
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শুক্রবার দুপুর পৌনে ২টার দিকে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এটি ৫.৪ মাত্রার বা মাঝারি ভূমিকম্প ছিল। স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৫২ মিনিট ৪৯ সেকেন্ডে এটি অনুভূত হয় বলে জানানো হয়েছে। এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ঢাকা থেকে ১৮৮ কিলোমিটার দূরে খুলনার সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলায় দেখানো হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ সংস্থা ইউএসজিএসে এটি ৫.৩ মাত্রার বলে উল্লেখ করেছে।
এদিকে, তাৎক্ষণিকভাবে আইফোনের অ্যালার্ট সিস্টেমে এটি রিখটার স্কেলে ৫.৪ ও অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে ৪.৯ মাত্রার ভূমিকম্পের তথ্য দেখা যাচ্ছিল।
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী এলাকায় মাটির ৯.৮ কিলোমিটার গভীরে এটি হয়েছে বলে তথ্য দিচ্ছে ইউএসজিএস।
আবহাওয়া অফিস বলছে, চলতি মাসের প্রথম ২৭ দিনেই ১১ বার কেঁপে উঠেছে বাংলাদেশের ভূমি। এগুলোর বেশিরভাগ উৎপত্তি আশপাশ অঞ্চলে হলেও অভ্যন্তরে কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে। টানা এমন ভূকম্পন ছড়িয়েছে আতঙ্ক। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভূমিকম্পগুলোর উৎপত্তিস্থল ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় হওয়ায় আতঙ্কের বিশেষ কারণ নেই।
দেশে গত ২ দিন ভূমিকম্প টের পাওয়া গেলেও উৎপত্তিস্থল ছিল দেশের বাইরে। গত বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা ৪ মিনিটে অনুভূত ৪ দশমিক ৬ মাত্রার ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ভারতের সিকিম। এর আগের দিন রাতে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অনুভূত হয় ৫ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্প। এর উৎপত্তি ছিল প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারের মাওলাইক এলাকায়।
শুক্রবারের ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থলের বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সাইদুজ্জামান হিমু জানান, আশাশুনির প্রতাপনগর ইউনিয়নে দুটি মসজিদ ও একটি ব্যক্তিগত বাড়িতে ফাটলের খবর পাওয়া গেছে। আর দুটি কাঁচা ঘর হেলে পড়েছে। তবে এর বাইরে উল্লেখযোগ্য কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
গত নভেম্বরে রিখটার স্কেলে ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প টের পাওয়া যায় ঢাকাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে। অন্তত ১০ জন নিহত ও কয়েকশ মানুষ আহত হওয়ার খবর জানায় সরকার। বিভিন্ন জেলায় অনেক ভবনে ফাটলের তথ্যও পাওয়া গিয়েছিল ওই সময়।
এর পর ওই সপ্তাহেই পর বেশ কয়েকটি ভূমিকম্প টের পাওয়া যায় বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। সবশেষ এই ভূমিকম্প নিয়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নয় দশমিক আট কিলোমিটারকে মাটির খুব বেশি গভীরে বলা যায় না। সাতক্ষীরার এই জায়গাটি ঠিক আগে থেকে যেসব ফল্টলাইনের তথ্য ছিল তার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
তবে ‘নতুন করেও ফল্ট তৈরি হতে পারে’ বলছিলেন ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-তত্ত্ব বিভাগের সাবেক অধ্যাপক সৈয়দ হুমায়ুন আখতার।
সেখানে ১০-১৫ বছর আগেও পাঁচ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছিল বলে জানান তিনি।
আখতার বলেন, ভূগর্ভে ইন্ডিয়ান প্লেট ও বার্মিজ প্লেটের অবস্থান পরিবর্তন নিয়ে আগে থেকেই যে কথা বারবার বলা হয়েছে তারই একটি অংশ এবারের ভূমিকম্প।
