
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ছয় নবজাতকের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় রাজধানীর মগবাজারের আদ্-দ্বীন উইমেনস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করার পর সেখান থেকে পাঠানো রোগীদের যথাযথ চিকিৎসা দিতে রাজধানীর ছয় হাসপাতালকে বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
আজ শুক্রবার (১২ জুন) রাতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আদ্-দ্বীন উইমেনস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। এ অবস্থায় ওই হাসপাতাল হতে রেফার করার রোগীকে তাৎক্ষণিক যথাযথ চিকিৎসা দেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হলো। এতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের অনুমোদন থাকার কথাও বলা হয়েছে।
অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসানের সই করা নির্দেশনায় ছয় হাসপাতালের নাম দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালগুলো হলো— ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট।
রাজধানীর আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে স্বাস্থ্য হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিলের ঘোষণা আসে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস এ ঘোষণা দেন।
আদ্-দ্বীন হাসপাতালে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রোগীর কী হবে— এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেছিলেন, ‘যত দ্রুত সম্ভব রোগীদের সরিয়ে ফেলতে হবে। কারণ লাইসেন্স বাতিল হওয়ার পর আর চিকিৎসা দিতে পারবে না ওই হাসপাতাল।’
এর আগে ঈদুল আজহার আগের দিন (২৭ মে) সকালে মগবাজারে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের পোস্ট ডেলিভারি ওয়ার্ডে একে একে ছয় নবজাতক মারা যায়। এ ঘটনায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ‘অবহেলার’ প্রমাণ পাওয়ার কথা বলা হয়।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, অতিরিক্ত মানুষের উপস্থিতি; দীর্ঘক্ষণ এসি বন্ধ থাকা এবং বিকল্প কোনো ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থা না থাকা; বাতাসে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে যাওয়াই শিশুগুলোর মৃত্যুর সম্ভাব্য কারণ।
গত ৪ জুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী এক সংবাদ সম্মেলনে তদন্ত কমিটির পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন। সেদিনই বিকালে হাসপাতালকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালের লাইসেন্স কেন বাতিল করা হবে না, ৭ জুন বিকেল ৫টার মধ্যে জানাতে বলা হয় নোটিশে।
এরপর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আরও ৪৮ ঘণ্টা সময় দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের জবাবের প্রেক্ষিতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বুধবার বলেছিলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নোটিশের যে জবাব দিয়েছে তা ‘সন্তোষজনক নয়’।
এদিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আইনজীবী শিশির মনির গত রোববার সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রত্যেক পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে দেওয়া হবে। পরিবার ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের যৌথ আলোচনায় এই ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করা হয়েছে এবং প্রত্যেক পরিবারকে ইতোমধ্যে ১০ লাখ টাকা করে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
ক্ষতিপূরণ ও হাসপাতালের আইনি পদক্ষেপের বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মো. সাখাওয়াত হোসেন বুধবার বলেন, ‘এ ঘটনায় সরকার আইনজীবী নিয়োগ করে সঠিকভাবে প্রতিবেদন এবং সিদ্ধান্তের বিষয়ে সুপারিশ করবে।’

ছয় নবজাতকের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় রাজধানীর মগবাজারের আদ্-দ্বীন উইমেনস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করার পর সেখান থেকে পাঠানো রোগীদের যথাযথ চিকিৎসা দিতে রাজধানীর ছয় হাসপাতালকে বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
আজ শুক্রবার (১২ জুন) রাতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আদ্-দ্বীন উইমেনস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। এ অবস্থায় ওই হাসপাতাল হতে রেফার করার রোগীকে তাৎক্ষণিক যথাযথ চিকিৎসা দেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হলো। এতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের অনুমোদন থাকার কথাও বলা হয়েছে।
অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসানের সই করা নির্দেশনায় ছয় হাসপাতালের নাম দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালগুলো হলো— ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট।
রাজধানীর আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে স্বাস্থ্য হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিলের ঘোষণা আসে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস এ ঘোষণা দেন।
আদ্-দ্বীন হাসপাতালে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রোগীর কী হবে— এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেছিলেন, ‘যত দ্রুত সম্ভব রোগীদের সরিয়ে ফেলতে হবে। কারণ লাইসেন্স বাতিল হওয়ার পর আর চিকিৎসা দিতে পারবে না ওই হাসপাতাল।’
এর আগে ঈদুল আজহার আগের দিন (২৭ মে) সকালে মগবাজারে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের পোস্ট ডেলিভারি ওয়ার্ডে একে একে ছয় নবজাতক মারা যায়। এ ঘটনায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ‘অবহেলার’ প্রমাণ পাওয়ার কথা বলা হয়।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, অতিরিক্ত মানুষের উপস্থিতি; দীর্ঘক্ষণ এসি বন্ধ থাকা এবং বিকল্প কোনো ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থা না থাকা; বাতাসে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে যাওয়াই শিশুগুলোর মৃত্যুর সম্ভাব্য কারণ।
গত ৪ জুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী এক সংবাদ সম্মেলনে তদন্ত কমিটির পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন। সেদিনই বিকালে হাসপাতালকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালের লাইসেন্স কেন বাতিল করা হবে না, ৭ জুন বিকেল ৫টার মধ্যে জানাতে বলা হয় নোটিশে।
এরপর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আরও ৪৮ ঘণ্টা সময় দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের জবাবের প্রেক্ষিতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বুধবার বলেছিলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নোটিশের যে জবাব দিয়েছে তা ‘সন্তোষজনক নয়’।
এদিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আইনজীবী শিশির মনির গত রোববার সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রত্যেক পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে দেওয়া হবে। পরিবার ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের যৌথ আলোচনায় এই ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করা হয়েছে এবং প্রত্যেক পরিবারকে ইতোমধ্যে ১০ লাখ টাকা করে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
ক্ষতিপূরণ ও হাসপাতালের আইনি পদক্ষেপের বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মো. সাখাওয়াত হোসেন বুধবার বলেন, ‘এ ঘটনায় সরকার আইনজীবী নিয়োগ করে সঠিকভাবে প্রতিবেদন এবং সিদ্ধান্তের বিষয়ে সুপারিশ করবে।’

আজ শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে প্রধানমন্ত্রী তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে সাফারি পার্কে প্রবেশ করেন। পরে তিনি পার্ক ঘুরে দেখেন এবং গাছের চারা রোপণ করেন। এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদসহ তার সফরসঙ্গীরা উপস্থিত ছিলেন।
১০ ঘণ্টা আগে
এর আগে, শুক্রবার রাতে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে ফেরার পথে নগরের লালখান বাজার এলাকায় নাঈমকে বহনকারী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা থামিয়ে পুলিশ সদস্যরা তাকে জোরপূর্বক গাড়িতে তোলার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ ওঠে।
১১ ঘণ্টা আগে
সাধারণত কারিগরি ত্রুটি বা সিগন্যাল সমস্যার কারণে ট্রেন থামার নজির থাকলেও, একটি ক্ষুদ্র প্রাণীর উপস্থিতির কারণে পুরো নেটওয়ার্ক থমকে যাওয়ার ঘটনাটি বেশ চমকপ্রদ। তবে কোন স্টেশনের ঠিক কোন পয়েন্টে বিড়ালটি ঢুকেছে, রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তা নিশ্চিত করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।
১৩ ঘণ্টা আগে
সড়ক, রেল ও নৌ-পথে সর্বমোট ৬৭৬ টি দুর্ঘটনায় ৬৭১ জন নিহত এবং ১ হাজার ৬৯৬ জন আহত হয়েছে। এ সময়ে ২২১টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ২৩১ জন নিহত, ২১৯ জন আহত হয়েছে। যা মোট দুর্ঘটনার ৩৬ দশমিক ৫ শতাংশ, নিহতের ৩৭ দশমিক ১৩ শতাংশ ও আহতের ১৩ দশমিক ২৫ শতাংশ।
১৩ ঘণ্টা আগে