
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং স্বাস্থ্য-শিক্ষা অধিদপ্তরের সঙ্গে বৈঠকের পর অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। ঘোষণা অনুযায়ী, আগামীকাল মঙ্গলবার (৯ জুন) থেকে ইন্টার্ন ও পোস্ট গ্র্যাজুয়েট চিকিৎসকরা তাদের স্বাভাবিক দায়িত্বে ফিরবেন।
বৈঠক শেষে সোমবার (৮ জুন) রাতে সরকারি কর্তৃপক্ষ এবং ইন্টার্ন ও পোস্ট গ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থীরা এক যৌথ ঘোষণায় এ কথা জানান। কর্মবিরতি প্রত্যাহারের ইন্টার্ন ও ট্রেইনি চিকিৎসকদের ভাতা বাড়ানো এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন প্রণয়নসহ ছয় দাবিতে সারা দেশে আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন ইন্টার্ন ও ট্রেইনি চিকিৎসকরা।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে অনুষ্ঠিত বৈঠকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য-শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং ইন্টার্ন ও পোস্ট গ্র্যাজুয়েট চিকিৎসকদের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক শেষে এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এফসিপিএস (পার্ট-১) ও এমডি/এমএস (ফেজ-১) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সব বেসরকারি প্রশিক্ষণার্থী ভাতা পাবেন এবং প্রতি মাসে এ ভাতা পরিশোধ করা হবে। এ ছাড়া সরকারের নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ইন্টার্ন ও পোস্ট গ্র্যাজুয়েট চিকিৎসকদের বর্তমান ভাতা আনুপাতিক হারে বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এ ছাড়া ‘স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন’ প্রণয়নের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সব প্রক্রিয়া অনুসরণ করে অংশীজনদের সঙ্গে পরামর্শ করে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে যৌথ বিবৃতিতে। বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করা হবে বলেও বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়।
একই সঙ্গে বিসিপিএস ও বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার ফি যৌক্তিক পর্যায়ে নির্ধারণে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে। বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও মেডিকেল কলেজে কর্মরত চিকিৎসকদের জন্য একটি সম্মানজনক বেতন কাঠামো প্রণয়নের লক্ষ্যে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়েও ঐকমত্য হয়েছে।
যৌথ বিবৃতিতে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, স্বাস্থ্য-শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল হোসেন এবং ইন্টার্ন ও পোস্ট গ্র্যাজুয়েট চিকিৎসকদের প্রতিনিধিরা সই করেন।
এতে বলা হয়, আলোচনায় গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে বাস্তবায়ন শুরু করার আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে ইন্টার্ন ও পোস্ট গ্র্যাজুয়েট চিকিৎসকদের প্রতিনিধিরা চলমান কর্মবিরতি ও ওয়ার্ড বর্জন কর্মসূচি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
এর আগে রোববার থেকে সারা দেশে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। তাদের ছয় দফা দাবিগুলো হলো— এফসিপিএস (পর্ব-১) উত্তীর্ণ বেসরকারি প্রশিক্ষণার্থীদের ভাতা নিশ্চিত করা, ইন্টার্ন ও ট্রেইনি চিকিৎসকদের ভাতা বাড়ানো, স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন প্রণয়ন, বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৪ বছর করা, ভর্তি পরীক্ষার ফি কমানো এবং বেসরকারি খাতে চিকিৎসকদের জন্য সুস্পষ্ট বেতন কাঠামো প্রণয়ন।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং স্বাস্থ্য-শিক্ষা অধিদপ্তরের সঙ্গে বৈঠকের পর অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। ঘোষণা অনুযায়ী, আগামীকাল মঙ্গলবার (৯ জুন) থেকে ইন্টার্ন ও পোস্ট গ্র্যাজুয়েট চিকিৎসকরা তাদের স্বাভাবিক দায়িত্বে ফিরবেন।