‘ভারতীয় প্লেটটা যে পূর্বদিকে বার্মা প্লেটের নিচে সাবডাক্টেড হয়ে যাচ্ছে, সেখানে একটা টান তৈরি হচ্ছে, টেনশন তৈরি হচ্ছে। সেই কারণে এই ভূমিকম্পের সৃষ্টি’ বলছিলেন তিনি।
তবে এখানে বড় মাত্রার ভূমিকম্পের সম্ভাবনা কম বলেও জানান মি. আখতার। কারণ এটি যে তিনটি বড় সাবডাকশন জোনের সংযোগস্থল রয়েছে, তার চেয়ে বেশ দূরে।
‘মনে করেন একটা রাবারকে যদি দুই দিক থেকে টানতে থাকেন তাহলে একটা সময় মাঝখানে ছিঁড়ে যাবে। এখানে ঘটনাটা সেটাই হয়েছে। ইন্ডিয়ান প্লেট পশ্চিমের যে শিল্ড (সীমারেখার জায়গা), সেটাকে পশিমের হিউজ মাস টেনে ধরে রাখছে। আর পূর্ব প্রান্তে বার্মা প্লেটের নিচে এটা (শীল্ড) চলে যাচ্ছে। এই যে টেনে ধরে নিচের দিকে নিয়ে যাচ্ছে তাতে টেনশনাল ফোর্স তৈরি হচ্ছে,’ বলছিলেন এই ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ।
তার মতে, ‘এখানে ৫ বা ৫.৫ বা তার নিচে ভূমিকম্প হতে পারে। কিন্তু সেটা খুব উদ্বেগের বিষয় না। বরং ডাউকি ফল্ট এবং সিলেট থেকে চট্টগ্রাম বরাবর পাহাড়ি অঞ্চল যেটিকে সাবডাকশন জোন বলা হয়, সেটাই সবচেয়ে উদ্বেগের। এটা হচ্ছে উৎস যেখানে প্রচুর পরিমাণে শক্তি জমা হয়ে আছে’।
এর আগেও তিনি বেশ কয়েকবার জানিয়েছিলেন সেখানে ৮.২ থেকে ৯ মাত্রার ভূকম্পন তৈরির মতো শক্তি জমা হয়ে আছে যেটা কোনো না কোনো সময় বের হয়ে আসবেই। তবে পরবর্তীতে আরও সুনির্দিষ্ট তথ্য পেলে আরও পুঙ্খানুপুঙ্খ বলা যাবে।

ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শুক্রবার দুপুর পৌনে ২টার দিকে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এটি ৫.৪ মাত্রার বা মাঝারি ভূমিকম্প ছিল। স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৫২ মিনিট ৪৯ সেকেন্ডে এটি অনুভূত হয় বলে জানানো হয়েছে। এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ঢাকা থেকে ১৮৮ কিলোমিটার দূরে খুলনার সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলায় দেখানো হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ সংস্থা ইউএসজিএসে এটি ৫.৩ মাত্রার বলে উল্লেখ করেছে।
এদিকে, তাৎক্ষণিকভাবে আইফোনের অ্যালার্ট সিস্টেমে এটি রিখটার স্কেলে ৫.৪ ও অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে ৪.৯ মাত্রার ভূমিকম্পের তথ্য দেখা যাচ্ছিল।
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী এলাকায় মাটির ৯.৮ কিলোমিটার গভীরে এটি হয়েছে বলে তথ্য দিচ্ছে ইউএসজিএস।
আবহাওয়া অফিস বলছে, চলতি মাসের প্রথম ২৭ দিনেই ১১ বার কেঁপে উঠেছে বাংলাদেশের ভূমি। এগুলোর বেশিরভাগ উৎপত্তি আশপাশ অঞ্চলে হলেও অভ্যন্তরে কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে। টানা এমন ভূকম্পন ছড়িয়েছে আতঙ্ক। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভূমিকম্পগুলোর উৎপত্তিস্থল ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় হওয়ায় আতঙ্কের বিশেষ কারণ নেই।
দেশে গত ২ দিন ভূমিকম্প টের পাওয়া গেলেও উৎপত্তিস্থল ছিল দেশের বাইরে। গত বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা ৪ মিনিটে অনুভূত ৪ দশমিক ৬ মাত্রার ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ভারতের সিকিম। এর আগের দিন রাতে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অনুভূত হয় ৫ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্প। এর উৎপত্তি ছিল প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারের মাওলাইক এলাকায়।
শুক্রবারের ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থলের বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সাইদুজ্জামান হিমু জানান, আশাশুনির প্রতাপনগর ইউনিয়নে দুটি মসজিদ ও একটি ব্যক্তিগত বাড়িতে ফাটলের খবর পাওয়া গেছে। আর দুটি কাঁচা ঘর হেলে পড়েছে। তবে এর বাইরে উল্লেখযোগ্য কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
