
মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

দেশের কোনো অঞ্চলকেই উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত করা হবে না বলে আশ্বস্ত করেছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি। তিনি বলেছেন, সুষম উন্নয়ন ও আঞ্চলিক বৈষম্য দূর করা বর্তমান সরকারের প্রধান নির্বাচনি অঙ্গীকার।
আজ শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার ফুকুরহাটি ইউনিয়নের ভাষীয়ালি-কৃষ্টপুর এলাকায় ‘সমগ্র দেশে নিরাপদ পানি সরবরাহ’ প্রকল্প পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘জুলাই সনদ ও ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের মধ্য দিয়ে মানুষের যে আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সরকার কাজ করছে। এর অংশ হিসেবে মানিকগঞ্জেও পরিবর্তন আসবে।’
জোনায়েদ সাকি উল্লেখ করেন, প্রকল্পের মেয়াদ বাড়লে ব্যয়ও বাড়ে এবং এতে রাষ্ট্রের অর্থের অপচয় হয়। তাই নির্ধারিত সময়ে, সাশ্রয়ী ব্যয়ে ও যথাযথভাবে প্রকল্প বাস্তবায়ন করার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘প্রকল্পের প্রতিটি টাকার হিসাব থাকতে হবে। প্রকল্পের সুফল যেন মানুষ প্রকৃত অর্থে পান, তা নিশ্চিত করতে হবে। যেহেতু এটি জনগণের অর্থ, তাই অর্থ ব্যয়ে পূর্ণ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা থাকা আবশ্যক।’
নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘নিরাপদ পানি সবার জন্য নিশ্চিত করতে হবে। সারা দেশে নিরাপদ পানি সরবরাহের জন্য গভীর নলকূপ স্থাপনসহ বিভিন্ন কার্যক্রম চলছে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব জেলায় প্রকল্প পরিদর্শন করা হবে।’
তিনি বলেন, ‘ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমানো সরকারের নীতি। নদী, নালা ও বৃষ্টির পানি যাতে কাজে লাগানো যায়, সে লক্ষ্যেও কাজ চলছে। ভূগর্ভস্থ ও ভূ-উপরিস্থ পানির সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপদ পানির ব্যবস্থা করতে হবে।’
প্রকল্প বাস্তবায়নে দুর্নীতি বন্ধের বিষয়ে জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘সরকার দুর্নীতি বন্ধে কাজ করছে। ভবিষ্যতে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডসহ বিভিন্ন সরকারি সুবিধা দেয়ার ক্ষেত্রে যোগ্য ব্যক্তিদের নির্বাচন করা হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এসব সুবিধা দেয়ার ক্ষেত্রে কোনো দলীয়করণ করা হবে না। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে সব যোগ্য ব্যক্তিকে এসব সুবিধার আওতায় আনা হবে।’
নাগরিকদের জন্য ইউনিক আইডি চালুর উদ্যোগের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রত্যেক নাগরিককে একটি নম্বরের আওতায় আনার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। প্রত্যেকের একটি ইউনিক আইডি থাকবে। জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর দিয়েই এ কার্যক্রম শুরু হতে পারে। এর মাধ্যমে নাগরিকদের বিভিন্ন সমস্যা কমানো সম্ভব হবে।’
বিগত সরকারের সময়ে অনিয়ম ও কুঅভ্যাস গড়ে উঠেছিলো বলে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘রাতারাতি পুরো ব্যবস্থার পরিবর্তন সম্ভব নয়। ধাপে ধাপে এসব সংস্কার বাস্তবায়ন করা হবে। সরকারের সর্বস্তরে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতেই নানা পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।’
এসময় ‘সমগ্র দেশে নিরাপদ পানি সরবরাহ’ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. হানিফ, উপপ্রকল্প পরিচালক মো. মোস্তাফিজুর রহমান, মানিকগঞ্জ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী গাজী ফাতিমা ফেরদৌস, সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মোহাম্মদ অনিক ইসলামসহ স্থানীয় বিএনপির নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।

