
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে সব ধরনের ছাত্র-শিক্ষক রাজনীতি নিষিদ্ধ ও অনতিবিলম্বে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ গঠনের দাবি জানিয়েছেন অধিকাংশ বিভাগের শিক্ষার্থীরা।
বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিক্ষার্থীদের প্রচারিত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যাডে লিখিত এ ধরনের ২০টিরও অধিক বিবৃতি দেখা গেছে।
ফেসবুকে শিক্ষার্থীরা ব্যক্তিগত প্রোফাইল ও বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে পোস্ট দিয়ে এ দাবি জানাচ্ছেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনৈতিক দলভিত্তিক ছাত্ররাজনীতি চাই না। ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার মুক্তির ৯ দফা দাবির মধ্যে অন্যতম দাবি ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ে দলভিত্তিক ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করা। এই দাবির সঙ্গে সংহতি রেখে আমরা চাই বিশ্ববিদ্যালয়ে দলভিত্তিক ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করা হোক এবং অনতিবিলম্বে জকসু (জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ) গঠন করা হোক।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, যদি বিভাগের কোনো শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনৈতিক দলভিত্তিক ছাত্ররাজনীতিতে জড়িত হন, তবে তাকে বিভাগ থেকে বয়কট করা হবে। পাশাপাশি কোনো বিভাগীয় কার্যক্রমে সে অংশগ্রহণ করতে পারবে না এবং তার সাথে কোনো শিক্ষার্থী ক্লাস-পরীক্ষায় বসবে না।
এ বিষয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী স্বর্ণ রিয়া বলেন, আমাদের পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী জীবন দিয়েছে। এত আত্মত্যাগের পর আমরা আর ক্যাম্পাসে কোনো লেজুড়বৃত্তির দলীয় রাজনীতি চাই না। সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে ক্যাম্পাস পরিচালিত হবে। শুধু যে ছাত্র রাজনীতি নই, সব ধরনের লেজুড়বৃত্তির শিক্ষক রাজনীতি বন্ধ চাই। কোনো শিক্ষকের রাজনৈতিক পরিচয় থাকবে না, শিক্ষক হিসেবেই নিজেকে পরিচয় দেবে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে সব ধরনের ছাত্র-শিক্ষক রাজনীতি নিষিদ্ধ ও অনতিবিলম্বে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ গঠনের দাবি জানিয়েছেন অধিকাংশ বিভাগের শিক্ষার্থীরা।
বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিক্ষার্থীদের প্রচারিত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যাডে লিখিত এ ধরনের ২০টিরও অধিক বিবৃতি দেখা গেছে।
ফেসবুকে শিক্ষার্থীরা ব্যক্তিগত প্রোফাইল ও বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে পোস্ট দিয়ে এ দাবি জানাচ্ছেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনৈতিক দলভিত্তিক ছাত্ররাজনীতি চাই না। ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার মুক্তির ৯ দফা দাবির মধ্যে অন্যতম দাবি ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ে দলভিত্তিক ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করা। এই দাবির সঙ্গে সংহতি রেখে আমরা চাই বিশ্ববিদ্যালয়ে দলভিত্তিক ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করা হোক এবং অনতিবিলম্বে জকসু (জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ) গঠন করা হোক।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, যদি বিভাগের কোনো শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনৈতিক দলভিত্তিক ছাত্ররাজনীতিতে জড়িত হন, তবে তাকে বিভাগ থেকে বয়কট করা হবে। পাশাপাশি কোনো বিভাগীয় কার্যক্রমে সে অংশগ্রহণ করতে পারবে না এবং তার সাথে কোনো শিক্ষার্থী ক্লাস-পরীক্ষায় বসবে না।
এ বিষয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী স্বর্ণ রিয়া বলেন, আমাদের পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী জীবন দিয়েছে। এত আত্মত্যাগের পর আমরা আর ক্যাম্পাসে কোনো লেজুড়বৃত্তির দলীয় রাজনীতি চাই না। সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে ক্যাম্পাস পরিচালিত হবে। শুধু যে ছাত্র রাজনীতি নই, সব ধরনের লেজুড়বৃত্তির শিক্ষক রাজনীতি বন্ধ চাই। কোনো শিক্ষকের রাজনৈতিক পরিচয় থাকবে না, শিক্ষক হিসেবেই নিজেকে পরিচয় দেবে।

সকাল থেকেই হোসেনি দালান প্রাঙ্গণে জড়ো হতে থাকেন শিয়া সম্প্রদায়ের হাজারো নারী, পুরুষ ও শিশু। কালো পোশাকে অংশগ্রহণকারীরা কারবালার মর্মান্তিক ঘটনার স্মরণে মাতম করেন। তাদের কণ্ঠে ধ্বনিত হতে থাকে শোকগাথা ও ধর্মীয় স্লোগান।
১ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে আমি নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। আহত ব্যক্তিদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি। এই কঠিন সময়ে ভেনেজুয়েলার জনগণের পাশে রয়েছে বাংলাদেশ।’
৩ ঘণ্টা আগে
পুষ্পস্তবক অর্পণের পর প্রধানমন্ত্রী কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে চীনের বিপ্লবী বীরদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।
৪ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার (২৬ জুন)স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ে এ বৈঠক শুরু হয়।
৪ ঘণ্টা আগে