গত নভেম্বরে রিখটার স্কেলে ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প টের পাওয়া যায় ঢাকাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে। অন্তত ১০ জন নিহত ও কয়েকশ মানুষ আহত হওয়ার খবর জানায় সরকার। বিভিন্ন জেলায় অনেক ভবনে ফাটলের তথ্যও পাওয়া গিয়েছিল ওই সময়।
এর পর ওই সপ্তাহেই পর বেশ কয়েকটি ভূমিকম্প টের পাওয়া যায় বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। সবশেষ এই ভূমিকম্প নিয়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নয় দশমিক আট কিলোমিটারকে মাটির খুব বেশি গভীরে বলা যায় না। সাতক্ষীরার এই জায়গাটি ঠিক আগে থেকে যেসব ফল্টলাইনের তথ্য ছিল তার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
তবে ‘নতুন করেও ফল্ট তৈরি হতে পারে’ বলছিলেন ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-তত্ত্ব বিভাগের সাবেক অধ্যাপক সৈয়দ হুমায়ুন আখতার।
সেখানে ১০-১৫ বছর আগেও পাঁচ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছিল বলে জানান তিনি।
আখতার বলেন, ভূগর্ভে ইন্ডিয়ান প্লেট ও বার্মিজ প্লেটের অবস্থান পরিবর্তন নিয়ে আগে থেকেই যে কথা বারবার বলা হয়েছে তারই একটি অংশ এবারের ভূমিকম্প।
‘ভারতীয় প্লেটটা যে পূর্বদিকে বার্মা প্লেটের নিচে সাবডাক্টেড হয়ে যাচ্ছে, সেখানে একটা টান তৈরি হচ্ছে, টেনশন তৈরি হচ্ছে। সেই কারণে এই ভূমিকম্পের সৃষ্টি’ বলছিলেন তিনি।
তবে এখানে বড় মাত্রার ভূমিকম্পের সম্ভাবনা কম বলেও জানান মি. আখতার। কারণ এটি যে তিনটি বড় সাবডাকশন জোনের সংযোগস্থল রয়েছে, তার চেয়ে বেশ দূরে।
‘মনে করেন একটা রাবারকে যদি দুই দিক থেকে টানতে থাকেন তাহলে একটা সময় মাঝখানে ছিঁড়ে যাবে। এখানে ঘটনাটা সেটাই হয়েছে। ইন্ডিয়ান প্লেট পশ্চিমের যে শিল্ড (সীমারেখার জায়গা), সেটাকে পশিমের হিউজ মাস টেনে ধরে রাখছে। আর পূর্ব প্রান্তে বার্মা প্লেটের নিচে এটা (শীল্ড) চলে যাচ্ছে। এই যে টেনে ধরে নিচের দিকে নিয়ে যাচ্ছে তাতে টেনশনাল ফোর্স তৈরি হচ্ছে,’ বলছিলেন এই ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ।
তার মতে, ‘এখানে ৫ বা ৫.৫ বা তার নিচে ভূমিকম্প হতে পারে। কিন্তু সেটা খুব উদ্বেগের বিষয় না। বরং ডাউকি ফল্ট এবং সিলেট থেকে চট্টগ্রাম বরাবর পাহাড়ি অঞ্চল যেটিকে সাবডাকশন জোন বলা হয়, সেটাই সবচেয়ে উদ্বেগের। এটা হচ্ছে উৎস যেখানে প্রচুর পরিমাণে শক্তি জমা হয়ে আছে’।
এর আগেও তিনি বেশ কয়েকবার জানিয়েছিলেন সেখানে ৮.২ থেকে ৯ মাত্রার ভূকম্পন তৈরির মতো শক্তি জমা হয়ে আছে যেটা কোনো না কোনো সময় বের হয়ে আসবেই। তবে পরবর্তীতে আরও সুনির্দিষ্ট তথ্য পেলে আরও পুঙ্খানুপুঙ্খ বলা যাবে।

নিহতদের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে এবং আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে মালদ্বীপে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
ওমান নিউজ এজেন্সির বরাত দিয়ে সোহারের একটি খোলা জায়গায় আরও একটি ড্রোন বিধ্বস্ত হওয়ার তথ্য দেয় বিবিসি। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হননি বলে জানানো হয়েছে। ওমানের কর্তৃপক্ষ এই দুটি ঘটনাই তদন্ত করছে।
৪ ঘণ্টা আগে
মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ইমরানুল হাসানের পাঠানো বার্তায় আরও বলা হয়, একই দিন খাদেম, পুরোহিত, সেবায়েত, বিহার অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষদের সম্মানী প্রদান কার্যক্রমেরও উদ্বোধন করা হবে।
৪ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তার ধারণা ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি জীবিত আছেন, তবে তিনি ‘গুরুতর আহত’। গতকাল বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) গভীর রাতে ফক্স নিউজ ট্রাম্পের এই মন্তব্য প্রকাশ করে।
৫ ঘণ্টা আগে