
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাতীয় নির্বাচন ও রমজান মাস শুরুর বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে প্রথা ভেঙে আগামী অমর একুশে বইমেলা ফেব্রুয়ারিতে আয়োজন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলা একাডেমি। এর বদলে এবার বইমেলা শুরু হবে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে, চলবে একমাসই।
বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বাংলা একাডেমির একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। সূত্রটি জানিয়েছে, ১৭ ডিসেম্বর (বুধবার) থেকে শুরু হয়ে ১৬ জানুয়ারি (শুক্রবার) পর্যন্ত মাসব্যাপী আয়োজন করা হবে এবারের বইমেলা।
প্রায় পাঁচ দশক ধরে বাংলা একাডেমিতে আয়োজিত হয়ে আসছে অমর একুশে বইমেলা। ফেব্রুয়ারির প্রথম দিন থেকে শুরু করে মাসব্যাপী চলে এই মেলা। লেখক-পাঠক ও প্রকাশকদের এক অনন্য মিলনমেলায় পরিণত হয় এই বইমেলা। সারা বছর যে পরিমাণ বই বিক্রি হয় দেশে, তার সিংহ ভাগই বিক্রি হয় ফেব্রুয়ারির বইমেলা ঘিরে।
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কলেবর বেড়ে যাওয়ায় গত কয়েক বছর ধরে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ ছাড়িয়ে বইমেলা স্থান করে নিয়েছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান প্রাঙ্গণে। ফেব্রুয়ারির এক মাস ধরে সে জায়গাটি মেতে থাকে বইয়ের ঘ্রাণে।
বাংলা একাডেমির একজন কর্মকর্তা বলেন, জাতীয় নির্বাচনের কারণে ফেব্রুয়ারি তো বটেই, জানুয়ারি মাসেও বইমেলা আয়োজনের অনুমতি পাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। আবার রমজান শেষ হতে হতে মার্চের শেষভাগ চলে আসবে। তখন মেলা নিয়ে যেতে হবে এপ্রিলে, যখন আবার থাকবে গ্রীষ্মের তীব্র খরতাপ।
ওই কর্মকর্তা বলেন, এসব বিবেচনায় নিয়েই বইমেলা এগিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রকাশকরাও এ সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন।
বইমেলার সময় পরিবর্তন অবশ্য এই প্রথম নয়। এর আগে করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির কারণে মার্চ-এপ্রিল মাসেও বইমেলা আয়োজনের নজির রয়েছে।

জাতীয় নির্বাচন ও রমজান মাস শুরুর বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে প্রথা ভেঙে আগামী অমর একুশে বইমেলা ফেব্রুয়ারিতে আয়োজন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলা একাডেমি। এর বদলে এবার বইমেলা শুরু হবে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে, চলবে একমাসই।
বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বাংলা একাডেমির একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। সূত্রটি জানিয়েছে, ১৭ ডিসেম্বর (বুধবার) থেকে শুরু হয়ে ১৬ জানুয়ারি (শুক্রবার) পর্যন্ত মাসব্যাপী আয়োজন করা হবে এবারের বইমেলা।
প্রায় পাঁচ দশক ধরে বাংলা একাডেমিতে আয়োজিত হয়ে আসছে অমর একুশে বইমেলা। ফেব্রুয়ারির প্রথম দিন থেকে শুরু করে মাসব্যাপী চলে এই মেলা। লেখক-পাঠক ও প্রকাশকদের এক অনন্য মিলনমেলায় পরিণত হয় এই বইমেলা। সারা বছর যে পরিমাণ বই বিক্রি হয় দেশে, তার সিংহ ভাগই বিক্রি হয় ফেব্রুয়ারির বইমেলা ঘিরে।
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কলেবর বেড়ে যাওয়ায় গত কয়েক বছর ধরে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ ছাড়িয়ে বইমেলা স্থান করে নিয়েছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান প্রাঙ্গণে। ফেব্রুয়ারির এক মাস ধরে সে জায়গাটি মেতে থাকে বইয়ের ঘ্রাণে।
বাংলা একাডেমির একজন কর্মকর্তা বলেন, জাতীয় নির্বাচনের কারণে ফেব্রুয়ারি তো বটেই, জানুয়ারি মাসেও বইমেলা আয়োজনের অনুমতি পাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। আবার রমজান শেষ হতে হতে মার্চের শেষভাগ চলে আসবে। তখন মেলা নিয়ে যেতে হবে এপ্রিলে, যখন আবার থাকবে গ্রীষ্মের তীব্র খরতাপ।
ওই কর্মকর্তা বলেন, এসব বিবেচনায় নিয়েই বইমেলা এগিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রকাশকরাও এ সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন।
বইমেলার সময় পরিবর্তন অবশ্য এই প্রথম নয়। এর আগে করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির কারণে মার্চ-এপ্রিল মাসেও বইমেলা আয়োজনের নজির রয়েছে।

একই সময়ে এই বক্তব্যের বিরোধিতা করেছে বিরোধী দলের নেতারা। বিরোধী দলের নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সমর্থনে বিরোধী দলের চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমাদের কেউই ভুলে যাওয়ার কথা না যে দুইটা নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা আজকের এই জায়গায় এসেছি। একটি গণভোট ও আরেকটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই গণভোটের ভিত্তি হচ্ছে জুলাই স
৭ ঘণ্টা আগে
এতে বলা হয়, ইতোপূর্বে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত নিজ অফিসকক্ষে আবশ্যিকভাবে অবস্থান এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়সহ দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার লক্ষ্যে নির্দেশনা দেওয়া হয়।
৮ ঘণ্টা আগে
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, আর এস ফাহিমকে মিরপুর চিড়িয়াখানার সামনে আটকে রেখেছে একদল শিক্ষার্থী। চব্বিশের জুলাইয়ে ছাত্র আন্দোলনের বিপক্ষ অবস্থান বা উসকানিমূলক ভূমিকার অভিযোগে তাকে আটকে রাখার খবর জানা যায়।
৮ ঘণ্টা আগে
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এখন আমাদের দূতাবাস তাদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করে জানার চেষ্টা করেছে। আরো ডিটেইলস, কী অবস্থায় আছে—তা জানার চেষ্টা করছে। এখন তারা একটা প্রসেসের মধ্যে ঢুকে গেছে, গ্রিসের ওখানে সংশ্লিষ্ট যারা আছে, তাদের ওই সরকারের কিছু নিয়ম মেনে তাদের কিভাবে ক্যাম্পের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়,
৮ ঘণ্টা আগে