
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

পহেলা বৈশাখ, বাংলা বর্ষবরণের আয়োজনের সময় সংকোচন করে সরকারের সিদ্ধান্ত না মেনে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর প্রতিবাদী অনুষ্ঠান বিষয়ে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর মন্তব্যের প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছে উদীচী। সরকারের দায়িত্বশীল পর্যায় থেকে এ ধরনের বক্তব্য দুঃখজনক বলে মনে করছে উদীচী।
এক বিবৃতিতে উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতি মাহমুদ সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক অমিত রঞ্জন দে বলেন, উদীচীর বর্ষবরণ আয়োজন নিয়ে তথ্য প্রতিমন্ত্রীর মন্তব্য বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রচারিত সংবাদ উদীচীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। বর্ষবরণে উদীচীর আয়োজন দুঃখজনক ও অনাকাঙ্ক্ষিত বলে তিনি যে মন্তব্য করেছেন, তাতে বিস্মিত হয়েছে উদীচী।
উদীচীর নেতৃবৃন্দ বলেন, যেকোনো বিষয়ে প্রতিবাদ জানানো ও সংগঠিত হওয়া জনগণের সংবিধানসম্মত অধিকার। বর্ষবরণ আয়োজনের সময় সংকোচন করতে সরকারের নির্দেশের প্রতিবাদে অনুষ্ঠান আয়োজন করে উদীচী সেই সংবিধানসম্মত অধিকারই চর্চা করেছে। একইভাবে সরকারের সিদ্ধান্ত অমান্য করে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটও কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে বর্ষবরণের দিন বিকেল ৪টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে।
উদীচী সবসময়ই মনে করে, আবহমান বাংলার সবচেয়ে বড় অসাম্প্রদায়িক উৎসব পহেলা বৈশাখ বা বাংলা বর্ষবরণ। আর সেজন্যই বহু বছর ধরেই এ উৎসবের বিরুদ্ধে মৌলবাদী, ধর্মান্ধ গোষ্ঠী নানা ধরনের অপপ্রচার ও কুৎসা রটিয়ে চলেছে। আমরা জানি প্রতিবছর খ্রিস্টীয় নতুন বছরের জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো সমস্যা হয় না। কিন্তু কোনো ঝুঁকি নেই বলে জানালেও নিরাপত্তার অজুহাত দেখিয়ে সন্ধ্যার মধ্যে বাংলা নববর্ষের অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেয়ার সিদ্ধান্তের সঙ্গে মৌলবাদী, ধর্মান্ধ গোষ্ঠীর অবস্থানের সাযুজ্য রয়েছে বলে মনে করে উদীচী।
বিবৃতিতে উদীচীর নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, বর্ষবরণ উৎসবকে নির্দিষ্ট সময়ের ঘেরাটোপে বেঁধে দেয়ার হঠকারি সিদ্ধান্ত প্রকৃতপক্ষে সাম্প্রদায়িক অপশক্তির কাছে নির্জলা আত্মসমর্পণ ছাড়া কিছুই নয়। এর মাধ্যমে পক্ষান্তরে আবহমান বাংলার সংস্কৃতিবিরোধী অন্ধকারের শক্তিকেই আস্কারা দেয়া হচ্ছে। এধরনের অযাচিত সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই মেনে নেয়ার মতো নয়। শুধু পহেলা বৈশাখই নয়, সারা বছরই দেশের বিভিন্ন স্থানে লোকজ সংস্কৃতির ধারক-বাহক নানা অনুষ্ঠান আয়োজন করতে গেলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে অনুমতি নেয়া বাধ্যতামূলক করাসহ নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের এবং সংস্কৃতিবান্ধব হিসেবে দাবিদার সরকারের কাছ থেকে এ ধরনের বাধপ্রদান কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না। এ ধরনের অপচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেবে না উদীচীসহ দেশের শিল্পী ও সংস্কৃতি কর্মীরা। তাই ভবিষ্যতেও এমন কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে যতবার দরকার হবে, ততবারই উদীচী গান, নাচ, নাটকের মতো সৃজনশীল হাতিয়ার নিয়ে মাঠে নামবে বলেও জানান নেতৃবৃন্দ।

পহেলা বৈশাখ, বাংলা বর্ষবরণের আয়োজনের সময় সংকোচন করে সরকারের সিদ্ধান্ত না মেনে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর প্রতিবাদী অনুষ্ঠান বিষয়ে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর মন্তব্যের প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছে উদীচী। সরকারের দায়িত্বশীল পর্যায় থেকে এ ধরনের বক্তব্য দুঃখজনক বলে মনে করছে উদীচী।
