়, প্রশাসন-১ শাখার উপসচিব শরিফুল ইসলামের স্বাক্ষর নকল করে ওই নিয়োগপত্র তৈরি করা হয়েছে। এতে মো. রেদুয়ান আহম্মেদ নামের এক ব্যক্তিকে মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

১০ আগস্ট তারিখের ওই ভুয়া অফিস আদেশে দাবি করা হয়, জনবল সংকট মোকাবিলায় বিভাগীয় নির্বাচন কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শূন্য পদে সরকারি বিধি অনুসরণ করে ওই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এতে বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী ৮ হাজার ২৫০ থেকে ২০ হাজার ১০ টাকা পর্যন্ত বেতন নির্ধারণ এবং ১১ আগস্ট থেকে নিয়োগ কার্যকর হওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়।
তবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন-১ শাখা থেকে এমন কোনো নিয়োগপত্র বা অফিস আদেশ জারি করা হয়নি বলে নিশ্চিত করেছেন উপসচিব শরিফুল ইসলাম।
মন্ত্রণালয় বলছে, সংবাদমাধ্যমে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ এবং নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় নিয়োগ পরীক্ষা ছাড়া সরাসরি জনবল নিয়োগের সুযোগ নেই। তাই চাকরির প্রলোভনে পড়ে প্রতারক চক্রের সঙ্গে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন বা চুক্তি না করার জন্য চাকরিপ্রার্থীদের সতর্ক করা হয়েছে।
বিবৃতিতে জানানো হয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সব নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি নিয়মিতভাবে মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ দেওয়া হয়। পুরো প্রক্রিয়ায় অনলাইনে আবেদন নেওয়ার পাশাপাশি নিয়োগের বিভিন্ন ধাপের তথ্য প্রার্থীদের মোবাইল এসএমএস এবং মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জানানো হয়।
মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, চাকরিপ্রার্থীদের সরলতা ও অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে কিছু চক্র নিয়মিত ভুয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ও অফিস আদেশ তৈরি করে প্রতারণা করছে। এ ধরনের প্রতারণা এড়াতে চাকরি সংক্রান্ত তথ্যের জন্য প্রার্থীদের নিয়মিত মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
উপসচিবের স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া নিয়োগপত্র, সতর্ক করল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিবের স্বাক্ষর নকল করে অফিস সহায়ক পদে ভুয়া নিয়োগপত্র দিয়েছে একটি প্রতারক চক্র। এমন একটি জাল অফিস আদেশ নজরে আসার পর চাকরিপ্রার্থীদের সতর্ক করেছে মন্ত্রণালয়টি।
সোমবার (১৭ আগস্ট) এক বিবৃতিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় জানায়, প্রশাসন-১ শাখার উপসচিব শরিফুল ইসলামের স্বাক্ষর নকল করে ওই নিয়োগপত্র তৈরি করা হয়েছে। এতে মো. রেদুয়ান আহম্মেদ নামের এক ব্যক্তিকে মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
১০ আগস্ট তারিখের ওই ভুয়া অফিস আদেশে দাবি করা হয়, জনবল সংকট মোকাবিলায় বিভাগীয় নির্বাচন কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শূন্য পদে সরকারি বিধি অনুসরণ করে ওই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এতে বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী ৮ হাজার ২৫০ থেকে ২০ হাজার ১০ টাকা পর্যন্ত বেতন নির্ধারণ এবং ১১ আগস্ট থেকে নিয়োগ কার্যকর হওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়।
তবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন-১ শাখা থেকে এমন কোনো নিয়োগপত্র বা অফিস আদেশ জারি করা হয়নি বলে নিশ্চিত করেছেন উপসচিব শরিফুল ইসলাম।
মন্ত্রণালয় বলছে, সংবাদমাধ্যমে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ এবং নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় নিয়োগ পরীক্ষা ছাড়া সরাসরি জনবল নিয়োগের সুযোগ নেই। তাই চাকরির প্রলোভনে পড়ে প্রতারক চক্রের সঙ্গে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন বা চুক্তি না করার জন্য চাকরিপ্রার্থীদের সতর্ক করা হয়েছে।
বিবৃতিতে জানানো হয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সব নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি নিয়মিতভাবে মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ দেওয়া হয়। পুরো প্রক্রিয়ায় অনলাইনে আবেদন নেওয়ার পাশাপাশি নিয়োগের বিভিন্ন ধাপের তথ্য প্রার্থীদের মোবাইল এসএমএস এবং মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জানানো হয়।
মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, চাকরিপ্রার্থীদের সরলতা ও অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে কিছু চক্র নিয়মিত ভুয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ও অফিস আদেশ তৈরি করে প্রতারণা করছে। এ ধরনের প্রতারণা এড়াতে চাকরি সংক্রান্ত তথ্যের জন্য প্রার্থীদের নিয়মিত মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিবের স্বাক্ষর নকল করে অফিস সহায়ক পদে ভুয়া নিয়োগপত্র দিয়েছে একটি প্রতারক চক্র। এমন একটি জাল অফিস আদেশ নজরে আসার পর চাকরিপ্রার্থীদের সতর্ক করেছে মন্ত্রণালয়টি।
সোমবার (১৭ আগস্ট) এক বিবৃতিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় জানায়, প্রশাসন-১ শাখার উপসচিব শরিফুল ইসলামের স্বাক্ষর নকল করে ওই নিয়োগপত্র তৈরি করা হয়েছে। এতে মো. রেদুয়ান আহম্মেদ নামের এক ব্যক্তিকে মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