বৈঠক শেষে সোমবার (৮ জুন) রাতে সরকারি কর্তৃপক্ষ এবং ইন্টার্ন ও পোস্ট গ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থীরা এক যৌথ ঘোষণায় এ কথা জানান। কর্মবিরতি প্রত্যাহারের ইন্টার্ন ও ট্রেইনি চিকিৎসকদের ভাতা বাড়ানো এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন প্রণয়নসহ ছয় দাবিতে সারা দেশে আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন ইন্টার্ন ও ট্রেইনি চিকিৎসকরা।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে অনুষ্ঠিত বৈঠকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য-শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং ইন্টার্ন ও পোস্ট গ্র্যাজুয়েট চিকিৎসকদের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক শেষে এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এফসিপিএস (পার্ট-১) ও এমডি/এমএস (ফেজ-১) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সব বেসরকারি প্রশিক্ষণার্থী ভাতা পাবেন এবং প্রতি মাসে এ ভাতা পরিশোধ করা হবে। এ ছাড়া সরকারের নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ইন্টার্ন ও পোস্ট গ্র্যাজুয়েট চিকিৎসকদের বর্তমান ভাতা আনুপাতিক হারে বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এ ছাড়া ‘স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন’ প্রণয়নের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সব প্রক্রিয়া অনুসরণ করে অংশীজনদের সঙ্গে পরামর্শ করে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে যৌথ বিবৃতিতে। বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করা হবে বলেও বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়।
একই সঙ্গে বিসিপিএস ও বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার ফি যৌক্তিক পর্যায়ে নির্ধারণে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে। বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও মেডিকেল কলেজে কর্মরত চিকিৎসকদের জন্য একটি সম্মানজনক বেতন কাঠামো প্রণয়নের লক্ষ্যে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়েও ঐকমত্য হয়েছে।
যৌথ বিবৃতিতে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, স্বাস্থ্য-শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল হোসেন এবং ইন্টার্ন ও পোস্ট গ্র্যাজুয়েট চিকিৎসকদের প্রতিনিধিরা সই করেন।
এতে বলা হয়, আলোচনায় গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে বাস্তবায়ন শুরু করার আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে ইন্টার্ন ও পোস্ট গ্র্যাজুয়েট চিকিৎসকদের প্রতিনিধিরা চলমান কর্মবিরতি ও ওয়ার্ড বর্জন কর্মসূচি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
এর আগে রোববার থেকে সারা দেশে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। তাদের ছয় দফা দাবিগুলো হলো— এফসিপিএস (পর্ব-১) উত্তীর্ণ বেসরকারি প্রশিক্ষণার্থীদের ভাতা নিশ্চিত করা, ইন্টার্ন ও ট্রেইনি চিকিৎসকদের ভাতা বাড়ানো, স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন প্রণয়ন, বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৪ বছর করা, ভর্তি পরীক্ষার ফি কমানো এবং বেসরকারি খাতে চিকিৎসকদের জন্য সুস্পষ্ট বেতন কাঠামো প্রণয়ন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গত ১৫ মার্চ থেকে হামে আক্রান্ত ও হামের উপসর্গ নিয়ে অসুস্থ রোগীদের তথ্য নিয়মিত প্রকাশ করছে। সেই হিসাব অনুযায়ী, এ সময়ের মধ্যে নিশ্চিত হামে ১০০ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে ৯৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় ছয় মাসে প্রাণ গেছে ১ হাজার ৩৬ জনের। দেশের ইতিহাসে হামে এত মৃত্যুর ঘটনা আগে ঘ
৩ ঘণ্টা আগে
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহর সম্প্রসারণে এয়ারবাস কেনার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি বলেন, যেকোনো ক্রয় প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হবে। উচ্চপর্যায়ের আলোচনা কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে
৩ ঘণ্টা আগে
মামলার নথি ও দুদক সূত্রে জানা গেছে, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সুপর্ণা সুর, তার স্বামী এস কে সুর এবং তাদের ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের নামে বা বেনামে অর্জিত সব স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ, দায়-দেনা, আয়ের উৎস ও তা অর্জনের বিস্তারিত বিবরণ দাখিলের জন্য সুপর্ণাকে নোটিশ দেওয়া হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহর উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন বলেন, তার হাতে এখনো অনেক কাজ করার সুযোগ রয়েছে। সাত মাসের মধ্যে সবকিছু পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। তবে উদ্যোগ এবং কাজের গতি দৃশ্যমান হওয়া দরকার। উপাচার্যের নেতৃত্বে যে দল গঠন করা হয়েছে, তাদের উৎপাদনশীলতা ও
৩ ঘণ্টা আগে