এক বিবৃতিতে উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতি মাহমুদ সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক অমিত রঞ্জন দে বলেন, উদীচীর বর্ষবরণ আয়োজন নিয়ে তথ্য প্রতিমন্ত্রীর মন্তব্য বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রচারিত সংবাদ উদীচীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। বর্ষবরণে উদীচীর আয়োজন দুঃখজনক ও অনাকাঙ্ক্ষিত বলে তিনি যে মন্তব্য করেছেন, তাতে বিস্মিত হয়েছে উদীচী।
উদীচীর নেতৃবৃন্দ বলেন, যেকোনো বিষয়ে প্রতিবাদ জানানো ও সংগঠিত হওয়া জনগণের সংবিধানসম্মত অধিকার। বর্ষবরণ আয়োজনের সময় সংকোচন করতে সরকারের নির্দেশের প্রতিবাদে অনুষ্ঠান আয়োজন করে উদীচী সেই সংবিধানসম্মত অধিকারই চর্চা করেছে। একইভাবে সরকারের সিদ্ধান্ত অমান্য করে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটও কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে বর্ষবরণের দিন বিকেল ৪টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে।
উদীচী সবসময়ই মনে করে, আবহমান বাংলার সবচেয়ে বড় অসাম্প্রদায়িক উৎসব পহেলা বৈশাখ বা বাংলা বর্ষবরণ। আর সেজন্যই বহু বছর ধরেই এ উৎসবের বিরুদ্ধে মৌলবাদী, ধর্মান্ধ গোষ্ঠী নানা ধরনের অপপ্রচার ও কুৎসা রটিয়ে চলেছে। আমরা জানি প্রতিবছর খ্রিস্টীয় নতুন বছরের জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো সমস্যা হয় না। কিন্তু কোনো ঝুঁকি নেই বলে জানালেও নিরাপত্তার অজুহাত দেখিয়ে সন্ধ্যার মধ্যে বাংলা নববর্ষের অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেয়ার সিদ্ধান্তের সঙ্গে মৌলবাদী, ধর্মান্ধ গোষ্ঠীর অবস্থানের সাযুজ্য রয়েছে বলে মনে করে উদীচী।
বিবৃতিতে উদীচীর নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, বর্ষবরণ উৎসবকে নির্দিষ্ট সময়ের ঘেরাটোপে বেঁধে দেয়ার হঠকারি সিদ্ধান্ত প্রকৃতপক্ষে সাম্প্রদায়িক অপশক্তির কাছে নির্জলা আত্মসমর্পণ ছাড়া কিছুই নয়। এর মাধ্যমে পক্ষান্তরে আবহমান বাংলার সংস্কৃতিবিরোধী অন্ধকারের শক্তিকেই আস্কারা দেয়া হচ্ছে। এধরনের অযাচিত সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই মেনে নেয়ার মতো নয়। শুধু পহেলা বৈশাখই নয়, সারা বছরই দেশের বিভিন্ন স্থানে লোকজ সংস্কৃতির ধারক-বাহক নানা অনুষ্ঠান আয়োজন করতে গেলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে অনুমতি নেয়া বাধ্যতামূলক করাসহ নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের এবং সংস্কৃতিবান্ধব হিসেবে দাবিদার সরকারের কাছ থেকে এ ধরনের বাধপ্রদান কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না। এ ধরনের অপচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেবে না উদীচীসহ দেশের শিল্পী ও সংস্কৃতি কর্মীরা। তাই ভবিষ্যতেও এমন কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে যতবার দরকার হবে, ততবারই উদীচী গান, নাচ, নাটকের মতো সৃজনশীল হাতিয়ার নিয়ে মাঠে নামবে বলেও জানান নেতৃবৃন্দ।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘পে কমিশনের অনেকগুলো দিক আছে তো, আমরা সবগুলো বিবেচনা করছি। আজকে অনেক আলোচনা হয়েছে, দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে এবং আরও অধিকতর আলোচনার প্রয়োজনীয়তা আছে। আমরা আবার বসব। পূর্ণাঙ্গ সিদ্ধান্ত যখন আসবে, তখন আপনাদের সাথে তুলে ধরব।’
৩ ঘণ্টা আগে
সোমবার (১৭ আগস্ট) সচিবালয়ে পে-স্কেল সংক্রান্ত বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এ মন্তব্য করেন। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
৩ ঘণ্টা আগে
সোমবার (১৭ আগস্ট) এক বিবৃতিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় জানায়, প্রশাসন-১ শাখার উপসচিব শরিফুল ইসলামের স্বাক্ষর নকল করে ওই নিয়োগপত্র তৈরি করা হয়েছে
৫ ঘণ্টা আগে
সোমবার (১৭ আগস্ট) সচিবালয়ে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এসব তথ্য জানান।
৫ ঘণ্টা আগে