১০ আগস্ট তারিখের ওই ভুয়া অফিস আদেশে দাবি করা হয়, জনবল সংকট মোকাবিলায় বিভাগীয় নির্বাচন কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শূন্য পদে সরকারি বিধি অনুসরণ করে ওই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এতে বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী ৮ হাজার ২৫০ থেকে ২০ হাজার ১০ টাকা পর্যন্ত বেতন নির্ধারণ এবং ১১ আগস্ট থেকে নিয়োগ কার্যকর হওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়।
তবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন-১ শাখা থেকে এমন কোনো নিয়োগপত্র বা অফিস আদেশ জারি করা হয়নি বলে নিশ্চিত করেছেন উপসচিব শরিফুল ইসলাম।
মন্ত্রণালয় বলছে, সংবাদমাধ্যমে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ এবং নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় নিয়োগ পরীক্ষা ছাড়া সরাসরি জনবল নিয়োগের সুযোগ নেই। তাই চাকরির প্রলোভনে পড়ে প্রতারক চক্রের সঙ্গে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন বা চুক্তি না করার জন্য চাকরিপ্রার্থীদের সতর্ক করা হয়েছে।
বিবৃতিতে জানানো হয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সব নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি নিয়মিতভাবে মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ দেওয়া হয়। পুরো প্রক্রিয়ায় অনলাইনে আবেদন নেওয়ার পাশাপাশি নিয়োগের বিভিন্ন ধাপের তথ্য প্রার্থীদের মোবাইল এসএমএস এবং মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জানানো হয়।
মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, চাকরিপ্রার্থীদের সরলতা ও অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে কিছু চক্র নিয়মিত ভুয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ও অফিস আদেশ তৈরি করে প্রতারণা করছে। এ ধরনের প্রতারণা এড়াতে চাকরি সংক্রান্ত তথ্যের জন্য প্রার্থীদের নিয়মিত মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
উপসচিবের স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া নিয়োগপত্র, সতর্ক করল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিবের স্বাক্ষর নকল করে অফিস সহায়ক পদে ভুয়া নিয়োগপত্র দিয়েছে একটি প্রতারক চক্র। এমন একটি জাল অফিস আদেশ নজরে আসার পর চাকরিপ্রার্থীদের সতর্ক করেছে মন্ত্রণালয়টি।
সোমবার (১৭ আগস্ট) এক বিবৃতিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় জানায়, প্রশাসন-১ শাখার উপসচিব শরিফুল ইসলামের স্বাক্ষর নকল করে ওই নিয়োগপত্র তৈরি করা হয়েছে। এতে মো. রেদুয়ান আহম্মেদ নামের এক ব্যক্তিকে মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
১০ আগস্ট তারিখের ওই ভুয়া অফিস আদেশে দাবি করা হয়, জনবল সংকট মোকাবিলায় বিভাগীয় নির্বাচন কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শূন্য পদে সরকারি বিধি অনুসরণ করে ওই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এতে বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী ৮ হাজার ২৫০ থেকে ২০ হাজার ১০ টাকা পর্যন্ত বেতন নির্ধারণ এবং ১১ আগস্ট থেকে নিয়োগ কার্যকর হওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়।
তবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন-১ শাখা থেকে এমন কোনো নিয়োগপত্র বা অফিস আদেশ জারি করা হয়নি বলে নিশ্চিত করেছেন উপসচিব শরিফুল ইসলাম।
মন্ত্রণালয় বলছে, সংবাদমাধ্যমে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ এবং নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় নিয়োগ পরীক্ষা ছাড়া সরাসরি জনবল নিয়োগের সুযোগ নেই। তাই চাকরির প্রলোভনে পড়ে প্রতারক চক্রের সঙ্গে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন বা চুক্তি না করার জন্য চাকরিপ্রার্থীদের সতর্ক করা হয়েছে।
বিবৃতিতে জানানো হয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সব নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি নিয়মিতভাবে মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ দেওয়া হয়। পুরো প্রক্রিয়ায় অনলাইনে আবেদন নেওয়ার পাশাপাশি নিয়োগের বিভিন্ন ধাপের তথ্য প্রার্থীদের মোবাইল এসএমএস এবং মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জানানো হয়।
মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, চাকরিপ্রার্থীদের সরলতা ও অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে কিছু চক্র নিয়মিত ভুয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ও অফিস আদেশ তৈরি করে প্রতারণা করছে। এ ধরনের প্রতারণা এড়াতে চাকরি সংক্রান্ত তথ্যের জন্য প্রার্থীদের নিয়মিত মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ মো. শাহজাহান কবির এ আদেশ দেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘পে কমিশনের অনেকগুলো দিক আছে তো, আমরা সবগুলো বিবেচনা করছি। আজকে অনেক আলোচনা হয়েছে, দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে এবং আরও অধিকতর আলোচনার প্রয়োজনীয়তা আছে। আমরা আবার বসব। পূর্ণাঙ্গ সিদ্ধান্ত যখন আসবে, তখন আপনাদের সাথে তুলে ধরব।’
৪ ঘণ্টা আগে
সোমবার (১৭ আগস্ট) সচিবালয়ে পে-স্কেল সংক্রান্ত বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এ মন্তব্য করেন। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
৫ ঘণ্টা আগে
সোমবার (১৭ আগস্ট) সচিবালয়ে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এসব তথ্য জানান।
৬ ঘণ্টা আগে