দেশের কোনো অঞ্চলকেই উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত করা হবে না বলে আশ্বস্ত করেছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি। তিনি বলেছেন, সুষম উন্নয়ন ও আঞ্চলিক বৈষম্য দূর করা বর্তমান সরকারের প্রধান নির্বাচনি অঙ্গীকার।
আজ শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার ফুকুরহাটি ইউনিয়নের ভাষীয়ালি-কৃষ্টপুর এলাকায় ‘সমগ্র দেশে নিরাপদ পানি সরবরাহ’ প্রকল্প পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘জুলাই সনদ ও ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের মধ্য দিয়ে মানুষের যে আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সরকার কাজ করছে। এর অংশ হিসেবে মানিকগঞ্জেও পরিবর্তন আসবে।’
জোনায়েদ সাকি উল্লেখ করেন, প্রকল্পের মেয়াদ বাড়লে ব্যয়ও বাড়ে এবং এতে রাষ্ট্রের অর্থের অপচয় হয়। তাই নির্ধারিত সময়ে, সাশ্রয়ী ব্যয়ে ও যথাযথভাবে প্রকল্প বাস্তবায়ন করার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘প্রকল্পের প্রতিটি টাকার হিসাব থাকতে হবে। প্রকল্পের সুফল যেন মানুষ প্রকৃত অর্থে পান, তা নিশ্চিত করতে হবে। যেহেতু এটি জনগণের অর্থ, তাই অর্থ ব্যয়ে পূর্ণ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা থাকা আবশ্যক।’
নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘নিরাপদ পানি সবার জন্য নিশ্চিত করতে হবে। সারা দেশে নিরাপদ পানি সরবরাহের জন্য গভীর নলকূপ স্থাপনসহ বিভিন্ন কার্যক্রম চলছে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব জেলায় প্রকল্প পরিদর্শন করা হবে।’
তিনি বলেন, ‘ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমানো সরকারের নীতি। নদী, নালা ও বৃষ্টির পানি যাতে কাজে লাগানো যায়, সে লক্ষ্যেও কাজ চলছে। ভূগর্ভস্থ ও ভূ-উপরিস্থ পানির সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপদ পানির ব্যবস্থা করতে হবে।’
প্রকল্প বাস্তবায়নে দুর্নীতি বন্ধের বিষয়ে জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘সরকার দুর্নীতি বন্ধে কাজ করছে। ভবিষ্যতে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডসহ বিভিন্ন সরকারি সুবিধা দেয়ার ক্ষেত্রে যোগ্য ব্যক্তিদের নির্বাচন করা হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এসব সুবিধা দেয়ার ক্ষেত্রে কোনো দলীয়করণ করা হবে না। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে সব যোগ্য ব্যক্তিকে এসব সুবিধার আওতায় আনা হবে।’
নাগরিকদের জন্য ইউনিক আইডি চালুর উদ্যোগের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রত্যেক নাগরিককে একটি নম্বরের আওতায় আনার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। প্রত্যেকের একটি ইউনিক আইডি থাকবে। জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর দিয়েই এ কার্যক্রম শুরু হতে পারে। এর মাধ্যমে নাগরিকদের বিভিন্ন সমস্যা কমানো সম্ভব হবে।’
বিগত সরকারের সময়ে অনিয়ম ও কুঅভ্যাস গড়ে উঠেছিলো বলে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘রাতারাতি পুরো ব্যবস্থার পরিবর্তন সম্ভব নয়। ধাপে ধাপে এসব সংস্কার বাস্তবায়ন করা হবে। সরকারের সর্বস্তরে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতেই নানা পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।’
এসময় ‘সমগ্র দেশে নিরাপদ পানি সরবরাহ’ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. হানিফ, উপপ্রকল্প পরিচালক মো. মোস্তাফিজুর রহমান, মানিকগঞ্জ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী গাজী ফাতিমা ফেরদৌস, সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মোহাম্মদ অনিক ইসলামসহ স্থানীয় বিএনপির নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।

আবহাওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বর্তমানে মৌসুমি বায়ুর অক্ষ রাজস্থান, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত পৌঁছেছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশে বর্তমানে কম সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে দুর্বল অবস্থায় রয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
বিবৃতিতে মাওলানা মহিউদ্দীন রাব্বানী বলেন, সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রচারিত এক বক্তব্যে আইনমন্ত্রী বলেছেন, ‘আমি কোরআনের আলোকে সংবিধান রচনা করতে পারি, কিন্তু কোরআনকে সংবিধান হিসেবে মানা উচিত হবে না।’ তার এ বক্তব্য অত্যন্ত আপত্তিকর এবং মুসলমানের ঈমান-আকিদার মৌলিক বিশ্বাসের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
৫ ঘণ্টা আগে
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে আগামী সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে ২৪ সেপ্টেম্বর সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে তার।
৮ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নয়াদিল্লি সফর আয়োজনের জন্য দুই দেশের কর্মকর্তারা কাজ করছেন বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু। কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি বলেছে, চলতি বছরের নভেম্বরেই সফরটি আয়োজনের চেষ্টা চলছে।
৮ ঘণ্টা আগে