নির্বাচনি নিরাপত্তায় মাঠে নামছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯: ৫৮

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে থেকে দেশজুড়ে মাঠে নামছে সেনাবাহিনীসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, আজ (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই মাঠ পর্যায়ে আনসার বাহিনী ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা তাদের দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন। নির্বাচনের দিন ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও সশস্ত্র বাহিনীসহ বিভিন্ন বাহিনীর প্রায় ৯ লাখ সদস্যকে মোতায়েন করা হচ্ছে।

ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ‘স্ট্রাইকিং ফোর্স’ হিসেবে কাজ করবে এই বাহিনীগুলো, যার মূল লক্ষ্য ভোটারদের নির্ভয় ও নিরপেক্ষ পরিবেশ নিশ্চিত করা।"

এদিকে, দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন ১ হাজার ৫১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। এছাড়া নির্বাচনের আগের দিন (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে ১ লাখ ৫৭ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক পরিপত্রে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী (ভিডিপি) এবং কোস্টগার্ড মোতায়েন করা হবে। পাশাপাশি বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তায় ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের দায়িত্ব দেওয়া হবে।

এবারের নির্বাচনে বিভিন্ন বাহিনীর মোট প্রায় ৯ লাখ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে আনসার ও ভিডিপির প্রায় সাড়ে ৫ লাখ সদস্য ভোটকেন্দ্রে মোতায়েন থাকবেন। পুলিশের প্রায় দেড় লাখ, সশস্ত্র বাহিনীর এক লাখ এবং বিজিবির প্রায় ৩৫ হাজার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।

পরিপত্রে আরও বলা হয়েছে, নির্বাচনকালীন শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড, র‍্যাব, পুলিশ, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) এবং আনসার ব্যাটালিয়ন মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে। বিজিবি, র‍্যাব, এপিবিএন ও আনসার ব্যাটালিয়ন জেলা, উপজেলা ও থানা ভিত্তিক দায়িত্ব পালন করবে। উপকূলীয় এলাকায় মোতায়েন থাকবে কোস্টগার্ড। সব বাহিনী সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে রিপোর্ট করবে এবং তার নির্দেশনা অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করবে।

সূত্র জানায়, মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে সাধারণ ভোটকেন্দ্রে ১৬–১৭ জন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১৭–১৮ জন পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে। মেট্রোপলিটন এলাকায় সাধারণ কেন্দ্রে ১৬ জন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১৭ জন দায়িত্ব পালন করবেন। দুর্গম হিসেবে চিহ্নিত ২৫ জেলার নির্দিষ্ট ভোটকেন্দ্রে ১৬–১৮ জন করে পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন করা হবে। এসব সদস্য ভোটগ্রহণের দুই দিন আগে থেকে ভোটের দিন পর্যন্ত দায়িত্বে থাকবেন।

ad
ad

খবরাখবর থেকে আরও পড়ুন

ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিদিন গড়ে ২০ জন নিহত

এবারের পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগে-পরে ১৫ দিনে দেশে ৩৭৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৯৮ জন নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৪৬ জন নারী ও ৬৭টি শিশু। প্রতিদিন গড়ে নিহত হয়েছেন ২০ জন এবং সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে চট্টগ্রাম বিভাগে। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের ‘ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনার প্রতিবেদনে’ এই চিত্র উঠে এসেছে।

৮ ঘণ্টা আগে

নারী এমপিদের নিয়ে আমির হামজার ‘কুৎসিত বক্তব্যে’র বিচার চাইলেন রুমিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র এমপি রুমিন ফারহানা তার নিজের পাশাপাশি জাতীয় সংসদের আরও দুজন নারী সহকর্মীকে নিয়ে অপর সংসদ সদস্য আমির হামজার (কুষ্টিয়া-৩) ‘কুৎসিত’ ভাষায় দেওয়া বক্তব্যের জন্য স্পিকারের কাছে বিচার চেয়েছেন।

৯ ঘণ্টা আগে

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পূজা উদযাপন পরিষদ প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে।

১১ ঘণ্টা আগে

আদানির সঙ্গে চুক্তি পুনর্বিবেচনা করতে চায় সরকার: বিদ্যুৎমন্ত্রী

ভারতের আদানি পাওয়ারের সঙ্গে করা বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি পুনর্বিবেচনা করতে চাই সরকার। একই সঙ্গে দেশের বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে উপকেন্দ্রগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নে একটি বৃহৎ মহাপরিকল্পনাও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।

১১ ঘণ্টা আগে